Birbhum News: সহায়ক মূল্যে ধান কেনায় জেলায় ফিরল রেকর্ড গতি! ৭৩ হাজার চাষির অংশগ্রহণে নয়া নজির বীরভূমে

Last Updated:
Birbhum News: নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকে বীরভূম জেলায় সরকারি সহায়ক মূল্যে ধান কেনার গতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। জেলা খাদ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত জেলায় ৭৩,২১০ জন চাষি সরকারি ধান ক্রয় কেন্দ্রে এসে ধান বিক্রি করেছেন।
1/5
নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকে বীরভূম জেলায় সরকারি সহায়ক মূল্যে ধান কেনার গতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। জেলা খাদ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত জেলায় ১ লক্ষ ১১ হাজার মেট্রিক টন ধান সংগ্রহ করা হয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় ৭৩,২১০ জন চাষি সরকারি ধান ক্রয় কেন্দ্রে এসে ধান বিক্রি করেছেন। (ছবি ও তথ্য: সুদীপ্ত গড়াই)
নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকে বীরভূম জেলায় সরকারি সহায়ক মূল্যে ধান কেনার গতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। জেলা খাদ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত জেলায় ১ লক্ষ ১১ হাজার মেট্রিক টন ধান সংগ্রহ করা হয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় ৭৩,২১০ জন চাষি সরকারি ধান ক্রয় কেন্দ্রে এসে ধান বিক্রি করেছেন। (ছবি ও তথ্য: সুদীপ্ত গড়াই)
advertisement
2/5
১ নভেম্বর থেকে জেলাজুড়ে সরাসরি চাষিদের কাছ থেকে ধান কেনার জন্য ক্যাম্প খোলা হয়েছে। বর্তমানে জেলায় ৪৫টি কেন্দ্রীয় ধান সংগ্রহ কেন্দ্র (সিপিসি) চালু রয়েছে, যার মধ্যে ১৪টি ভ্রাম্যমান। এছাড়াও স্বনির্ভর গোষ্ঠী, কৃষি সমবায় ও কৃষক গোষ্ঠীর মাধ্যমে আরও ১৬৯টি কেন্দ্রে ধান কেনা চলছে।
১ নভেম্বর থেকে জেলাজুড়ে সরাসরি চাষিদের কাছ থেকে ধান কেনার জন্য ক্যাম্প খোলা হয়েছে। বর্তমানে জেলায় ৪৫টি কেন্দ্রীয় ধান সংগ্রহ কেন্দ্র (সিপিসি) চালু রয়েছে, যার মধ্যে ১৪টি ভ্রাম্যমান। এছাড়াও স্বনির্ভর গোষ্ঠী, কৃষি সমবায় ও কৃষক গোষ্ঠীর মাধ্যমে আরও ১৬৯টি কেন্দ্রে ধান কেনা চলছে।
advertisement
3/5
জেলা খাদ্য নিয়ামক বাবুয়া সর্দার জানান, নিয়ম মেনে সরকারি সহায়ক মূল্যে স্থায়ী ও মোবাইল ক্যাম্পের মাধ্যমে ধান কেনা হচ্ছে এবং ধান কেনার গতি বেড়েছে। চলতি মরশুমে বীরভূম জেলায় ধান কেনার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩ লক্ষ ৭৭ মেট্রিক টন।
জেলা খাদ্য নিয়ামক বাবুয়া সর্দার জানান, নিয়ম মেনে সরকারি সহায়ক মূল্যে স্থায়ী ও মোবাইল ক্যাম্পের মাধ্যমে ধান কেনা হচ্ছে এবং ধান কেনার গতি বেড়েছে। চলতি মরশুমে বীরভূম জেলায় ধান কেনার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩ লক্ষ ৭৭ মেট্রিক টন।
advertisement
4/5
ধান সংগ্রহের জন্য জেলার ২৯টি চালকলের সঙ্গে খাদ্য ও সরবরাহ দফতরের চুক্তি হয়েছে। চলতি আর্থিক বর্ষে সরকারি সহায়ক মূল্যে কুইন্টাল প্রতি ধানের দাম ২,৩৬৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি সিপিসি-তে ধান বিক্রি করলে চাষিরা কুইন্টাল প্রতি অতিরিক্ত ২০ টাকা উৎসাহ ভাতা পাচ্ছেন।
ধান সংগ্রহের জন্য জেলার ২৯টি চালকলের সঙ্গে খাদ্য ও সরবরাহ দফতরের চুক্তি হয়েছে। চলতি আর্থিক বর্ষে সরকারি সহায়ক মূল্যে কুইন্টাল প্রতি ধানের দাম ২,৩৬৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি সিপিসি-তে ধান বিক্রি করলে চাষিরা কুইন্টাল প্রতি অতিরিক্ত ২০ টাকা উৎসাহ ভাতা পাচ্ছেন।
advertisement
5/5
সরকারি ধান কেনার ক্ষেত্রে প্রতি বছর ফড়েদের দাপট নিয়ে অভিযোগ উঠলেও প্রশাসনের দাবি, বীরভূমে সেই অভিযোগ তুলনামূলকভাবে কম। কৃষক বন্ধু প্রকল্পের আওতায় থাকা একজন কৃষক জমির পরিমাণ অনুযায়ী বছরে সর্বাধিক ৯০ কুইন্টাল পর্যন্ত ধান বিক্রি করতে পারেন। বর্তমানে এক দফায় ১৫ কুইন্টাল করে ধান দেওয়া যাচ্ছে। তবে কৃষক বন্ধু প্রকল্পের আওতায় না থাকা ভাগচাষিদের ক্ষেত্রে ধান বিক্রির পরিমাণ ইতিমধ্যেই নির্দিষ্ট করে বেঁধে দেওয়া হয়েছে। (ছবি ও তথ্য: সুদীপ্ত গড়াই)
সরকারি ধান কেনার ক্ষেত্রে প্রতি বছর ফড়েদের দাপট নিয়ে অভিযোগ উঠলেও প্রশাসনের দাবি, বীরভূমে সেই অভিযোগ তুলনামূলকভাবে কম। কৃষক বন্ধু প্রকল্পের আওতায় থাকা একজন কৃষক জমির পরিমাণ অনুযায়ী বছরে সর্বাধিক ৯০ কুইন্টাল পর্যন্ত ধান বিক্রি করতে পারেন। বর্তমানে এক দফায় ১৫ কুইন্টাল করে ধান দেওয়া যাচ্ছে। তবে কৃষক বন্ধু প্রকল্পের আওতায় না থাকা ভাগচাষিদের ক্ষেত্রে ধান বিক্রির পরিমাণ ইতিমধ্যেই নির্দিষ্ট করে বেঁধে দেওয়া হয়েছে। (ছবি ও তথ্য: সুদীপ্ত গড়াই)
advertisement
advertisement
advertisement