GK: সিটি অফ বাম্বু? ঠিক পড়েছেন, ‘বাঁশের শহর’ আছে আমাদের দেশেই, প্রকৃতির মোহময়ী রূপ ডেকে আনে পর্যটককে

Last Updated:
Which City Is Known As The City Of Bamboo: বাঁশওয়ারা নামটি 'বাঁশ' এবং 'ওয়ারা' (ভূমি বা অঞ্চল) শব্দ দুটির সমন্বয়ে গঠিত, দুইয়ে মিলে যার অর্থ দাঁড়ায় 'বাঁশের দেশ'। শহর এবং জেলাটি এই নাম পেয়েছে কারণ পূর্ববর্তী সময়ে এখানে প্রচুর বাঁশের ঝাড় ছিল এবং স্থানীয় সম্প্রদায়গুলো বাঁশ-ভিত্তিক সম্পদের উপর নির্ভরশীল ছিল।
1/6
বেশিরভাগ সময়েই কোনও জায়গার নামকরণ করা হয়ে থাকে সেখানকার প্রাকৃতিক সম্পদের সূত্রে। রাজস্থানের বাঁশওয়ারাকে ঠিক যেমন বাঁশের শহর বা ইংরেজিতে ‘সিটি অফ বাম্বু’ বলা হয়, কারণ অতীতে এই অঞ্চলে প্রচুর বাঁশের বন ছিল। রাজস্থানের বাঁশওয়ারা জেলায় স্থানীয় জীবিকা, কারুশিল্প, ঐতিহ্যবাহী আবাসন সামগ্রী, গ্রামীণ শিল্প এবং সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে বাঁশ এবং বংশজ দ্রব্যাদি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করত।
বেশিরভাগ সময়েই কোনও জায়গার নামকরণ করা হয়ে থাকে সেখানকার প্রাকৃতিক সম্পদের সূত্রে। রাজস্থানের বাঁশওয়ারাকে ঠিক যেমন বাঁশের শহর বা ইংরেজিতে ‘সিটি অফ বাম্বু’ বলা হয়, কারণ অতীতে এই অঞ্চলে প্রচুর বাঁশের বন ছিল। রাজস্থানের বাঁশওয়ারা জেলায় স্থানীয় জীবিকা, কারুশিল্প, ঐতিহ্যবাহী আবাসন সামগ্রী, গ্রামীণ শিল্প এবং সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে বাঁশ এবং বংশজ দ্রব্যাদি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করত।
advertisement
2/6
জানা যায়, একসময় এই এলাকাটি ঘন বাঁশের বাগানে আচ্ছাদিত ছিল। খুব স্বাভাবিক ভাবেই তাই বাঁশওয়ারা ও তার আশপাশের সম্প্রদায়গুলো ঐতিহ্যগতভাবে নানা সরঞ্জাম, গৃহস্থালির জিনিসপত্র, হস্তশিল্প, বেড়া, গুদামঘর এবং গ্রামীণ নির্মাণকাজের জন্য বাঁশ ব্যবহার করত।
জানা যায়, একসময় এই এলাকাটি ঘন বাঁশের বাগানে আচ্ছাদিত ছিল। খুব স্বাভাবিক ভাবেই তাই বাঁশওয়ারা ও তার আশপাশের সম্প্রদায়গুলো ঐতিহ্যগতভাবে নানা সরঞ্জাম, গৃহস্থালির জিনিসপত্র, হস্তশিল্প, বেড়া, গুদামঘর এবং গ্রামীণ নির্মাণকাজের জন্য বাঁশ ব্যবহার করত।
advertisement
3/6
বাঁশওয়ারা নামটি 'বাঁশ' এবং 'ওয়ারা' (ভূমি বা অঞ্চল) শব্দ দুটির সমন্বয়ে গঠিত, দুইয়ে মিলে যার অর্থ দাঁড়ায় 'বাঁশের দেশ'। শহর এবং জেলাটি এই নাম পেয়েছে কারণ পূর্ববর্তী সময়ে এখানে প্রচুর বাঁশের ঝাড় ছিল এবং স্থানীয় সম্প্রদায়গুলো বাঁশ-ভিত্তিক সম্পদের উপর নির্ভরশীল ছিল।
বাঁশওয়ারা নামটি 'বাঁশ' এবং 'ওয়ারা' (ভূমি বা অঞ্চল) শব্দ দুটির সমন্বয়ে গঠিত, দুইয়ে মিলে যার অর্থ দাঁড়ায় 'বাঁশের দেশ'। শহর এবং জেলাটি এই নাম পেয়েছে কারণ পূর্ববর্তী সময়ে এখানে প্রচুর বাঁশের ঝাড় ছিল এবং স্থানীয় সম্প্রদায়গুলো বাঁশ-ভিত্তিক সম্পদের উপর নির্ভরশীল ছিল।
advertisement
4/6
বাঁশওয়ারা দক্ষিণ রাজস্থানে অবস্থিত, মধ্যপ্রদেশ ও গুজরাতের সীমান্তের কাছ ঘেঁষে এর বিস্তার। জেলাটি মূলত উপজাতি অধ্যুষিত, যা পাহাড়ি ভূখণ্ড, বনাঞ্চল এবং গ্রামীণ বসতি দ্বারা চিহ্নিত। এখানে বাঁশ চাষ এবং বন-ভিত্তিক জীবিকা দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় অর্থনীতিকে পরিপুষ্ট করার ক্ষেত্রে একটি প্রধান ভূমিকা পালন করে আসছে।
বাঁশওয়ারা দক্ষিণ রাজস্থানে অবস্থিত, মধ্যপ্রদেশ ও গুজরাতের সীমান্তের কাছ ঘেঁষে এর বিস্তার। জেলাটি মূলত উপজাতি অধ্যুষিত, যা পাহাড়ি ভূখণ্ড, বনাঞ্চল এবং গ্রামীণ বসতি দ্বারা চিহ্নিত। এখানে বাঁশ চাষ এবং বন-ভিত্তিক জীবিকা দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় অর্থনীতিকে পরিপুষ্ট করার ক্ষেত্রে একটি প্রধান ভূমিকা পালন করে আসছে।
advertisement
5/6
বাঁশওয়ারাতে ঐতিহ্যগতভাবে গ্রামীণ বাড়ির কাঠামো, ঝুড়ি, কৃষি সরঞ্জাম, বেড়া, হাতে তৈরি গৃহস্থালির জিনিসপত্র এবং উপজাতীয় হস্তশিল্পের জন্য বাঁশ ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এই ব্যবহারিক উপযোগিতার বাইরেও বাঁশ এখানেসাংস্কৃতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ এবং স্থানীয় রীতিনীতি, উৎসব ও সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যে এটি বিশেষভাবে স্থান করে নিয়েছে। বাঁশওয়ারা অঞ্চলে বাঁশ এখনও আচার-অনুষ্ঠান, উৎসব এবং ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্পের অংশ হয়ে আছে, যা স্থানীয় জ্ঞান এবং সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ করছে।
বাঁশওয়ারাতে ঐতিহ্যগতভাবে গ্রামীণ বাড়ির কাঠামো, ঝুড়ি, কৃষি সরঞ্জাম, বেড়া, হাতে তৈরি গৃহস্থালির জিনিসপত্র এবং উপজাতীয় হস্তশিল্পের জন্য বাঁশ ব্যবহৃত হয়ে আসছে। এই ব্যবহারিক উপযোগিতার বাইরেও বাঁশ এখানেসাংস্কৃতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ এবং স্থানীয় রীতিনীতি, উৎসব ও সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যে এটি বিশেষভাবে স্থান করে নিয়েছে। বাঁশওয়ারা অঞ্চলে বাঁশ এখনও আচার-অনুষ্ঠান, উৎসব এবং ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্পের অংশ হয়ে আছে, যা স্থানীয় জ্ঞান এবং সম্প্রদায়ের ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ করছে।
advertisement
6/6
তবে, শুধু বাঁশের সূত্রে অতীত নয়, রাজস্থানের এই জেলা তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্যও বিখ্যাত। এক দিকে যেমন এর প্রসিদ্ধি সিটি অফ বাম্বু নামে, তেমনই এর পরিচিতি সিটি অফ হান্ড্রেড আইল্যান্ডস নামে! রুক্ষতা নয়, এই রাজস্থানি সৌন্দর্য মাহি নদীর কারণে শ্যামলিমায় ভরা। বলা হয়, বাঁশওয়ারা শহর স্থাপনের কৃতিত্ব মহারাণা জগমল সিংয়ের। মাহি বাজাজ সাগর ড্যাম, মণ্ডরেশ্বর মন্দির, দায়ালাব হ্রদ প্রতি বছর বাঁশওয়ারায় অগণিত পর্যটক ডেকে নিয়ে আসে।
তবে, শুধু বাঁশের সূত্রে অতীত নয়, রাজস্থানের এই জেলা তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্যও বিখ্যাত। এক দিকে যেমন এর প্রসিদ্ধি সিটি অফ বাম্বু নামে, তেমনই এর পরিচিতি সিটি অফ হান্ড্রেড আইল্যান্ডস নামে! রুক্ষতা নয়, এই রাজস্থানি সৌন্দর্য মাহি নদীর কারণে শ্যামলিমায় ভরা। বলা হয়, বাঁশওয়ারা শহর স্থাপনের কৃতিত্ব মহারাণা জগমল সিংয়ের। মাহি বাজাজ সাগর ড্যাম, মণ্ডরেশ্বর মন্দির, দায়ালাব হ্রদ প্রতি বছর বাঁশওয়ারায় অগণিত পর্যটক ডেকে নিয়ে আসে।
advertisement
advertisement
advertisement