advertisement

Buro Maa: জেলার অন্যতম প্রাচীন পুজো! বিদায়বেলায় বুড়ো মা-কে বরণ করতে হাজার হাজার মানুষের ভিড়, ছবিতে দেখুন

Last Updated:
Santipur Buro Maa Immersion: স্থানীয়দের মতে, বুড়ো মায়ের বরণ যেন আপন অতিথিকে বিদায় জানানো। তাই একে অপরের হাতে ফল, মিষ্টি, ফুল দিয়ে বরণ করার পাশাপাশি শঙ্খধ্বনি, উলুধ্বনি ও ঢাকের বাজনায় মুখরিত হয়ে ওঠে চারপাশের পরিবেশ।
1/6
জেলার ঐতিহ্যবাহী দুর্গোৎসবের সমাপ্তি চিহ্নিত করল বুড়ো মায়ের বিদায়। আজ সকাল থেকেই বুড়ো মায়ের বরণে অংশগ্রহণ করতে শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার মানুষ জমায়েত করেছেন। (ছবি ও তথ্যঃ মৈনাক দেবনাথ)
জেলার ঐতিহ্যবাহী দুর্গোৎসবের সমাপ্তি চিহ্নিত করল বুড়ো মায়ের বিদায়। আজ সকাল থেকেই বুড়ো মায়ের বরণে অংশগ্রহণ করতে শহরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজার হাজার মানুষ জমায়েত করেছেন। (ছবি ও তথ্যঃ মৈনাক দেবনাথ)
advertisement
2/6
স্থানীয়দের বিশ্বাস, দুর্গাপুজোর সমাপ্তির পর এই বিশেষ প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়েই মূলত শান্তিপুরের উৎসবের পরিসমাপ্তি ঘটে। আজ দুপুর থেকে বরণের পালা শুরু হয়। লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে শিশু, তরুণ, প্রবীণ সকলেই নিজেদের মতো করে মা-কে প্রণাম জানাতে থাকেন।
স্থানীয়দের বিশ্বাস, দুর্গাপুজোর সমাপ্তির পর এই বিশেষ প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়েই মূলত শান্তিপুরের উৎসবের পরিসমাপ্তি ঘটে। আজ দুপুর থেকে বরণের পালা শুরু হয়। লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে শিশু, তরুণ, প্রবীণ সকলেই নিজেদের মতো করে মা-কে প্রণাম জানাতে থাকেন।
advertisement
3/6
এদিন ভক্তদের মধ্যে এক বিশেষ আবেগ কাজ করছে। কারণ বুড়ো মা-কে শুধুমাত্র দেবী রূপে নয়, বরং পরিবারের একজন সদস্য হিসেবে দেখা হয়।
এদিন ভক্তদের মধ্যে এক বিশেষ আবেগ কাজ করছে। কারণ বুড়ো মা-কে শুধুমাত্র দেবী রূপে নয়, বরং পরিবারের একজন সদস্য হিসেবে দেখা হয়।
advertisement
4/6
স্থানীয়দের মতে, বুড়ো মায়ের বরণ যেন আপন অতিথিকে বিদায় জানানো। তাই একে অপরের হাতে ফল, মিষ্টি, ফুল দিয়ে বরণ করার পাশাপাশি শঙ্খধ্বনি, উলুধ্বনি ও ঢাকের বাজনায় মুখরিত হয়ে ওঠে চারপাশের পরিবেশ।
স্থানীয়দের মতে, বুড়ো মায়ের বরণ যেন আপন অতিথিকে বিদায় জানানো। তাই একে অপরের হাতে ফল, মিষ্টি, ফুল দিয়ে বরণ করার পাশাপাশি শঙ্খধ্বনি, উলুধ্বনি ও ঢাকের বাজনায় মুখরিত হয়ে ওঠে চারপাশের পরিবেশ।
advertisement
5/6
শান্তিপুরের বিভিন্ন ক্লাব ও বারোয়ারির পক্ষ থেকেও শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া হয়। সন্ধ্যা ঘনাতেই গঙ্গার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু হয়। হাজার মানুষের ভিড়ে শান্তিপুরের রাস্তায় তৈরি হয় এক অনন্য দৃশ্য। গঙ্গার ঘাটে পৌঁছে নানা আচার-অনুষ্ঠানের পর সম্পন্ন হয় বিসর্জন।
শান্তিপুরের বিভিন্ন ক্লাব ও বারোয়ারির পক্ষ থেকেও শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া হয়। সন্ধ্যা ঘনাতেই গঙ্গার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু হয়। হাজার মানুষের ভিড়ে শান্তিপুরের রাস্তায় তৈরি হয় এক অনন্য দৃশ্য। গঙ্গার ঘাটে পৌঁছে নানা আচার-অনুষ্ঠানের পর সম্পন্ন হয় বিসর্জন।
advertisement
6/6
দশকের পর দশক ধরে শান্তিপুরে এই রীতি বজায় রয়েছে। স্থানীয়দের কথায়, দুর্গাপুজোর আনন্দ যেমন একত্রে ভাগ করে নেওয়া হয়, তেমনি বুড়ো মায়ের বিদায়ও সবার চোখে জল এনে দেয়। কারণ এই বিদায়েই লুকিয়ে থাকে আগামী বছরের পুনর্মিলনের আশ্বাস। (ছবি ও তথ্যঃ মৈনাক দেবনাথ)
দশকের পর দশক ধরে শান্তিপুরে এই রীতি বজায় রয়েছে। স্থানীয়দের কথায়, দুর্গাপুজোর আনন্দ যেমন একত্রে ভাগ করে নেওয়া হয়, তেমনি বুড়ো মায়ের বিদায়ও সবার চোখে জল এনে দেয়। কারণ এই বিদায়েই লুকিয়ে থাকে আগামী বছরের পুনর্মিলনের আশ্বাস। (ছবি ও তথ্যঃ মৈনাক দেবনাথ)
advertisement
advertisement
advertisement