Jagadhatri Puja 2025: জগদ্ধাত্রী পুজোর মণ্ডপে মাছ, কচ্ছপ, পান্ডা...আরও কত কী! 'মিনি চন্দননগরে'র প্যান্ডেলে বড় চমক, উপচে পড়ছে ভিড়

Last Updated:
Jagadhatri Puja 2025: 'মিনি চন্দননগরে'র আর পাঁচটা মণ্ডপের থেকে আলাদা এই মণ্ডপ। ছোট ছোট কিন্তু খুব আকর্ষণীয় প্রতিটি জিনিস। এই প্যান্ডেল দেখতে ভিড় জমাচ্ছেন দর্শনার্থীরা।
1/5
ইঁদুর, ব্যাঙ ,পাখি থেকে কাঁকড়া বিছে, পান্ডা- পুজো মণ্ডপে রয়েছে আরও কত কী! একবার চোখ পড়লে সহজে চোখ ফেরানো দায়। চোখ আটকে যাচ্ছে আট থেকে আশির। সব প্যান্ডেল ছেড়ে যেন এখানেই ভিড় জমাচ্ছে মানুষ। দর্শনার্থীরা লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে এমন মডেল দর্শন করছেন। (ছবি ও তথ্যঃ রাকেশ মাইতি)
ইঁদুর, ব্যাঙ ,পাখি থেকে কাঁকড়া বিছে, পান্ডা- পুজো মণ্ডপে রয়েছে আরও কত কী! একবার চোখ পড়লে সহজে চোখ ফেরানো দায়। চোখ আটকে যাচ্ছে আট থেকে আশির। সব প্যান্ডেল ছেড়ে যেন এখানেই ভিড় জমাচ্ছে মানুষ। দর্শনার্থীরা লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে এমন মডেল দর্শন করছেন। (ছবি ও তথ্যঃ রাকেশ মাইতি)
advertisement
2/5
ঝলমলে রঙিন মণ্ডপ ছেড়ে দর্শনার্থীদের নজর ডাইনোসর, কচ্ছপ, পান্ডার দিকে। বাংলার 'মিনি চন্দননগর' হাওড়ায় প্রতি বছর জগদ্ধাত্রী পুজোয় দর্শনার্থীর ঢল নামে। মণ্ডপ, আলোকসজ্জা এবং প্রতিমা দেখতে এবারও বেরিয়ে পড়েছে মানুষ। তবে এবার জুনিয়র সংঘের পুজো রীতিমতো জেলা জুড়ে সাড়া ফেলে দিয়েছে। নারকেল মালার তৈরি হাতের কাজে সেজেছে প্যান্ডেল।
ঝলমলে রঙিন মণ্ডপ ছেড়ে দর্শনার্থীদের নজর ডাইনোসর, কচ্ছপ, পান্ডার দিকে। বাংলার 'মিনি চন্দননগর' হাওড়ায় প্রতি বছর জগদ্ধাত্রী পুজোয় দর্শনার্থীর ঢল নামে। মণ্ডপ, আলোকসজ্জা এবং প্রতিমা দেখতে এবারও বেরিয়ে পড়েছে মানুষ। তবে এবার জুনিয়র সংঘের পুজো রীতিমতো জেলা জুড়ে সাড়া ফেলে দিয়েছে। নারকেল মালার তৈরি হাতের কাজে সেজেছে প্যান্ডেল।
advertisement
3/5
জগদ্ধাত্রী পুজোয় হাওড়ার পাঁচলা মোড় থেকে বাউরিয়া পরপর কয়েকটি গ্রাম 'মিনি চন্দননগর' নামে পরিচিতি পেয়েছে। এখানে বেশকিছু মণ্ডপ ভীষণভাবে দর্শনার্থীদের মন মুগ্ধ করে। প্যান্ডেলের আলোকসজ্জা, থিম এবং বিভিন্ন বার্তা দর্শনার্থীদের মন ছুঁয়ে যায়। এবার বাংলার শিল্প সংস্কৃতিকে তুলে ধরে বিভিন্ন প্যান্ডেল সেজে উঠেছে। সেই সঙ্গে আধুনিকতার সাজেও ফুটে উঠেছে মণ্ডপ। কোনও মণ্ডপ আবার পরিবেশ রক্ষার বার্তায় চারাগাছ দিয়ে সাজানো হয়েছে। তবে সবকিছুকে টেক্কা দিচ্ছে থিম 'বীজপত্র'।
জগদ্ধাত্রী পুজোয় হাওড়ার পাঁচলা মোড় থেকে বাউরিয়া পরপর কয়েকটি গ্রাম 'মিনি চন্দননগর' নামে পরিচিতি পেয়েছে। এখানে বেশকিছু মণ্ডপ ভীষণভাবে দর্শনার্থীদের মন মুগ্ধ করে। প্যান্ডেলের আলোকসজ্জা, থিম এবং বিভিন্ন বার্তা দর্শনার্থীদের মন ছুঁয়ে যায়। এবার বাংলার শিল্প সংস্কৃতিকে তুলে ধরে বিভিন্ন প্যান্ডেল সেজে উঠেছে। সেই সঙ্গে আধুনিকতার সাজেও ফুটে উঠেছে মণ্ডপ। কোনও মণ্ডপ আবার পরিবেশ রক্ষার বার্তায় চারাগাছ দিয়ে সাজানো হয়েছে। তবে সবকিছুকে টেক্কা দিচ্ছে থিম 'বীজপত্র'।
advertisement
4/5
শৌখিন হাতের কাজের অসংখ্য নারকেল মালার তৈরি জিনিস মণ্ডপে শোকেস করে রাখা হয়েছে। বাসুদেবপুর জুনিয়র সংঘের এবারের ভাবনা 'বীজপত্র'। এখানে প্রায় প্রতিবছর মণ্ডপসজ্জায় নতুনত্ব দেখা যায়। এবার ১৫ তম বর্ষে আরও আকর্ষণীয় প্যান্ডেল। দেশীয় প্রজাতির বিভিন্ন বীজ সংরক্ষণের বার্তা দিয়ে থিমের মণ্ডপ সাজানো হয়েছে। বিভিন্ন বীজের পোট্রেট ও নেচার ছবির সঙ্গে মণ্ডপের ভিতর ও বাহিরে রয়েছে অসংখ্য নারকেল মালার কারুকার্য। নারকেল মালা দিয়ে তৈরি আলোকসজ্জার পাশাপাশি বিভিন্ন মডেল দর্শকদের আকৃষ্ট করছে।
শৌখিন হাতের কাজের অসংখ্য নারকেল মালার তৈরি জিনিস মণ্ডপে শোকেস করে রাখা হয়েছে। বাসুদেবপুর জুনিয়র সংঘের এবারের ভাবনা 'বীজপত্র'। এখানে প্রায় প্রতিবছর মণ্ডপসজ্জায় নতুনত্ব দেখা যায়। এবার ১৫ তম বর্ষে আরও আকর্ষণীয় প্যান্ডেল। দেশীয় প্রজাতির বিভিন্ন বীজ সংরক্ষণের বার্তা দিয়ে থিমের মণ্ডপ সাজানো হয়েছে। বিভিন্ন বীজের পোট্রেট ও নেচার ছবির সঙ্গে মণ্ডপের ভিতর ও বাহিরে রয়েছে অসংখ্য নারকেল মালার কারুকার্য। নারকেল মালা দিয়ে তৈরি আলোকসজ্জার পাশাপাশি বিভিন্ন মডেল দর্শকদের আকৃষ্ট করছে।
advertisement
5/5
মণ্ডপের ভিতর-বাহির এবং সিলিংয়ে নারকেল মালার নানা রকম জিনিস রয়েছে। সারি দিয়ে রয়েছে হাতের কাজ। দর্শনার্থীদের কাছে মণ্ডপসজ্জায় এমন ভাবনা অদ্বিতীয়। 'মিনি চন্দননগরে'র আর পাঁচটা মণ্ডপের থেকে আলাদা এই মণ্ডপ। ছোট ছোট কিন্তু খুব আকর্ষণীয় প্রতিটি জিনিস। নারকেল মালা ব্যবহার করে বিভিন্ন পশু, পাখি এবং জিনিসপত্র তৈরি করা হয়েছে। সেই সমস্ত জিনিস মণ্ডপ সাজাতে ব্যবহার করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের সভাপতি স্বপন কুমার পন্ডিত জানান, এবারের ভাবনা 'বীজপত্র'। এই থিম ও ভাবনার গুরুত্ব বাড়াতে বাংলার লাউ, কুমড়ো, সরষে, ঝিঙে, উচ্ছে ও ডাল সহ বিভিন্ন শস্যদানার সঙ্গে নারকেল মালার মডেল তৈরি করে মণ্ডপ সাজানো হয়েছে। তিনি আরও জানান, এই সমস্ত জিনিস প্রতিষ্ঠানের সদস্যদের হাতে তৈরি করা হয়েছে। প্রায় দেড় মাসের চেষ্টায় পার্থ পন্ডিত, অভিজিৎ পন্ডিত সহ অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে তৈরি করা হয়েছে। (ছবি ও তথ্যঃ রাকেশ মাইতি)
মণ্ডপের ভিতর-বাহির এবং সিলিংয়ে নারকেল মালার নানা রকম জিনিস রয়েছে। সারি দিয়ে রয়েছে হাতের কাজ। দর্শনার্থীদের কাছে মণ্ডপসজ্জায় এমন ভাবনা অদ্বিতীয়। 'মিনি চন্দননগরে'র আর পাঁচটা মণ্ডপের থেকে আলাদা এই মণ্ডপ। ছোট ছোট কিন্তু খুব আকর্ষণীয় প্রতিটি জিনিস। নারকেল মালা ব্যবহার করে বিভিন্ন পশু, পাখি এবং জিনিসপত্র তৈরি করা হয়েছে। সেই সমস্ত জিনিস মণ্ডপ সাজাতে ব্যবহার করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানের সভাপতি স্বপন কুমার পন্ডিত জানান, এবারের ভাবনা 'বীজপত্র'। এই থিম ও ভাবনার গুরুত্ব বাড়াতে বাংলার লাউ, কুমড়ো, সরষে, ঝিঙে, উচ্ছে ও ডাল সহ বিভিন্ন শস্যদানার সঙ্গে নারকেল মালার মডেল তৈরি করে মণ্ডপ সাজানো হয়েছে। তিনি আরও জানান, এই সমস্ত জিনিস প্রতিষ্ঠানের সদস্যদের হাতে তৈরি করা হয়েছে। প্রায় দেড় মাসের চেষ্টায় পার্থ পন্ডিত, অভিজিৎ পন্ডিত সহ অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে তৈরি করা হয়েছে। (ছবি ও তথ্যঃ রাকেশ মাইতি)
advertisement
advertisement
advertisement