Yogadya Devi Temple: ৫১ সতীপীঠের অন্যতম! ক্ষীরগ্রামের মা যোগ্যাদা দেবীর মন্দিরের প্রতিষ্ঠা দিবস, দেবীর দর্শন-আশীর্বাদ পেতে ভক্তদের ঢল

Last Updated:
Yogadya Devi Temple: মন্দিরের প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে গত কয়েক বছর ধরে বৃহৎ পরিসরে ভোগ প্রসাদ বিতরণের আয়োজন করা হচ্ছে। এদিন প্রায় ২৫ হাজার ভক্তের জন্য ভোগ প্রসাদের ব্যবস্থা করা হয়।
1/5
৫১ সতীপীঠের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পীঠস্থান হল মা যোগ্যাদা দেবীর মন্দির। পূর্ব বর্ধমান জেলার মঙ্গলকোট ব্লকের ক্ষীরগ্রামে অবস্থিত এই পীঠস্থান মানুষের কাছে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। প্রতি বছর ১৫ পৌষ এই মন্দিরকে কেন্দ্র করে উপচে পড়ে ভক্তদের ঢল, কারণ এই দিনটি মা যোগ্যাদা দেবীর লাল মন্দিরের প্রতিষ্ঠা দিবস হিসেবে পালিত হয়। (ছবি ও তথ্যঃ বনোয়ারীলাল চৌধুরী)
৫১ সতীপীঠের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পীঠস্থান হল মা যোগ্যাদা দেবীর মন্দির। পূর্ব বর্ধমান জেলার মঙ্গলকোট ব্লকের ক্ষীরগ্রামে অবস্থিত এই পীঠস্থান মানুষের কাছে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। প্রতি বছর ১৫ পৌষ এই মন্দিরকে কেন্দ্র করে উপচে পড়ে ভক্তদের ঢল, কারণ এই দিনটি মা যোগ্যাদা দেবীর লাল মন্দিরের প্রতিষ্ঠা দিবস হিসেবে পালিত হয়। (ছবি ও তথ্যঃ বনোয়ারীলাল চৌধুরী)
advertisement
2/5
প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে এই বিশেষ দিনে অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণভাবে দেবীর পুজো অনুষ্ঠিত হয়। ভোর থেকেই মন্দির চত্বরে ভক্তদের ভিড় জমতে শুরু করে। দূরদূরান্ত থেকে হাজার হাজার মানুষ দেবীর দর্শন ও আশীর্বাদ লাভের উদ্দেশে মন্দির প্রাঙ্গণে উপস্থিত হন।
প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে এই বিশেষ দিনে অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণভাবে দেবীর পুজো অনুষ্ঠিত হয়। ভোর থেকেই মন্দির চত্বরে ভক্তদের ভিড় জমতে শুরু করে। দূরদূরান্ত থেকে হাজার হাজার মানুষ দেবীর দর্শন ও আশীর্বাদ লাভের উদ্দেশে মন্দির প্রাঙ্গণে উপস্থিত হন।
advertisement
3/5
এই বছরও ব্যতিক্রম হয়নি। বুধবার, ১৫ পৌষে একেবারে উৎসবমুখর হয়ে ওঠে মা যোগ্যাদা দেবীর মন্দির চত্বর। ভক্তদের উচ্ছ্বাসে ধর্মীয় আবহে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা।
এই বছরও ব্যতিক্রম হয়নি। বুধবার, ১৫ পৌষে একেবারে উৎসবমুখর হয়ে ওঠে মা যোগ্যাদা দেবীর মন্দির চত্বর। ভক্তদের উচ্ছ্বাসে ধর্মীয় আবহে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা।
advertisement
4/5
প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে গত কয়েক বছর ধরেই বৃহৎ পরিসরে ভোগ প্রসাদ বিতরণের আয়োজন করা হচ্ছে। এদিন প্রায় ২৫ হাজার ভক্তের জন্য ভোগ প্রসাদের ব্যবস্থা করা হয়। ভক্তদের জন্য ছিল ভাত, তরকারি, পায়েস, মিষ্টি সহ নানা সুস্বাদু পদ। সুশৃঙ্খলভাবে ভোগ বিতরণে সকলে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন।
প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে গত কয়েক বছর ধরেই বৃহৎ পরিসরে ভোগ প্রসাদ বিতরণের আয়োজন করা হচ্ছে। এদিন প্রায় ২৫ হাজার ভক্তের জন্য ভোগ প্রসাদের ব্যবস্থা করা হয়। ভক্তদের জন্য ছিল ভাত, তরকারি, পায়েস, মিষ্টি সহ নানা সুস্বাদু পদ। সুশৃঙ্খলভাবে ভোগ বিতরণে সকলে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন।
advertisement
5/5
এই সমগ্র আয়োজনে সক্রিয় ভূমিকায় দেখা যায় মঙ্গলকোটের বিধায়ক অপূর্ব চৌধুরীকে। প্রস্তুতি পর্ব থেকেই তিনি সার্বিকভাবে সহযোগিতা করে থাকেন। বুধবার সকাল থেকেই মন্দির প্রাঙ্গণে উপস্থিত ছিলেন তিনি এবং নিজ হাতে ভক্তদের ভোগ প্রসাদ বিতরণ করতেও দেখা যায় তাঁকে। এই প্রসঙ্গে বিধায়ক অপূর্ব চৌধুরী বলেন, “প্রতি বছরই থাকি, এবারও ছিলাম। সবাই আমার নিজের লোক, সকলের সঙ্গে দিনটা কাটাতে ভালই লাগে।” (ছবি ও তথ্যঃ বনোয়ারীলাল চৌধুরী)
এই সমগ্র আয়োজনে সক্রিয় ভূমিকায় দেখা যায় মঙ্গলকোটের বিধায়ক অপূর্ব চৌধুরীকে। প্রস্তুতি পর্ব থেকেই তিনি সার্বিকভাবে সহযোগিতা করে থাকেন। বুধবার সকাল থেকেই মন্দির প্রাঙ্গণে উপস্থিত ছিলেন তিনি এবং নিজ হাতে ভক্তদের ভোগ প্রসাদ বিতরণ করতেও দেখা যায় তাঁকে। এই প্রসঙ্গে বিধায়ক অপূর্ব চৌধুরী বলেন, “প্রতি বছরই থাকি, এবারও ছিলাম। সবাই আমার নিজের লোক, সকলের সঙ্গে দিনটা কাটাতে ভালই লাগে।” (ছবি ও তথ্যঃ বনোয়ারীলাল চৌধুরী)
advertisement
advertisement
advertisement