advertisement

Tree Fossil: পাওয়া গিয়েছিল ডিভিসি-র খাল খননের সময়! ১ কোটি ৬০ লক্ষ বছরের প্রাচীন মায়োসিন যুগের বৃক্ষ-জীবাশ্ম বিস্মিত করে আজও

Last Updated:
আদুরিয়া জঙ্গল থেকে উদ্ধার হওয়া এই ফসিল প্রমাণ করছে, রাঢ় বাংলা একসময় ছিল সুবিশাল প্রাচীন অরণ্যে আচ্ছন্ন। কোটি বছরের সেই ইতিহাস আজও নীরবে সাক্ষ্য দিচ্ছে পাথর হয়ে যাওয়া গাছটি।
1/5
পূর্ব বর্ধমান জেলার মাটিতে লুকিয়ে রয়েছে বিস্ময়কর এক প্রাগৈতিহাসিক রহস্য। আনুমানিক ১ কোটি ৬০ লক্ষ বছর আগের, অর্থাৎ মায়োসিন যুগের এক দ্বিবীজ পত্রী গাছের গুড়ির জীবাশ্ম বর্তমানে সংরক্ষিত রয়েছে বর্ধমান রমনাবাগান জুলজিক্যাল পার্কে। নিঃশব্দে দাঁড়িয়ে থাকা একরকম পাথর হয়ে যাওয়া গাছ যেন সাক্ষ্য দিচ্ছে রাঢ় বাংলার সুদূর অতীতের।তথ্য ও ছবি: বনোয়ারীলাল চৌধুরী
পূর্ব বর্ধমান জেলার মাটিতে লুকিয়ে রয়েছে বিস্ময়কর এক প্রাগৈতিহাসিক রহস্য। আনুমানিক ১ কোটি ৬০ লক্ষ বছর আগের, অর্থাৎ মায়োসিন যুগের এক দ্বিবীজ পত্রী গাছের গুড়ির জীবাশ্ম বর্তমানে সংরক্ষিত রয়েছে বর্ধমান রমনাবাগান জুলজিক্যাল পার্কে। নিঃশব্দে দাঁড়িয়ে থাকা একরকম পাথর হয়ে যাওয়া গাছ যেন সাক্ষ্য দিচ্ছে রাঢ় বাংলার সুদূর অতীতের।তথ্য ও ছবি: বনোয়ারীলাল চৌধুরী
advertisement
2/5
জানা যায়, এই জীবাশ্মটি উদ্ধার হয়েছিল আদুরিয়া জঙ্গল থেকে। ১৯৬১ সালে জঙ্গলের ভিতর দিয়ে ডিভিসির ক্যানেল খননের সময় বহু প্রাচীন নিদর্শনের সঙ্গে এই জীবাশ্মটিও উদ্ধার হয়। ধারণা করা হয়, একসময় এই অঞ্চল ছিল ঘন অরণ্যে আচ্ছন্ন। গাছের মৃত্যু, ভূকম্পন ও প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ফলে অরণ্যভূমি মাটির নিচে চাপা পড়ে যায়। দীর্ঘ বিবর্তনের ধারায় সেই কাঠই ধীরে ধীরে ফসিলে পরিণত হয়েছে।তথ্য ও ছবি: বনোয়ারীলাল চৌধুরী
জানা যায়, এই জীবাশ্মটি উদ্ধার হয়েছিল আদুরিয়া জঙ্গল থেকে। ১৯৬১ সালে জঙ্গলের ভিতর দিয়ে ডিভিসির ক্যানেল খননের সময় বহু প্রাচীন নিদর্শনের সঙ্গে এই জীবাশ্মটিও উদ্ধার হয়। ধারণা করা হয়, একসময় এই অঞ্চল ছিল ঘন অরণ্যে আচ্ছন্ন। গাছের মৃত্যু, ভূকম্পন ও প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ফলে অরণ্যভূমি মাটির নিচে চাপা পড়ে যায়। দীর্ঘ বিবর্তনের ধারায় সেই কাঠই ধীরে ধীরে ফসিলে পরিণত হয়েছে।তথ্য ও ছবি: বনোয়ারীলাল চৌধুরী
advertisement
3/5
এই বিষয়ে সাহিত্যিক রাধামাধব মণ্ডল বলেন, রাঢ় বাংলার মধ্যভূমি গোপভূমের প্রাচীন অজয় তীর একসময় ছিল গভীর বনাঞ্চল। মানুষের বসতি এখানে খুব বেশি দিনের নয়। পাণ্ডুরাজার ঢিবির আবিষ্কার প্রমাণ করে, প্রায় সাড়ে সাত হাজার বছর আগে যাযাবর মানুষ এই অঞ্চলে বসতি স্থাপন করে। তার বহু আগে গোটা এলাকা ছিল নিবিড় অরণ্যে ঘেরা।তথ্য ও ছবি: বনোয়ারীলাল চৌধুরী
এই বিষয়ে সাহিত্যিক রাধামাধব মণ্ডল বলেন, রাঢ় বাংলার মধ্যভূমি গোপভূমের প্রাচীন অজয় তীর একসময় ছিল গভীর বনাঞ্চল। মানুষের বসতি এখানে খুব বেশি দিনের নয়। পাণ্ডুরাজার ঢিবির আবিষ্কার প্রমাণ করে, প্রায় সাড়ে সাত হাজার বছর আগে যাযাবর মানুষ এই অঞ্চলে বসতি স্থাপন করে। তার বহু আগে গোটা এলাকা ছিল নিবিড় অরণ্যে ঘেরা।তথ্য ও ছবি: বনোয়ারীলাল চৌধুরী
advertisement
4/5
অজয় নদীর তীরবর্তী আমখই ফসিল পার্কেও মিলেছে বহু প্রাচীন বৃক্ষজীবাশ্ম, যেগুলি কোটি কোটি বছরের পুরনো। এসব নিদর্শন স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে, এই অঞ্চল একসময় ছিল সুবিশাল প্রাগৈতিহাসিক অরণ্যের অংশ।তথ্য ও ছবি: বনোয়ারীলাল চৌধুরী
অজয় নদীর তীরবর্তী আমখই ফসিল পার্কেও মিলেছে বহু প্রাচীন বৃক্ষজীবাশ্ম, যেগুলি কোটি কোটি বছরের পুরনো। এসব নিদর্শন স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে, এই অঞ্চল একসময় ছিল সুবিশাল প্রাগৈতিহাসিক অরণ্যের অংশ।তথ্য ও ছবি: বনোয়ারীলাল চৌধুরী
advertisement
5/5
এমনকি ব্রিটিশ আমলে বাংলার মানচিত্র প্রস্তুতের সময়ও এই অঞ্চলে বিস্তীর্ণ জঙ্গলভূমির উল্লেখ পাওয়া যায়। আজ রমনাবাগানে সংরক্ষিত সেই পাথর হয়ে যাওয়া গাছ কেবল একটি জীবাশ্ম নয়, এটি পূর্ব বর্ধমানের প্রাচীন অরণ্য ইতিহাসের জীবন্ত দলিল। কোটি বছরের সময়স্তর ভেদ করে উঠে আসা এই নিদর্শন মনে করিয়ে দেয়, মানুষের সভ্যতার বহু আগেই প্রকৃতি এখানে নিজের রাজত্ব বিস্তার করেছিল।তথ্য ও ছবি: বনোয়ারীলাল চৌধুরী
এমনকি ব্রিটিশ আমলে বাংলার মানচিত্র প্রস্তুতের সময়ও এই অঞ্চলে বিস্তীর্ণ জঙ্গলভূমির উল্লেখ পাওয়া যায়। আজ রমনাবাগানে সংরক্ষিত সেই পাথর হয়ে যাওয়া গাছ কেবল একটি জীবাশ্ম নয়, এটি পূর্ব বর্ধমানের প্রাচীন অরণ্য ইতিহাসের জীবন্ত দলিল। কোটি বছরের সময়স্তর ভেদ করে উঠে আসা এই নিদর্শন মনে করিয়ে দেয়, মানুষের সভ্যতার বহু আগেই প্রকৃতি এখানে নিজের রাজত্ব বিস্তার করেছিল।তথ্য ও ছবি: বনোয়ারীলাল চৌধুরী
advertisement
advertisement
advertisement