advertisement

Durga Puja 2025: যাদের জন্য পুজো, যারা না থাকলে থাকত না এত জাঁকজমক, তাদের নিয়েই অভিনব ভাবনা পুজো কমিটির

Last Updated:
বাঙালির সবথেকে বড় উৎসব দুর্গাপুজো। এই দুর্গাপুজো বাঙালীর একটা আলাদাই অনুভূতি জড়িয়ে থাকে। যার ফলে এই চারটে দিনের জন্য বাঙালি ৩৬৫ দিনের অপেক্ষায় থাকেন।
1/5
বাঙালির সবথেকে বড় উৎসব দুর্গাপুজো। এই দুর্গাপুজো বাঙালীর একটা আলাদাই অনুভূতি জড়িয়ে থাকে। যার ফলে এই চারটে দিনের জন্য বাঙালি ৩৬৫ দিনের অপেক্ষায় থাকেন। (ছবি ও তথ্য : রিন্টু পাঁজা)
বাঙালির সবথেকে বড় উৎসব দুর্গাপুজো। এই দুর্গাপুজো বাঙালীর একটা আলাদাই অনুভূতি জড়িয়ে থাকে। যার ফলে এই চারটে দিনের জন্য বাঙালি ৩৬৫ দিনের অপেক্ষায় থাকেন। (ছবি ও তথ্য : রিন্টু পাঁজা)
advertisement
2/5
তবে এই দুর্গাপুজোতে যাদের ছাড়া সম্পূর্ণ হয় না কিছু। বিশেষ করে প্রতিমা শিল্পী, ডেকোরেটর শিল্পী, আলোকসজ্জাশিল্পী, ঢাকি, থিম মেকার থাকে আরও অনেকে যাদের প্রয়োজন হয় এই দুর্গাপুজোতে। বলা ভাল তাদের ছাড়া এই দুর্গাপুজো কার্যত অসম্পূর্ণ।  <img class=
" width="1080" height="1350" /> তবে এই দুর্গাপুজোতে যাদের ছাড়া সম্পূর্ণ হয় না কিছু। বিশেষ করে প্রতিমা শিল্পী, ডেকোরেটর শিল্পী, আলোকসজ্জাশিল্পী, ঢাকি, থিম মেকার থাকে আরও অনেকে যাদের প্রয়োজন হয় এই দুর্গাপুজোতে। বলা ভাল তাদের ছাড়া এই দুর্গাপুজো কার্যত অসম্পূর্ণ। 
advertisement
3/5
তাই স্বাভাবিকভাবেই তাদের এই কাজের জন্যই একটা সম্পূর্ণ মণ্ডপ সুসজ্জিত ভাবে গড়ে ওঠে এবং দর্শনার্থীদের ভিড় উপচে পড়ে। এবার এই সমস্ত শিল্পীদের সম্মান জানাতে অভিনব ভাবনা নিয়েছে কল্যানপুর স্কিম টু পুজো কমিটি।
তাই স্বাভাবিকভাবেই তাদের এই কাজের জন্যই একটা সম্পূর্ণ মণ্ডপ সুসজ্জিত ভাবে গড়ে ওঠে এবং দর্শনার্থীদের ভিড় উপচে পড়ে। এবার এই সমস্ত শিল্পীদের সম্মান জানাতে অভিনব ভাবনা নিয়েছে কল্যানপুর স্কিম টু পুজো কমিটি।
advertisement
4/5
এবারে তাদের ৪৪ তম বর্ষে ভাবনা উৎসর্গ। প্রতিমা শিল্পী আলোকসজ্জা শিল্পী থিম মেকার ঢাকি থেকে শুরু করে যাদের জন্য এই পুজোটা সম্পন্ন হয় তাদেরকে সম্মান জানাতে তারা মেদিনীপুর থেকে সুদক্ষ মিস্ত্রি নিয়ে এসে ‘উৎসর্গ’ মণ্ডপ সাজিয়ে তুলেছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের আলোকসজ্জা দিয়ে ভরিয়ে তোলা হয়েছে পুজোর মণ্ডপ।
এবারে তাদের ৪৪ তম বর্ষে ভাবনা উৎসর্গ। প্রতিমা শিল্পী আলোকসজ্জা শিল্পী থিম মেকার ঢাকি থেকে শুরু করে যাদের জন্য এই পুজোটা সম্পন্ন হয় তাদেরকে সম্মান জানাতে তারা মেদিনীপুর থেকে সুদক্ষ মিস্ত্রি নিয়ে এসে ‘উৎসর্গ’ মণ্ডপ সাজিয়ে তুলেছেন। পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের আলোকসজ্জা দিয়ে ভরিয়ে তোলা হয়েছে পুজোর মণ্ডপ।
advertisement
5/5
পুজো কমিটির সেক্রেটারি প্রদীপ্ত সেন জানান, “সমগ্র পুজো মণ্ডপটি সাজিয়ে তুলতে খরচ হয়েছে প্রায় ১২ লক্ষ টাকা। মণ্ডপ সাজিয়ে তুলতে বিভিন্ন উপকরণ লেগেছে তার মধ্যে অন্যতম বাঁশ, প্লাই, মেটালের বিভিন্ন কাজের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে”। এই থিমটা সকলের পছন্দ হয়েছে। দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়ছে। (ছবি ও তথ্য : রিন্টু পাঁজা)
পুজো কমিটির সেক্রেটারি প্রদীপ্ত সেন জানান, “সমগ্র পুজো মণ্ডপটি সাজিয়ে তুলতে খরচ হয়েছে প্রায় ১২ লক্ষ টাকা। মণ্ডপ সাজিয়ে তুলতে বিভিন্ন উপকরণ লেগেছে তার মধ্যে অন্যতম বাঁশ, প্লাই, মেটালের বিভিন্ন কাজের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে”। এই থিমটা সকলের পছন্দ হয়েছে। দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়ছে। (ছবি ও তথ্য : রিন্টু পাঁজা)
advertisement
advertisement
advertisement