advertisement

Success Story: সংসার সামলে ছোটেন স্কুলে, তারপরেও জাতীয় মঞ্চে জোড়া সোনা জয় ৪০ ঊর্ধ্ব শিক্ষিকার! গর্বে ভাসছে গোটা মালদহ

Last Updated:
Malda Success Story: ছোট থেকেই খেলাধুলোর প্রতি ছিল আগ্রহ। কিন্তু সাফল্য এল অনেক দেরিতে। তবেে৪০ বছক বয়সে এসেও স্কুল শিক্ষিকা ফিরলেন সোনা জয় করে। জাতীয় প্রতিযোগিতার ময়দানে পেলেন বড় সাফল্য।
1/5
সংসারের গুণ্ডি পেরিয়ে এবারে জাতীয় ট্রাকে দৌড়ে বাংলার নাম উজ্জ্বল করল মালদহের ৪০ ঊর্ধ্ব স্কুল শিক্ষিকা। জাতীয় স্তরের দৌড় প্রতিযোগিতায় এক‌ই সঙ্গে দুটি সোনা আনলেন মালদহের এক স্কুল শিক্ষিকা সুপ্রিয়া দাস ঘোষ। (ছবি ও তথ্য: জিএম মোমিন)
সংসারের গুণ্ডি পেরিয়ে এবারে জাতীয় ট্রাকে দৌড়ে বাংলার নাম উজ্জ্বল করল মালদহের ৪০ ঊর্ধ্ব স্কুল শিক্ষিকা। জাতীয় স্তরের দৌড় প্রতিযোগিতায় এক‌ই সঙ্গে দুটি সোনা আনলেন মালদহের এক স্কুল শিক্ষিকা সুপ্রিয়া দাস ঘোষ। (ছবি ও তথ্য: জিএম মোমিন)
advertisement
2/5
মধ্যপ্রদেশের জাব্বলপুরে ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয় ৪৫ তম ন্যাশনাল মাস্টার্স অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬ প্রতিযোগিতা। যেখানে ঊর্ধ্ব ৩৫ এবং ৪৫ বয়সী মহিলা বিভাগে অংশগ্রহণ করেন সুপ্রিয়া দাস ঘোষ। সেখানে ৪০০ মিটার এবং ১৬০০ মিটার রিলে ট্রাকে দৌড়ে প্রথম হন তিনি।
মধ্যপ্রদেশের জব্বলপুরে ১৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হয় ৪৫ তম ন্যাশনাল মাস্টার্স অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬ প্রতিযোগিতা। যেখানে ঊর্ধ্ব ৩৫ এবং ৪৫ বয়সী মহিলা বিভাগে অংশগ্রহণ করেন সুপ্রিয়া দাস ঘোষ। সেখানে ৪০০ মিটার এবং ১৬০০ মিটার রিলে ট্রাকে দৌড়ে প্রথম হন তিনি।
advertisement
3/5
মালদহ শহরের সিঙ্গাতলা এলাকার বাসিন্দা সুপ্রিয়া দাস ঘোষ। পেশায় একজন বেসরকারি স্কুলের ক্রীড়া শিক্ষিকা। সোনা জয়ী সুপ্রিয়া দাস ঘোষ জানান,
মালদহ শহরের সিঙ্গাতলা এলাকার বাসিন্দা সুপ্রিয়া দাস ঘোষ। পেশায় একজন বেসরকারি স্কুলের ক্রীড়া শিক্ষিকা। সোনা জয়ী সুপ্রিয়া দাস ঘোষ জানান, "কোন‌ও প্রশিক্ষণ নয়, বাড়ির কাজের ফাঁকে মাঠে গিয়ে নিজেই অনুশীলন করে থাকি। ছোট থেকেই খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ ছিল। আজ এই বয়সে এসে চ্যাম্পিয়ন হতে পেরে খুব ভাল লাগছে।"
advertisement
4/5
তিনি আরও জানান,
তিনি আরও জানান, "এই খেলার পর আগামীতে থাইল্যান্ডে আন্তর্জাতিক স্তরের খেলা অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে অংশগ্রহণের সুযোগ হয়েছে। আশা করছি সেখানে গিয়ে পদক এনে বাংলা সহ দেশের নাম উজ্জ্বল করব।"
advertisement
5/5
পরিবার ও কর্মজীবনের দায়িত্ব সামলে স্কুল শিক্ষিকার এমন সাফল্যে প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন জেলা ক্রীড়া মহলের একাংশ। আজও যেখানে অনেকেই বয়সকে বাধা মনে করে থেমে যান, সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে মালদহের এই শিক্ষিকার জয়যাত্রা সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক বলে অভিমত অনেকের। (ছবি ও তথ্য: জিএম মোমিন)
পরিবার ও কর্মজীবনের দায়িত্ব সামলে স্কুল শিক্ষিকার এমন সাফল্যে প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন জেলা ক্রীড়া মহলের একাংশ। আজও যেখানে অনেকেই বয়সকে বাধা মনে করে থেমে যান, সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে মালদহের এই শিক্ষিকার জয়যাত্রা সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক বলে অভিমত অনেকের। (ছবি ও তথ্য: জিএম মোমিন)
advertisement
advertisement
advertisement