advertisement

নতুন সেতুর কাজ শুরু হতেই পুরনো আশঙ্কা উঁকি মারছে গ্রামবাসীদের মনে

Last Updated:
এক সপ্তাহের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা সেতুটির কাজ। তবে অভিযোগ, আগের ভেঙে যাওয়া কাঠের সেতুর পুরোনো সামগ্রী ব্যবহার করেই নতুন সেতুটি তৈরি হচ্ছে। ফলে এটি কতদিন টিকবে তা নিয়ে নিশ্চিত নন গ্রামের বাসিন্দারা
1/6
দাসপুর-২ ব্লকের পলাশপাই খালের উপর মহিষঘাটায় কংক্রিটের সেতুর গার্ডওয়াল ভেঙে পড়ে রয়েছে প্রায় পাঁচ বছর। ২০২০ সালের ২৫ আগস্ট গভীর রাতে মালবাহী ভারী লরি পার হতে গিয়ে সেতুর একাংশ ভেঙে যায়। পরে জেলা সেচ দফতরের উদ্যোগে খেপুত ও দুধকোমরা গ্রাম পঞ্চায়েতের যৌথ তত্ত্বাবধানে প্রায় ৩৬ লক্ষ টাকা ব্যয়ে একটি কাঠের সেতু তৈরি হয়। কিন্তু এক বছরের মধ্যেই ইট বোঝাই গাড়ির চাপে সেটিও ভেঙে পড়ে।[ছবি ও তথ্য: মিজানুর রহমান]
advertisement
2/6
এরপর থেকে খেপুত, নিশ্চিন্তপুর, বেনাই ও দুধকোমরা—এই চারটি গ্রাম পঞ্চায়েতের বহু গ্রাম কার্যত যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। যাতায়াতের জন্য সরকারি স্তরে কোনও বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায়, গ্রামবাসীরা অস্থায়ীভাবে বাঁশের মাচা তৈরি করে কোনরকমে যাতায়াত করছেন।[ছবি ও তথ্য: মিজানুর রহমান]
advertisement
3/6
যদিও নতুন কংক্রিটের সেতু তৈরির জন্য প্রায় ১৪ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়েছিল। কিন্তু জমিজটের কারণে কাজ শুরু হওয়ার আগেই আটকে যায় এবং শেষ পর্যন্ত টেন্ডারও বাতিল হয়ে যায়।[ছবি ও তথ্য: মিজানুর রহমান]
advertisement
4/6
এই পরিস্থিতিতে সেই আবারও অস্থায়ী কাঠের সেতু তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। দুধকোমরা গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান কার্তিক পাত্রের অনুরোধে দাসপুর-২ ব্লকের বিডিও প্রবীর কুমার শিট টেন্ডার আহ্বান করেন, এমনটাই জানা গিয়েছে।[ছবি ও তথ্য: মিজানুর রহমান]
advertisement
5/6
এক সপ্তাহের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা সেতুটির কাজ। তবে অভিযোগ, আগের ভেঙে যাওয়া কাঠের সেতুর পুরোনো সামগ্রী ব্যবহার করেই নতুন সেতুটি তৈরি হচ্ছে। ফলে এটি কতদিন টিকবে তা নিয়ে নিশ্চিত নন গ্রামের বাসিন্দারা।[ছবি ও তথ্য: মিজানুর রহমান]
advertisement
6/6
প্রশ্ন উঠছে, যে সেতুটি আগে জলপানার চাপে ভেঙে পড়েছিল, তারই খুঁটি ও পাটাতন দিয়ে নতুন অস্থায়ী কাঠের সেতু তৈরি করাটা কতটা নিরাপদ? আপাতত স্থানীয়রা ঘুর পথে নিশ্চিন্তপুর-বোয়ালিয়া কাঠের সেতু ব্যবহার করে যাতায়াত করছেন। স্থায়ী সমাধান না হওয়া পর্যন্ত ভোগান্তি যে কমবে না তা নিয়ে একপ্রকার নিশ্চিত সাধারণ মানুষ।[ছবি ও তথ্য: মিজানুর রহমান]
advertisement
advertisement
advertisement