Inspirational Story: বাবা চালান চায়ের দোকান, ছেলে ‘বিকশিত ভারত ইয়ং লিডার্স ডায়ালগস’-এ দিল্লিতে! জলপাইগুড়ির যুবকের সাফল্য অনুপ্রাণিত করছে অন্যদেরও
- Reported by:SUROJIT DEY
- hyperlocal
- Published by:Madhab Das
Last Updated:
Jalpaiguri News Inspirational Story: জলপাইগুড়ি সদর ব্লকের গড়ালবাড়ি বলিপাড়ার এই পিছিয়ে পড়া পরিবারের ছোট ছেলে রাসেল হক প্রমাণ করল—ইচ্ছাশক্তি থাকলে প্রতিকূলতাও হার মানে।
প্রতিকূলতার মাঝেও স্বপ্নের ডানা! দিল্লিতে ‘বিকশিত ভারত ইয়ং লিডার্স ডায়ালগস ২০২৬’-এ পৌঁছল জলপাইগুড়ির রাসেল হক। টিনের চাল, মুলি বাঁশের বেড়া—বর্ষা এলেই চাল চুঁইয়ে পড়ে জল। মাত্র দু'টি ঘরে দুই ছেলে ও স্ত্রী সাহেরুন খাতুনকে নিয়ে কোনওমতে দিন কাটে সামিউল হকের। সামান্য একটি চায়ের দোকানের আয়েই সংসার চলে। আর্থিক অনটনের কারণে বড় ছেলে পড়াশোনা ছেড়ে ছোট ব্যবসায় নেমেছে। (ছবি ও তথ্য: সুরজিৎ দে)
advertisement
advertisement
সম্প্রতি সদর ব্লকের বিডিও মিহির কর্মকার রাসেলকে ডেকে শুভেচ্ছা জানান এবং একাধিক উপহার তুলে দেন। পাশাপাশি জলপাইগুড়ি থেকে কলকাতা যাতায়াতের ব্যবস্থার নির্দেশ দেওয়া হয় স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানকে। বিডিও জানান, জেলায় এই প্রথম কোনও ছাত্র প্রধানমন্ত্রীর সামনে এই ধরনের ডায়ালগ কর্মসূচিতে অংশ নিতে চলেছে। প্রতিকূলতার মধ্যেও পড়াশোনা চালিয়ে রাসেলের এই সাফল্য জেলার ছাত্রছাত্রীদের অনুপ্রাণিত করবে বলেই মনে করছেন তিনি।
advertisement
রাসেলের যাত্রাপথ মোটেও সহজ ছিল না। গড়ালবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে কলা বিভাগে উচ্চ মাধ্যমিক পাশের পর আর্থিক কারণে পড়াশোনা ছেড়ে দেওয়ার উপক্রম হয়েছিল। তবে পরামর্শ পেয়ে স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে ঋণ নিয়ে শহরের একটি বেসরকারি ম্যানেজমেন্ট কলেজে আইটি কোর্সে ভর্তি হয় সে। বর্তমানে তৃতীয় বর্ষের ছাত্র।
advertisement
বিকশিত ভারত ইয়ং লিডার্স’-এর খবর পেয়েছিল কীভাবে? রাসেল জানায়, মোবাইলে বিভিন্ন ওয়েবসাইট ঘাঁটতে গিয়েই চোখে পড়ে এই উদ্যোগের কথা। ২০৪৭ সালের মধ্যে প্রযুক্তিনির্ভর উন্নত ভারত গড়ার লক্ষ্যে যুবসমাজের ভাবনা জানতে এই কর্মসূচি শুরু হয়েছে। আবেদন করার পর ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বেসিক নলেজ কুইজে ২০/২০ পেয়ে জেলা স্তরের এসে রাইটিং-এ সুযোগ পায় সে। (ছবি ও তথ্য: সুরজিৎ দে)






