Indian Railways: ট্যাঙ্ক তো দেখতে পান না...! কিন্তু ট্রেনের বাথরুম, বেসিনে জল কোথা থেকে আসে বলুন তো? উত্তর দিতে পারেনি প্রায় কেউই
- Published by:Shubhagata Dey
- news18 bangla
Last Updated:
Indian Railways: ভারতের অনেকেই ট্রেনে ভ্রমণ করতে ভালবাসেন। তবে, রেলের কিছু বিশেষ বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে অনেকেই জানেন না। তার মধ্যে একটি হল ট্রেনে জল কোথা থেকে আসে? জানুন...
*ভারতীয় রেলকে দেশের প্রাণ বলা হয়। প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মানুষ ট্রেনে যাতায়াত করেন। দীর্ঘ যাত্রাপথে যাত্রীদের শৌচাগার এবং বেসিনে ক্রমাগত জলের প্রয়োজন হয়। কিন্তু, আপনি কি কখনও ভেবে দেখেছেন একটি চলন্ত ট্রেনে এত পরিমাণ জল কোথা থেকে আসে? ট্রেনে জলের ট্যাঙ্ক কোথায় বসানো থাকে? সেগুলি কী পরিমাণ জল সঞ্চয় করতে পারে?
advertisement
*ট্রেনে ভ্রমণ করতে পছন্দ করেন প্রচুর মানুষ। নিরাপত্তার কারণে অনেকে ট্রেন ভ্রমণ বেছে নেন। একইসঙ্গে, ট্রেনের টিকিট অনেকের জন্য সাশ্রয়ী, কারণ কম টাকায় দীর্ঘ দূরত্ব ভ্রমণ করা সম্ভব হয়। আপনিও হয়তো ট্রেনে ভ্রমণ করেন, কিন্তু ট্রেন সম্পর্কিত কিছু অদ্ভুত বিষয় রয়েছে। কিন্তু আপনি হয়তো সেগুলি সম্পর্কে জানেন না...
advertisement
advertisement
*ট্রেনের প্রতিটি কোচের (কামরার) নিচে বড় স্টিলের ট্যাঙ্ক বসানো থাকে। সমস্ত জল সেখানে জমা করা হয় এবং যাত্রীদের প্রয়োজনে সরবরাহ হয়। কোচের নিচে বসানো এই ট্যাঙ্কগুলি 'আন্ডার-ক্যারেজ ওয়াটার ট্যাঙ্ক' বলা হয়। সাধারণত এই ট্যাঙ্কগুলিতে ৪০০ থেকে ৫০০ লিটার জল জমা করা থাকে। যেহেতু প্রতিটি কোচের নিচে একটি আলাদা ট্যাঙ্ক থাকে, তাই যাত্রীদের জলের সমস্যায় পড়তে হয় না।
advertisement
*তবে যাত্রা শেষ হওয়ার আগেই যদি ট্যাঙ্কের জল শেষ হয়ে যায় তাহলে কী হবে? যখনই এমন পরিস্থিতি দেখা দেয়, তখন 'কুইক ওয়াটারিং সিস্টেম'-এর মাধ্যমে এই ট্যাঙ্কগুলি আবার ভর্তি করা হয়। এই ব্যবস্থাটি বেশিরভাগ বড় রেল স্টেশনগুলিতে পাওয়া যায়। আপনি যদি কখনও লক্ষ্য করেন, স্টেশনে দুটি ট্র্যাকের (রেলওয়ে) মধ্যে একটি পাইপের সংযোগ দেখা যায়, যা জানালা থেকেও সহজেই দেখা যায়। এটিই কুইক ওয়াটারিং সিস্টেম, যার মাধ্যমে ট্রেনের ট্যাঙ্ক মিনিটের মধ্যে ভর্তি করা সম্ভব।








