ভারতের 'শেষ রেল স্টেশন' কোনটি বলুন তো...? আছে এই 'বাংলাতেই'! শুনলেই চমকাবেন 'উত্তরে'!

Last Updated:
GK News: আজ এমন এক রেলপথের অজানা অবাক করা তথ্য শেয়ার করতে চলেছি এই প্রতিবেদনে, যা শুনলে আপনিও আকাশ থেকে পড়বেন। নিজের কানকেও বিশ্বাস করতে পারবেন না। কী এমন সেই রেলপথ?
1/8
সাধারণ জ্ঞানের পরতে পরতে রয়েছে অবাক করা সব তথ্য। যা আমাদের জ্ঞানের ভাণ্ডার যেমন বাড়াতে সাহায্য করে, তেমনই এমন অনেক অজানা খনির সন্ধান দেয় যা জানলে মুহূর্তে অবাক হয়ে যাই আমরা।
সাধারণ জ্ঞানের পরতে পরতে রয়েছে অবাক করা সব তথ্য। যা আমাদের জ্ঞানের ভাণ্ডার যেমন বাড়াতে সাহায্য করে, তেমনই এমন অনেক অজানা খনির সন্ধান দেয় যা জানলে মুহূর্তে অবাক হয়ে যাই আমরা।
advertisement
2/8
আজ এমন এক রেলপথের অজানা অবাক করা তথ্য শেয়ার করতে চলেছি এই প্রতিবেদনে, যা শুনলে আপনিও আকাশ থেকে পড়বেন। নিজের কানকেও বিশ্বাস করতে পারবেন না। কী এমন সেই রেলপথ?
আজ এমন এক রেলপথের অজানা অবাক করা তথ্য শেয়ার করতে চলেছি এই প্রতিবেদনে, যা শুনলে আপনিও আকাশ থেকে পড়বেন। নিজের কানকেও বিশ্বাস করতে পারবেন না। কী এমন সেই রেলপথ?
advertisement
3/8
জানলে আশ্চর্য হবেন এই ভেবে যে একসময় এই রেলপথ ধরেই নিয়মিত যাতায়াত করতেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্যিক যোগাযোগকে আরও মজবুত ও সহজ করতেই তৈরি হয়েছিল এই রেলপথ।
জানলে আশ্চর্য হবেন এই ভেবে যে একসময় এই রেলপথ ধরেই নিয়মিত যাতায়াত করতেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্যিক যোগাযোগকে আরও মজবুত ও সহজ করতেই তৈরি হয়েছিল এই রেলপথ।
advertisement
4/8
কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলেছে চিত্র। বর্তমানে সারাদিনে একটি বা দু’টি মালগাড়ি চোখে পড়লেও এই পথে আর চলাচল করে না কোনও প্যাসেঞ্জার ট্রেন। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত মালদহ জেলার হবিবপুর ব্লকের সিঙ্গাবাদ রেল স্টেশন।
কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলেছে চিত্র। বর্তমানে সারাদিনে একটি বা দু’টি মালগাড়ি চোখে পড়লেও এই পথে আর চলাচল করে না কোনও প্যাসেঞ্জার ট্রেন। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত মালদহ জেলার হবিবপুর ব্লকের সিঙ্গাবাদ রেল স্টেশন।
advertisement
5/8
ভারতের পুরাতন মালদহ ও বাংলাদেশের আব্দুলপুর রেললাইনের অন্তর্গত এই স্টেশনটি সীমান্তের শেষ প্রান্তে নির্মিত হয়েছিল। ইতিহাসবিদদের মতে, ব্রিটিশ শাসনকালে সম্ভবত ১৯৩০-এর দশকে পুরাতন মালদহ-আব্দুলপুর রেললাইন তৈরির সময়ই সিঙ্গাবাদ রেল স্টেশনের নির্মাণ হয়।
ভারতের পুরাতন মালদহ ও বাংলাদেশের আব্দুলপুর রেললাইনের অন্তর্গত এই স্টেশনটি সীমান্তের শেষ প্রান্তে নির্মিত হয়েছিল। ইতিহাসবিদদের মতে, ব্রিটিশ শাসনকালে সম্ভবত ১৯৩০-এর দশকে পুরাতন মালদহ-আব্দুলপুর রেললাইন তৈরির সময়ই সিঙ্গাবাদ রেল স্টেশনের নির্মাণ হয়।
advertisement
6/8
মূলত বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করতেই এই রেলপথ গড়ে তোলা হয়েছিল। স্থানীয় এক বাসিন্দা জোগেন মুর্মু জানান, “ছোটবেলায় এই রেলপথ ধরেই ট্রেনে করে শহরে যেতাম। তখন সড়ক ও অন্যান্য পরিবহন ব্যবস্থা এতটা উন্নত ছিল না। নিয়মিত ট্রেন চলত। এই রেলপথই ছিল মানুষের যাতায়াতের প্রধান ভরসা। কিন্তু নানা কারণে দীর্ঘদিন ধরেই প্যাসেঞ্জার ট্রেন পরিষেবা বন্ধ রয়েছে।”
মূলত বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করতেই এই রেলপথ গড়ে তোলা হয়েছিল। স্থানীয় এক বাসিন্দা জোগেন মুর্মু জানান, “ছোটবেলায় এই রেলপথ ধরেই ট্রেনে করে শহরে যেতাম। তখন সড়ক ও অন্যান্য পরিবহন ব্যবস্থা এতটা উন্নত ছিল না। নিয়মিত ট্রেন চলত। এই রেলপথই ছিল মানুষের যাতায়াতের প্রধান ভরসা। কিন্তু নানা কারণে দীর্ঘদিন ধরেই প্যাসেঞ্জার ট্রেন পরিষেবা বন্ধ রয়েছে।”
advertisement
7/8
স্টেশনে দায়িত্বে থাকা এক রেলকর্মী সুব্রত কুমার সিকদার জানান, “এটি ভারতের শেষ রেলস্টেশন। বর্তমানে যাত্রী পরিষেবা না থাকায় এখানে কোনও কার্যকর প্ল্যাটফর্ম নেই। এই স্টেশনে মোট পাঁচটি লাইন রয়েছে। প্রতিদিন এক বা দু’টি মালগাড়ি চলাচল করে। একসময় যাত্রী পরিষেবা থাকলেও তা এখন বন্ধ। তবে বহু পুরনো হওয়ায় এই ঐতিহাসিক রেলস্টেশন দেখতে আজও বহু মানুষ এখানে ঘুরতে আসেন।”
স্টেশনে দায়িত্বে থাকা এক রেলকর্মী সুব্রত কুমার সিকদার জানান, “এটি ভারতের শেষ রেলস্টেশন। বর্তমানে যাত্রী পরিষেবা না থাকায় এখানে কোনও কার্যকর প্ল্যাটফর্ম নেই। এই স্টেশনে মোট পাঁচটি লাইন রয়েছে। প্রতিদিন এক বা দু’টি মালগাড়ি চলাচল করে। একসময় যাত্রী পরিষেবা থাকলেও তা এখন বন্ধ। তবে বহু পুরনো হওয়ায় এই ঐতিহাসিক রেলস্টেশন দেখতে আজও বহু মানুষ এখানে ঘুরতে আসেন।”
advertisement
8/8
স্টেশনের সাইনবোর্ডে বড় বড় অক্ষরে লেখা রয়েছে স্টেশনের নাম, আর তার ঠিক নীচেই নজর কাড়ে লেখা ‘লাস্ট স্টেশন অফ ইন্ডিয়া’। যাত্রী পরিষেবা না থাকলেও ঐতিহাসিক এই রেল স্টেশন আকর্ষণীয় জেলাবাসীর কাছে। মালদহ শহর থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই সিঙ্গাবাদ রেল স্টেশন আজও বহন করে চলেছে ভারত-বাংলাদেশ রেল যোগাযোগের এক গুরুত্বপূর্ণ ইতিহাস।
স্টেশনের সাইনবোর্ডে বড় বড় অক্ষরে লেখা রয়েছে স্টেশনের নাম, আর তার ঠিক নীচেই নজর কাড়ে লেখা ‘লাস্ট স্টেশন অফ ইন্ডিয়া’। যাত্রী পরিষেবা না থাকলেও ঐতিহাসিক এই রেল স্টেশন আকর্ষণীয় জেলাবাসীর কাছে। মালদহ শহর থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই সিঙ্গাবাদ রেল স্টেশন আজও বহন করে চলেছে ভারত-বাংলাদেশ রেল যোগাযোগের এক গুরুত্বপূর্ণ ইতিহাস।
advertisement
advertisement
advertisement