Knowledge Story: ৬০ হাজার কেজি ওজন! মুখে ২৭০টা দাঁত! পৃথিবীর সব থেকে বড় জীব কোনটি জানেন?
- Reported by:Rahi Haldar
- Published by:Piya Banerjee
Last Updated:
Knowledge Story: বিশাল এই প্রাণীর কথা শুনেছেন? বহু মানুষ জানেন না সঠিক উত্তর! চমকে যাবেন
বর্তমান সময়ে পৃথিবীর বৃহত্তম জীব হিসেবে পরিচিত সমুদ্রের নীল তিমি। তবে একটা সময় ছিল যখন এই নীল তিমি ছিল এক প্রজাতির হাঙ্গরের প্রিয় খাদ্য। জলজ জীব হিসাবে পৃথিবীর সবথেকে বৃহত্তম ধান বাকৃতির হাঙর ছিল এই পৃথিবীতেই যার নাম মেগালোডন। ছয়তলা উঁচু ভবনের সমান বিশাল শরীর নিয়ে দাপিয়ে বেড়াত এই শিকারি। কিন্তু ৩৫ লাখ বছর আগে বিলুপ্ত হয়ে যায় পৃথিবীর ইতিহাসে বৃহদাকার হাঙরের প্রজাতি।
advertisement
advertisement
আজ থেকে ৪৫ কোটি বছর আগে থেকেই সাগরে বিচরণ ছিল হাঙরের। এ তথ্য মানলে তার অর্থ দাঁড়াচ্ছে, পৃথিবীতে ডাইনোসর, এমনকি গাছ সৃষ্টিরও আগে থেকেই ছিল হাঙরের অস্তিত্ব। আর সেই ধারাবাহিকতায় প্রায় আড়াই কোটি বছর আগে জন্ম হয় মেগালোডনের। এযাবৎ পাওয়া কঙ্কাল ও দাঁতের জীবাশ্ম থেকে ধারণা পাওয়া গেছে, প্রায় ৬০ হাজার কেজি ওজনের বিশাল দানব ছিল এই মেগালোডন। এই শিকারির শুধু ডর্সাল ফিন বা পিঠের পাখনাই ছিল মানুষের আকারের সমান। এই হাঙরের প্রিয় খাবার ছিল ডলফিন, পরপয়েজ, এমনকি তিমিও।
advertisement
advertisement
২০২২ সালের শুরুতে মেগালোডনের দাঁতের জীবাশ্ম নিয়ে এক গবেষণা প্রকাশ পায়, আর তাতে মেলে বিচিত্র এক তথ্য। গবেষকেরা বলেন, মেগালোডনের নিশ্চিহ্ন হওয়ার পেছনে দায় আছে তুলনামূলক নতুন এক প্রজাতির হাঙরের, যার জন্ম দেড় কোটি বছর আগে। আর সেটা হলো গ্রেট হোয়াইট শার্ক—এখনকার সাগরে সবচেয়ে বড় কয়েকটি প্রজাতির হাঙরের একটি। আকারে মেগালোডনের তিন ভাগের এক ভাগ গ্রেট হোয়াইট, আর ওজন মাত্র দুই হাজার কেজির মতো। বিপরীতে মেগালোডনের ওজন প্রায় ৬০ হাজার কেজি।
advertisement
advertisement
সম্প্রতি এ বিষয়ে মিলেছে আরও বিস্ময়কর তথ্য। মেগালোডনের দাঁত থেকেই মিলেছে বিচিত্র এ তথ্য। তা হলো, প্রায় সব প্রজাতির হাঙর শীতল রক্তের হলেও মেগালোডনের রক্ত ছিল উষ্ণ। তার রক্তের তাপমাত্রা ছিল প্রায় ২৭ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড, মানে সাধারণ শহরের তাপমাত্রার মতোই। আর উষ্ণ রক্তের কারণেই এমন দানবাকৃতি পেয়েছিল মেগালোডন, হয়ে উঠেছিল দক্ষ শিকারি। কিন্তু এই বিশালাকারই আবার কাল হয়ে ওঠে তার জন্য।
advertisement
সমুদ্রের শীতল জলে থাকা এমন বিশালাকৃতির উষ্ণ রক্তের প্রাণীর ক্রমাগত শরীর গরম রাখতে বিপুল শক্তি খরচ হত ।মেগালোডন বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার সময়টায় পৃথিবীর তাপমাত্রাও কমে আসতে থাকে। নেমে আসে সমুদ্রের জলের স্তরও। তার সঙ্গে দৃশ্যপটে আসে গ্রেট হোয়াইট শার্ক। সম্ভবত এত শত্রুর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে পৃথিবীর বুকে আর টিকে থাকতে পারেনি গ্রেট মেগালোডন









