Purulia Tourism: পুরুলিয়ার পর্যটন ব্যবসায়ে ধাক্কা! উৎসবের মরশুমে পর্যটক সংখ্যা কমছে অযোধ্যা পাহাড়ে, বাড়তি রোজগার থেকে বঞ্চিত মুখোশ শিল্পীরা

Last Updated:
Purulia News: রাজ্য পর্যটন মানচিত্রে গুরুত্বপূর্ণ পুরুলিয়া জেলা। তবে পুরুলিয়ার পর্যটন ব্যবসা দিনদিন মার খাচ্ছে। পর্যটক সংখ্যা কমেছে অযোধ্যা পাহাড়ে। ফলে চড়িদার মুখোশ গ্রামে মুখোশ বিক্রি কমেছে অর্ধেক।
1/6
রাজ্য পর্যটন মানচিত্রে গুরুত্বপূর্ণ পুরুলিয়া জেলা। কাছে পিঠে দু-দিনের বেড়ানোর প্ল্যান থাকলে অনেকেই পুরুলিয়ায় ছুটে আসেন। কমবেশি সারা বছরই পর্যটকদের ঢল নামে সুন্দরী পুরুলিয়ায়। পর্যটনের হাত ধরেই এই জেলার শ্রী বৃদ্ধি হচ্ছে প্রতিনিয়ত। (ছবি ও তথ্য: শর্মিষ্ঠা ব্যানার্জি)
রাজ্য পর্যটন মানচিত্রে গুরুত্বপূর্ণ পুরুলিয়া জেলা। কাছে পিঠে দু-দিনের বেড়ানোর প্ল্যান থাকলে অনেকেই পুরুলিয়ায় ছুটে আসেন। কমবেশি সারা বছরই পর্যটকদের ঢল নামে সুন্দরী পুরুলিয়ায়। পর্যটনের হাত ধরেই এই জেলার শ্রী বৃদ্ধি হচ্ছে প্রতিনিয়ত। (ছবি ও তথ্য: শর্মিষ্ঠা ব্যানার্জি)
advertisement
2/6
লাল মাটির এই জেলায় বেড়ানোর পাশাপাশি বাড়তি আকর্ষণ ছৌ মুখোশ। অযোধ্যা পাহাড়ের কোলে বাঘমুন্ডি ব্লকে রয়েছে আস্ত একটি মুখোশ গ্রাম। যা পুরুলিয়ার পর্যটনের খুবই গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
লাল মাটির এই জেলায় বেড়ানোর পাশাপাশি বাড়তি আকর্ষণ ছৌ মুখোশ। অযোধ্যা পাহাড়ের কোলে বাঘমুন্ডি ব্লকে রয়েছে আস্ত একটি মুখোশ গ্রাম। যা পুরুলিয়ার পর্যটনের খুবই গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
advertisement
3/6
ছৌ মুখোশের জন্যই বিশ্বের দরবারে এতখানি খ্যাতি রয়েছে জঙ্গলমহলের এই জেলার। তাইতো পুরুলিয়া বেড়াতে আসা পর্যটকদের বেড়ানোর তালিকায় থাকে চড়িদার মুখোশ গ্রাম। এই গ্রামে প্রায় ১০০টি পরিবার রয়েছে। তাদের প্রত্যেকেরই রুটি রুজি চলে মুখোশ তৈরির উপর নির্ভর করে। ‌
ছৌ মুখোশের জন্যই বিশ্বের দরবারে এতখানি খ্যাতি রয়েছে জঙ্গলমহলের এই জেলার। তাইতো পুরুলিয়া বেড়াতে আসা পর্যটকদের বেড়ানোর তালিকায় থাকে চড়িদার মুখোশ গ্রাম। এই গ্রামে প্রায় ১০০টি পরিবার রয়েছে। তাদের প্রত্যেকেরই রুটি রুজি চলে মুখোশ তৈরির উপর নির্ভর করে। ‌
advertisement
4/6
পর্যটনের মরশুমে পর্যটকদের সংখ্যা অনেকটাই বেড়ে যায়। তাতে বাড়তি লক্ষী লাভ হয় মুখোশ শিল্পীদের। প্রতিবছর ২৫ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি পর্যন্ত ব্যাপকহারে পর্যটকদের ঢল নামে পুরুলিয়ার অযোধ্যা পাহাড়ে। এই সময় বাড়তি রোজগার হয় মুখোশ শিল্পীদের।
পর্যটনের মরশুমে পর্যটকদের সংখ্যা অনেকটাই বেড়ে যায়। তাতে বাড়তি লক্ষী লাভ হয় মুখোশ শিল্পীদের। প্রতিবছর ২৫ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি পর্যন্ত ব্যাপকহারে পর্যটকদের ঢল নামে পুরুলিয়ার অযোধ্যা পাহাড়ে। এই সময় বাড়তি রোজগার হয় মুখোশ শিল্পীদের।
advertisement
5/6
তবে এ-বছরের চিত্রটা খানিকটা আলাদা। পর্যটনের এই মরশুমে বিগত বছরের তুলনায় মুখোশ বিক্রি কম হয়েছে মুখোশ শিল্পীদের। এ বিষয়ে চড়িদা গ্রামের মুখোশ শিল্পী মিতালী সূত্রধর ও অনিতা সূত্রধর বলেন, বিগত বছরের থেকে এই বছর মুখোশ বিক্রি কম হয়েছে। পর্যটক সংখ্যাও অনেকটা কম ছিল অযোধ্যা পাহাড়ে। গোটা গ্রাম জুড়ে এই কয়েকটা দিনে মাত্র ৩০ লক্ষ টাকার কাছাকাছি মুখোশ বিক্রি হয়েছে। প্রতিবছর এই সংখ্যাটা থাকে ৫০ থেকে ৬০ লক্ষের কাছাকাছি। অর্থাৎ প্রায় অর্ধেক টাকার মুখোশ বিক্রি হয়েছে। 
তবে এ-বছরের চিত্রটা খানিকটা আলাদা। পর্যটনের এই মরশুমে বিগত বছরের তুলনায় মুখোশ বিক্রি কম হয়েছে মুখোশ শিল্পীদের। এ বিষয়ে চড়িদা গ্রামের মুখোশ শিল্পী মিতালী সূত্রধর ও অনিতা সূত্রধর বলেন, বিগত বছরের থেকে এই বছর মুখোশ বিক্রি কম হয়েছে। পর্যটক সংখ্যাও অনেকটা কম ছিল অযোধ্যা পাহাড়ে। গোটা গ্রাম জুড়ে এই কয়েকটা দিনে মাত্র ৩০ লক্ষ টাকার কাছাকাছি মুখোশ বিক্রি হয়েছে। প্রতিবছর এই সংখ্যাটা থাকে ৫০ থেকে ৬০ লক্ষের কাছাকাছি। অর্থাৎ প্রায় অর্ধেক টাকার মুখোশ বিক্রি হয়েছে। 
advertisement
6/6
পর্যটনের মরশুমেও বাড়তি রোজগার হয়নি চড়িদা গ্রামে মুখোশ শিল্পীদের। এর ফলে মন ভার তাদের। কারণ উৎসবের এই সময় গুলোতেই কিছুটা হলেও বাড়তি রোজগার হয় তাদের।(ছবি ও তথ্য - শর্মিষ্ঠা ব্যানার্জি)
পর্যটনের মরশুমেও বাড়তি রোজগার হয়নি চড়িদা গ্রামে মুখোশ শিল্পীদের। এর ফলে মন ভার তাদের। কারণ উৎসবের এই সময় গুলোতেই কিছুটা হলেও বাড়তি রোজগার হয় তাদের।(ছবি ও তথ্য - শর্মিষ্ঠা ব্যানার্জি)
advertisement
advertisement
advertisement