advertisement

Qrsam Missile Indian Army: অপারেশন সিঁদুরে এরই অভাব ছিল, ৩৬০০০ কোটির চুক্তি পাকা! S-400 নয়, ভয়ঙ্কর মিসাইল সিস্টেম কিনছে ভারত

Last Updated:
Qrsam Missile Indian Army: অপারেশন সিঁদুরের সময় ভারত সফল হলেও ভারতেরও নিজেদের কিছু খামতি লক্ষ্য করেছে দ্রুত সেই খামতিগুলি ভরাট করার চেষ্টা করছে ভারতীয় সেনা। এবার ৩৬ হাজার কোটি টাকা টাকার চুক্তি করল ভারত।
1/6
অপারেশন সিঁদুরের সময় ভারত সফল হলেও ভারতেরও নিজেদের কিছু খামতি লক্ষ্য করেছে দ্রুত সেই খামতিগুলি ভরাট করার চেষ্টা করছে ভারতীয় সেনা। এবার ৩৬ হাজার কোটি টাকা টাকার চুক্তি করল ভারত। এস-৪০০ নয়, আসছে আরও একটি মিসাইল সিস্টেম। ওই বিশেষ মিসাইল সিস্টেম দিয়ে তিনটি রেজিমেন্ট তৈরি করা হবে। যদিও ভারতীয় সেনা এমন ১১টি রেজিমেন্ট তৈরি জন্য কেন্দ্রের কাছে আবেদন জানিয়েছে। এই পুরো ১১টি রেজিমেন্টে প্রায় ১.৩০ লাখ কোটি টাকা খরচ হবে।
অপারেশন সিঁদুরের সময় ভারত সফল হলেও ভারতেরও নিজেদের কিছু খামতি লক্ষ্য করেছে দ্রুত সেই খামতিগুলি ভরাট করার চেষ্টা করছে ভারতীয় সেনা। এবার ৩৬ হাজার কোটি টাকা টাকার চুক্তি করল ভারত। এস-৪০০ নয়, আসছে আরও একটি মিসাইল সিস্টেম। ওই বিশেষ মিসাইল সিস্টেম দিয়ে তিনটি রেজিমেন্ট তৈরি করা হবে। যদিও ভারতীয় সেনা এমন ১১টি রেজিমেন্ট তৈরি জন্য কেন্দ্রের কাছে আবেদন জানিয়েছে। এই পুরো ১১টি রেজিমেন্টে প্রায় ১.৩০ লাখ কোটি টাকা খরচ হবে।
advertisement
2/6
পাকিস্তানের আক্রমণে অধিকাংশ ড্রোন ভারত আটকে দিলেও কিছু ড্রোন ভারতে ঢুকেছে এবং কিছু প্রাণহানিও ঘটেছে, এবার সেই বিপদও আটকাতে ব্যবস্থা নিচ্ছে ভারতীয় সেনা।
পাকিস্তানের আক্রমণে অধিকাংশ ড্রোন ভারত আটকে দিলেও কিছু ড্রোন ভারতে ঢুকেছে এবং কিছু প্রাণহানিও ঘটেছে, এবার সেই বিপদও আটকাতে ব্যবস্থা নিচ্ছে ভারতীয় সেনা।
advertisement
3/6
এস-৪০০ থাকলেও ভারত নজর দিচ্ছে অন্য এক মিসাইল সিস্টেমের উপর, যার পোশাকি নাম QRSAM সিস্টেম। ভারত সরকার এয়ার ডিফেন্সকে শক্তিশালী করার জন্য QRSAM সিস্টেম কেনার অনুমোদন দিয়েছে। বিদেশ থেকে নয়, দেশেই তৈরি করা হয়েছে এই মিসাইল সিস্টেম। এর পুরো নাম কুইক রিঅ্যাকশন সারফেস টু এয়ার মিসাইল অর্থাৎ QRSAM। কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থা DRDO দ্বারা তৈরি করছে এই মিসাইল সিস্টেম। তিনটি রেজিমেন্টে এটি কিনতে প্রায় ৩৬ হাজার কোটি টাকা খরচ হবে। অর্থাৎ একটি রেজিমেন্টে প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা।
এস-৪০০ থাকলেও ভারত নজর দিচ্ছে অন্য এক মিসাইল সিস্টেমের উপর, যার পোশাকি নাম QRSAM সিস্টেম। ভারত সরকার এয়ার ডিফেন্সকে শক্তিশালী করার জন্য QRSAM সিস্টেম কেনার অনুমোদন দিয়েছে। বিদেশ থেকে নয়, দেশেই তৈরি করা হয়েছে এই মিসাইল সিস্টেম। এর পুরো নাম কুইক রিঅ্যাকশন সারফেস টু এয়ার মিসাইল অর্থাৎ QRSAM। কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থা DRDO দ্বারা তৈরি করছে এই মিসাইল সিস্টেম। তিনটি রেজিমেন্টে এটি কিনতে প্রায় ৩৬ হাজার কোটি টাকা খরচ হবে। অর্থাৎ একটি রেজিমেন্টে প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা।
advertisement
4/6
QRSAM মিসাইলগুলি শত্রুর যুদ্ধবিমান, হেলিকপ্টার, ড্রোন-সহ ৩০ কিমি ব্যাসার্ধের মধ্যে যে কোনও লক্ষ্যবস্তুকে ধ্বংস করতে পারে। এই মিসাইলগুলি খুবই দ্রুত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে পারে। এই সিস্টেমগুলি যুদ্ধের বর্তমান পদ্ধতিতে অত্যন্ত কার্যকর।
QRSAM মিসাইলগুলি শত্রুর যুদ্ধবিমান, হেলিকপ্টার, ড্রোন-সহ ৩০ কিমি ব্যাসার্ধের মধ্যে যে কোনও লক্ষ্যবস্তুকে ধ্বংস করতে পারে। এই মিসাইলগুলি খুবই দ্রুত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে পারে। এই সিস্টেমগুলি যুদ্ধের বর্তমান পদ্ধতিতে অত্যন্ত কার্যকর।
advertisement
5/6
QRSAM-এ অত্যন্ত উন্নত রাডার সিস্টেম, ইলেক্ট্রো-অপটিক্যাল সেন্সর এবং কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেম রয়েছে। এর ফলে নিঁখুতভাবে তার লক্ষ্যকে ট্র্যাক এবং ধ্বংস করতে পারে। এর সাফল্যের হার ৯৫ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত।
QRSAM-এ অত্যন্ত উন্নত রাডার সিস্টেম, ইলেক্ট্রো-অপটিক্যাল সেন্সর এবং কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সিস্টেম রয়েছে। এর ফলে নিঁখুতভাবে তার লক্ষ্যকে ট্র্যাক এবং ধ্বংস করতে পারে। এর সাফল্যের হার ৯৫ থেকে ১০০ শতাংশ পর্যন্ত।
advertisement
6/6
অপারেশন সিঁদুরঅপারেশন সিঁদুরের সময়ে পাকিস্তানের ড্রোনের বিপক্ষে QRSAM গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। অপারেশনের সময় QRSAM-এর কাজ বিশেষজ্ঞদের নজর কেড়েছে। তাই আরও QRSAM মিসাইল সিস্টেম কিনতে চলেছে ভারত।
অপারেশন সিঁদুরঅপারেশন সিঁদুরের সময়ে পাকিস্তানের ড্রোনের বিপক্ষে QRSAM গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। অপারেশনের সময় QRSAM-এর কাজ বিশেষজ্ঞদের নজর কেড়েছে। তাই আরও QRSAM মিসাইল সিস্টেম কিনতে চলেছে ভারত।
advertisement
advertisement
advertisement