Trending Viral Story: নোংরা ফেলার গাড়িতে কালো ব্যাগ, খুলতেই চোখ ছানাবড়া সাফাইকর্মীর, ছুটলেন থানায়, যা জানা গেল...শুনলে চমকে উঠবেন

Last Updated:
নোংরা ফেলার গাড়ি থেকে সাফাইকর্মী পেলেন ৩৬ তোলা সোনা যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৪৫ লক্ষ টাকা। কিন্তু নিজে সেই সোনা আত্মসাৎ না করে, ফিরিয়ে দিলেন যাঁর সোনা, তাঁকেই।
1/6
হাঁটতে হাঁটাতে অনেকেই রাস্তায় পড়ে থাকা টাকা কুড়িয়ে নিয়ে পকেটে ভরে। অবশ্য টাকা তোলার আগে দেখে নেন, কেউ লক্ষ্য করছে কি না। যদি কেউ দেখে ফেলে, তখন জিজ্ঞেস করেন— এটা কি আপনার? উত্তর 'না' হলে তৎক্ষণাৎ টাকা চালান নিজের পকেটে।
হাঁটতে হাঁটাতে অনেকেই রাস্তায় পড়ে থাকা টাকা কুড়িয়ে নিয়ে পকেটে ভরে। অবশ্য টাকা তোলার আগে দেখে নেন, কেউ লক্ষ্য করছে কি না। যদি কেউ দেখে ফেলে, তখন জিজ্ঞেস করেন— এটা কি আপনার? উত্তর 'না' হলে তৎক্ষণাৎ টাকা চালান নিজের পকেটে।
advertisement
2/6
কিন্তু সম্প্রতি এমন এক ঘটনা প্রকাশ্যে এল,শুনলে চমকে উঠবেন! নোংরা ফেলার গাড়ি থেকে সাফাইকর্মী পেলেন ৩৬ তোলা সোনা যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৪৫ লক্ষ টাকা। কিন্তু নিজে সেই সোনা আত্মসাৎ না করে, ফিরিয়ে দিলেন যাঁর সোনা, তাঁকেই।
কিন্তু সম্প্রতি এমন এক ঘটনা প্রকাশ্যে এল,শুনলে চমকে উঠবেন! নোংরা ফেলার গাড়ি থেকে সাফাইকর্মী পেলেন ৩৬ তোলা সোনা যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৪৫ লক্ষ টাকা। কিন্তু নিজে সেই সোনা আত্মসাৎ না করে, ফিরিয়ে দিলেন যাঁর সোনা, তাঁকেই।
advertisement
3/6
গোটা ঘটনা তবে গোড়া থেকেই বলা যাক! ৪৫ বছর বয়সি পদ্মা চেন্নাইয়ের ত্রিপ্লিকেন এলাকার বাসিন্দা। তিনি গ্রেটার চেন্নাই কর্পোরেশনের একজন সাফাইকর্মী। রবিবারও নিয়মমাফিক মুপাথু আম্মান কোইল স্ট্রিটে কাজ করছিলেন। রাস্তা পরিষ্কারের সময় আবর্জনার ঠেলাগাড়িতে একটি প্লাস্টিকের ব্যাগ দেখতে পান পদ্মা। আশপাশে তখন কেউ ছিল না। ব্যাগটি দেখে সন্দেহ হওয়ায় তিনি সেটি খুলে ফেলেন, আর তার পরই চোখ কপালে ওঠে!
গোটা ঘটনা তবে গোড়া থেকেই বলা যাক!৪৫ বছর বয়সি পদ্মা চেন্নাইয়ের ত্রিপ্লিকেন এলাকার বাসিন্দা। তিনি গ্রেটার চেন্নাই কর্পোরেশনের একজন সাফাইকর্মী। রবিবারও নিয়মমাফিক মুপাথু আম্মান কোইল স্ট্রিটে কাজ করছিলেন। রাস্তা পরিষ্কারের সময় আবর্জনার ঠেলাগাড়িতে একটি প্লাস্টিকের ব্যাগ দেখতে পান পদ্মা। আশপাশে তখন কেউ ছিল না। ব্যাগটি দেখে সন্দেহ হওয়ায় তিনি সেটি খুলে ফেলেন, আর তার পরই চোখ কপালে ওঠে!
advertisement
4/6
প্রথমে পদ্মার মনে হয়েছিল ব্যাগের ভিতরে হয়তো ফল, সবজি বা আবর্জনা রয়েছে। কিন্তু অবাক হয়ে তিনি দেখলেন, ব্যাগ সোনার গয়নায় ঠাঁসা। রয়েছে একটি সোনার হার, এক জোড়া কানের দুল ও একটি বালা। সঙ্গে সঙ্গে তিনি বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানান। আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে এসে পরিদর্শন করেন এবং দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেন, কিন্তু কেউ ওই জিনিসগুলোর খোঁজে আসেননি। এরপর তাঁরা পুলিশে খবর দেন এবং সোনার গয়নাগুলি পুলিশের হাতে তুলে দেন।
প্রথমে পদ্মার মনে হয়েছিল ব্যাগের ভিতরে হয়তো ফল, সবজি বা আবর্জনা রয়েছে। কিন্তু অবাক হয়ে তিনি দেখলেন, ব্যাগ সোনার গয়নায় ঠাঁসা। রয়েছে একটি সোনার হার, এক জোড়া কানের দুল ও একটি বালা। সঙ্গে সঙ্গে তিনি বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানান। আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে এসে পরিদর্শন করেন এবং দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করেন, কিন্তু কেউ ওই জিনিসগুলোর খোঁজে আসেননি। এরপর তাঁরা পুলিশে খবর দেন এবং সোনার গয়নাগুলি পুলিশের হাতে তুলে দেন।
advertisement
5/6
সাফাইকর্মী পদ্মা বলেন, “ব্যাগের ভিতরে সোনা দেখামাত্রই আমার মনে হয়, যাঁদের এই সোনাগুলো খোয়া গিয়েছে, তাঁদের এখন কী অবস্থা! আমি অনুভব করতে পারছিলাম কতটা মানসিক যন্ত্রণার মধ্যে তাঁরা আসেন। তাঁদর কষ্ট লাঘব করতেই আমি সোনার গয়না পুলিশের হাতে তুলে দিই।''
সাফাইকর্মী পদ্মা বলেন, “ব্যাগের ভিতরে সোনা দেখামাত্রই আমার মনে হয়, যাঁদের এই সোনাগুলো খোয়া গিয়েছে, তাঁদের এখন কী অবস্থা! আমি অনুভব করতে পারছিলাম কতটা মানসিক যন্ত্রণার মধ্যে তাঁরা আসেন। তাঁদর কষ্ট লাঘব করতেই আমি সোনার গয়না পুলিশের হাতে তুলে দিই।''
advertisement
6/6
মামলা দায়ের করে সোনার মালিকের খোঁজে নেমে পুলিশ জানতে পারে, ওই সোনা রমেশ নামে এক ব্যক্তির। থানায় রমেশের অভিযোগ ছিল, তিনি রাস্তায় দাঁড়িয়ে বন্ধুদের সঙ্গে গল্পে মশগুল ছিলেন। হাতে ছিল গয়নার ব্যাগ। তিনি অসাবধানতাবশত ব্যাগটি পাশের নোংরা ফেলার ঠেলাগাড়িতে রেখে দেব এবং পরে তা নিতে ভুলে যান। প্রয়োজনীয় নথিপত্র যাচাই করার পর পুলিশ আনুমানিক ৪৫ লক্ষ টাকা মূল্যের সোনার গয়নাগুলি রমেশকে ফিরিয়ে দেন।
মামলা দায়ের করে সোনার মালিকের খোঁজে নেমে পুলিশ জানতে পারে, ওই সোনা রমেশ নামে এক ব্যক্তির। থানায় রমেশের অভিযোগ ছিল, তিনি রাস্তায় দাঁড়িয়ে বন্ধুদের সঙ্গে গল্পে মশগুল ছিলেন। হাতে ছিল গয়নার ব্যাগ। তিনি অসাবধানতাবশত ব্যাগটি পাশের নোংরা ফেলার ঠেলাগাড়িতে রেখে দেব এবং পরে তা নিতে ভুলে যান। প্রয়োজনীয় নথিপত্র যাচাই করার পর পুলিশ আনুমানিক ৪৫ লক্ষ টাকা মূল্যের সোনার গয়নাগুলি রমেশকে ফিরিয়ে দেন।
advertisement
advertisement
advertisement