advertisement

GK: দিঘা থেকে মাত্র ৩ কিমি দূরে বাংলার শেষ প্রান্ত! দুই রাজ্যকে ছুঁয়ে রয়েছে নীল বঙ্গোপসাগরের এই তট, জানুন এই সৈকতের অজানা কথা

Last Updated:
GK: আপনি কি জানেন বাংলার শেষ প্রান্ত কোনটি? দিঘা থেকে মাত্র ৩ কিমি দূরে উদয়পুর সমুদ্র সৈকত, যার একদিকে ওড়িশা আর অন্য দিকে নীল জলরাশি। কোলাহলমুক্ত এই সৈকতের ইতিহাস ও আকর্ষণ জানুন বিস্তারিত
1/6
জানেন কি বাংলার শেষ প্রান্ত কোনটি? যার দুই দিকে দুই রাজ্য, আর দক্ষিণে বিস্তৃত সমুদ্র। আমরা কথা বলছি পূর্ব মেদিনীপুর জেলার উদয়পুর সমুদ্র সৈকতের। এই সৈকতের এক প্রান্তে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুর জেলা। অন্য প্রান্তে ওড়িশার বালেশ্বর জেলা। দক্ষিণ দিকে শুধু নীল বঙ্গোপসাগর। দিঘা বর্ডার এলাকায় অবস্থিত সমুদ্র থেকে বাস স্ট্যান্ড পর্যন্ত একটি রাস্তা স্পষ্টভাবে বাংলা ও ওড়িশা সীমান্তকে আলাদা করেছে।
জানেন কি বাংলার শেষ প্রান্ত কোনটি? যার দুই দিকে দুই রাজ্য, আর দক্ষিণে বিস্তৃত সমুদ্র। আমরা কথা বলছি পূর্ব মেদিনীপুর জেলার উদয়পুর সমুদ্র সৈকতের। এই সৈকতের এক প্রান্তে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুর জেলা। অন্য প্রান্তে ওড়িশার বালেশ্বর জেলা। দক্ষিণ দিকে শুধু নীল বঙ্গোপসাগর। দিঘা বর্ডার এলাকায় অবস্থিত সমুদ্র থেকে বাস স্ট্যান্ড পর্যন্ত একটি রাস্তা স্পষ্টভাবে বাংলা ও ওড়িশা সীমান্তকে আলাদা করেছে।
advertisement
2/6
উদয়পুর সমুদ্র সৈকত মূলত দুই রাজ্যের সীমান্ত এলাকায় অবস্থিত। এর কিছু অংশ বাংলায় পড়েছে। কিছু অংশ রয়েছে ওড়িশায়। বাংলার অংশটি দিঘা থানার অন্তর্গত। দিঘা শহর থেকে এই সৈকতের দূরত্ব প্রায় তিন কিলোমিটার। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণেই উদয়পুরকে অনেকেই বাংলার শেষ সৈকত বলে চিহ্নিত করেন।
উদয়পুর সমুদ্র সৈকত মূলত দুই রাজ্যের সীমান্ত এলাকায় অবস্থিত। এর কিছু অংশ বাংলায় পড়েছে। কিছু অংশ রয়েছে ওড়িশায়। বাংলার অংশটি দিঘা থানার অন্তর্গত। দিঘা শহর থেকে এই সৈকতের দূরত্ব প্রায় তিন কিলোমিটার। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণেই উদয়পুরকে অনেকেই বাংলার শেষ সৈকত বলে চিহ্নিত করেন।
advertisement
3/6
আজ যে স্থানে দিঘা গড়ে উঠেছে, তার পুরনো নাম ছিল বীরকুল। ব্রিটিশ আমলের নথিপত্রে এই নামের উল্লেখ পাওয়া যায়। এলাকাটি বহু প্রাচীন, তবে আধুনিক পর্যটন শহর হিসেবে দিঘার রূপান্তর ঘটে স্বাধীনতার পর। রাজ্যের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী ডঃ বিধানচন্দ্র রায়ের আমলেই দিঘাকে সমুদ্র তীরবর্তী রিসর্ট শহর হিসেবে গড়ে তোলা হয়। দিঘার প্রধান আকর্ষণ তার দীর্ঘ ও প্রশস্ত সমুদ্র সৈকত। ঢেউ, সূর্যাস্ত আর খোলা আকাশ পর্যটকদের বারবার টেনে আনে এই শহরে।
আজ যে স্থানে দিঘা গড়ে উঠেছে, তার পুরনো নাম ছিল বীরকুল। ব্রিটিশ আমলের নথিপত্রে এই নামের উল্লেখ পাওয়া যায়। এলাকাটি বহু প্রাচীন, তবে আধুনিক পর্যটন শহর হিসেবে দিঘার রূপান্তর ঘটে স্বাধীনতার পর। রাজ্যের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী ডঃ বিধানচন্দ্র রায়ের আমলেই দিঘাকে সমুদ্র তীরবর্তী রিসর্ট শহর হিসেবে গড়ে তোলা হয়। দিঘার প্রধান আকর্ষণ তার দীর্ঘ ও প্রশস্ত সমুদ্র সৈকত। ঢেউ, সূর্যাস্ত আর খোলা আকাশ পর্যটকদের বারবার টেনে আনে এই শহরে।
advertisement
4/6
তবে সাম্প্রতিক সময়ে দিঘার আশপাশের কিছু কম পরিচিত সৈকতও পর্যটকদের নজর কেড়েছে। তার মধ্যে অন্যতম উদয়পুর সমুদ্র সৈকত। দিঘার দক্ষিণ দিকে অবস্থিত এই সৈকত এখনও অনেকটাই অনাবিষ্কৃত। এখানে নেই অতিরিক্ত ভিড়। নেই কোলাহল। উদয়পুর নামটি রাজস্থানের উদয়পুরের মতো শোনালেও এর উচ্চারণ আলাদা। এটি একটি নরম বাংলা ও ওড়িয়া উচ্চারণে ব্যবহৃত হয়। ১১৬বি নম্বর জাতীয় সড়কের উপর একটি আন্তঃরাজ্য চেকিং পয়েন্ট রয়েছে। সেখান থেকেই সৈকতের দিকে যাওয়ার রাস্তা আলাদা হয়ে গেছে। উদয়পুর নিউ দিঘা ও ওড়িশার তালসারির মাঝামাঝি অবস্থানে রয়েছে।
তবে সাম্প্রতিক সময়ে দিঘার আশপাশের কিছু কম পরিচিত সৈকতও পর্যটকদের নজর কেড়েছে। তার মধ্যে অন্যতম উদয়পুর সমুদ্র সৈকত। দিঘার দক্ষিণ দিকে অবস্থিত এই সৈকত এখনও অনেকটাই অনাবিষ্কৃত। এখানে নেই অতিরিক্ত ভিড়। নেই কোলাহল। উদয়পুর নামটি রাজস্থানের উদয়পুরের মতো শোনালেও এর উচ্চারণ আলাদা। এটি একটি নরম বাংলা ও ওড়িয়া উচ্চারণে ব্যবহৃত হয়। ১১৬বি নম্বর জাতীয় সড়কের উপর একটি আন্তঃরাজ্য চেকিং পয়েন্ট রয়েছে। সেখান থেকেই সৈকতের দিকে যাওয়ার রাস্তা আলাদা হয়ে গেছে। উদয়পুর নিউ দিঘা ও ওড়িশার তালসারির মাঝামাঝি অবস্থানে রয়েছে।
advertisement
5/6
এই সৈকত মূলত জনবসতিহীন। চারদিকে প্রকৃতির নিস্তব্ধতা। শহুরে ব্যস্ত জীবন থেকে দূরে থাকতে চাইলে এটি আদর্শ স্থান। দিঘার চেনা পর্যটন চাপ এখানে নেই। তাই অনেকেই শান্ত সময় কাটাতে উদয়পুরকে বেছে নিচ্ছেন। সৈকতের অন্তত অর্ধেক অংশকে বাংলার শেষ সৈকত বলা যায়। এখানকার আরেকটি আকর্ষণ হল তাজা মাছ।
এই সৈকত মূলত জনবসতিহীন। চারদিকে প্রকৃতির নিস্তব্ধতা। শহুরে ব্যস্ত জীবন থেকে দূরে থাকতে চাইলে এটি আদর্শ স্থান। দিঘার চেনা পর্যটন চাপ এখানে নেই। তাই অনেকেই শান্ত সময় কাটাতে উদয়পুরকে বেছে নিচ্ছেন। সৈকতের অন্তত অর্ধেক অংশকে বাংলার শেষ সৈকত বলা যায়। এখানকার আরেকটি আকর্ষণ হল তাজা মাছ।
advertisement
6/6
 স্থানীয় জেলেরা প্রতিদিন সমুদ্র থেকে মাছ এনে বিক্রি করেন। আশপাশের ছোট স্টলগুলিতে সেই মাছ রান্না করে খাওয়ারও ব্যবস্থা রয়েছে। সহজ, সরল আর স্বাদে ভরপুর এই খাবার পর্যটকদের আলাদা অভিজ্ঞতা দেয়। তাই বাংলার এই শেষ প্রান্ত উদয়পুর সমুদ্র সৈকত তাই ধীরে ধীরে নিজের জায়গা করে নিচ্ছে।
স্থানীয় জেলেরা প্রতিদিন সমুদ্র থেকে মাছ এনে বিক্রি করেন। আশপাশের ছোট স্টলগুলিতে সেই মাছ রান্না করে খাওয়ারও ব্যবস্থা রয়েছে। সহজ, সরল আর স্বাদে ভরপুর এই খাবার পর্যটকদের আলাদা অভিজ্ঞতা দেয়। তাই বাংলার এই শেষ প্রান্ত উদয়পুর সমুদ্র সৈকত তাই ধীরে ধীরে নিজের জায়গা করে নিচ্ছে।
advertisement
advertisement
advertisement