রাস্তা নেই, স্রোতহারা মহানন্দার কোমর সমান জলে নেমে মরদেহ নিয়ে গেলেন এলাকাবাসী
- Reported by:Jiam Momin
- local18
- Published by:Tias Banerjee
Last Updated:
গ্রামবাসীদের অভিযোগ, স্থানীয় এক বাসিন্দা সাত্তার আলি সেচ দফতরের ৫০ শতক জায়গা দীর্ঘদিন দখল করে চাষবাস করছে। সেচ দফতরের জায়গা দিয়েই রাস্তা ছিল কবরস্থান ও শ্মশানে মরদেহ নিয়ে যাওয়ার। তবে সেই ব্যক্তি কিছুদিন আগে কবরস্থান ও শ্মশানে যাওয়ার রাস্তা বন্ধ করে দেয়।
এবারে মরদেহ নিয়ে যেতেও দুর্ভোগে এলাকাবাসী। রাস্তা না থাকার ফলে খাটিয়াতে করে রোগী নিয়ে যাওয়ার চিত্র এই রাজ্যে প্রায়শই ঘটছে। কিন্তু এবার দেখা গেল রাস্তা না থাকার ফলে মরা মহানন্দায় কোমর সমান জলে নেমে কবরস্থানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে মরদেহ। এমনই এক ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়ানোর পর শোরগোল পড়েছে এলাকায়।(ছবি ও তথ্য: জিএম মোমিন)
advertisement
মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর ১ ব্লকের তুলসীহাটা গ্রাম পঞ্চায়েতের বসতপুর গ্রামের ঘটনা। গ্রামে একদিকে কবরস্থান, অন্যদিকে শ্মশান। এলাকায় সেচ দফতরের জায়গায় ছিল কাঁচা রাস্তা। সকল গ্রামবাসীরা শবদেহ কবরস্থান ও শ্মশানে নিয়ে যেতেন এই রাস্তা দিয়েই। কিছুদিন আগে পাশের গ্রামের এক ব্যক্তি সেচ দফতরের সেই জায়গায় রাস্তার উপর বেড়া দিয়ে ঘিরে দেয়। যার ফলে প্রায় দুই কিলোমিটার ঘুরে আঙ্গারমুনি গ্রাম হয়ে কবরস্থান ও শ্মশান যেতে হচ্ছে গ্রামবাসীদের।(ছবি ও তথ্য: জিএম মোমিন)
advertisement
advertisement
স্থানীয়রা জানান, "শুক্রবার সকালে বসতপুর গ্রামের বধূ সোলো বিবির মৃত্যু হয়। রাস্তা বন্ধ থাকায় গ্রামবাসীরা মরা মহানন্দা নদীর কোমর সমান জল পেরিয়ে কবরস্থানে নিয়ে যান। সেচ দফতরের জায়গা নিয়ে গ্রামবাসীদের সঙ্গে সাত্তারের পরিবারের একাধিকবার গন্ডগোল হয়েছে। হরিশ্চন্দ্রপুর থানা, ব্লক প্রশাসন, সেচ দফতর ও জেলাশাসকের কাছে গণসাক্ষর করে দাবিপত্র দেওয়া হয়ে ছিল। তারপর সেচ দফতর থেকে পাঁচমাস আগে লোক এলেও মাপজোগ অসম্পূর্ণ রেখে চলে যান। বারবার প্রশাসনে জানিও হয়নি সুরাহা বলে অভিযোগ গ্রামবাসীদের।(ছবি ও তথ্য: জিএম মোমিন)
advertisement
অন্যদিকে অভিযুক্ত সেচ দফতরের জায়গা দখলের কথা স্বীকার করলেও রাস্তা বন্ধ করার কথা মানতে নারাজ।যদিও এই ঘটনার পর দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন মালদা জেলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি এটিএম রফিকুল হোসেন। তিনি জানান, "এমন ঘটনা কাম্য নয়। যে বা যারা সরকারি জমি দখল করে রেখেছে তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে। প্রশাসনিক স্তরে বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"(ছবি ও তথ্য: জিএম মোমিন)







