Fun Facts: সুখে-দুঃখে সবাই কাঁদি, কেন কান্না পায় আমাদের? বৈজ্ঞানিক কারণ জানলে অবাক হবেন
- Published by:Rukmini Mazumder
- news18 bangla
Last Updated:
কান্নার অনুভূতির জন্ম মস্তিষ্কে, ল্যাক্রিমাল গ্ল্যান্ড থেকে। এই গ্ল্যান্ড থেকেই প্রোটিন, মিউকাস বা তেলতেলে নোনা জল তৈরি হয়। এগুলি চোখ দিয়ে অশ্রুর আকারে বেরিয়ে আসে। এই তরলকেই কান্না বলে।
advertisement
advertisement
advertisement
সেরিব্রাম অংশ থেকে এন্ডোক্রিন সিস্টেম বা অন্তঃক্ষরা পদ্ধতিতে হরমোন নির্গত হয়। দুঃখের কারণে জমা হওয়া ক্ষতিকর পদার্থগুলি বহন করে চোখের আশপাশের অঞ্চলে নিয়ে যায় এই হরমোনগুলি। সেখান থেকে চোখের জলের সঙ্গে টক্সিনগুলো বেরিয়ে আসে কান্নার আকারে। এটিই আসলে আবেগীয় কান্না। যন্ত্রণার বা খুশির কান্নাও একই পদ্ধতিতে আসে।
advertisement
রিফ্লেক্স নামে আরেক ধরনের কান্না আছে। এই কান্নাকে অবশ্য সত্যিকার কান্না বলা যায় না। হঠাৎ ব্যথা পেলে, কিংবা ঝাঁঝালো কোনও বস্তু যেমন পেঁয়াজ বা সর্ষের তেলের ঝাঁঝ কিংবা ধুলাবালি নাক বা চোখ দিয়ে ঢুকলে এই ধরনের কান্নার জন্ম। ঝাঁঝালো বস্তু চোখে ঢুকলে, চোখের কর্নিয়ায় যে স্নায়ুতন্ত্র আছে, সেটাতে বার্তা পাঠায়। বদলে মস্তিষ্কও প্রতিরক্ষার জন্য হরমোন পাঠিয়ে দেয়ে চোখের পাতায়। চোখে সেগুলি অশ্রুর মতো জমা হয়। ধুলাবালি বা ক্ষতিকর পদার্থ বয়ে নিয়ে চোখ থেকে বেরিয়ে আসে সেই অশ্রু।
advertisement
রিফ্লেক্স নামে আরেক ধরনের কান্না আছে। এই কান্নাকে অবশ্য সত্যিকার কান্না বলা যায় না। হঠাৎ ব্যথা পেলে, কিংবা ঝাঁঝালো কোনও বস্তু যেমন পেঁয়াজ বা সর্ষের তেলের ঝাঁঝ কিংবা ধুলাবালি নাক বা চোখ দিয়ে ঢুকলে এই ধরনের কান্নার জন্ম। ঝাঁঝালো বস্তু চোখে ঢুকলে, চোখের কর্নিয়ায় যে স্নায়ুতন্ত্র আছে, সেটাতে বার্তা পাঠায়। বদলে মস্তিষ্কও প্রতিরক্ষার জন্য হরমোন পাঠিয়ে দেয়ে চোখের পাতায়। চোখে সেগুলি অশ্রুর মতো জমা হয়। ধুলাবালি বা ক্ষতিকর পদার্থ বয়ে নিয়ে চোখ থেকে বেরিয়ে আসে সেই অশ্রু।









