High Court: একা মায়ের কাছে বড় হওয়া সন্তান বাবার নাম,পদবি বাদ দিতে পারে, 'এটা সাংবিধানিক অধিকার', যুগান্তকারী রায় বোম্বে হাইকোর্টের
- Published by:Rukmini Mazumder
- news18 bangla
Last Updated:
এক সময়ে সরকারি নথিতে শিশুকে বাবার নাম ও পদবি উল্লেখ করত হত, কারণ সেটাই ছিল অফিশিবাল ফরম্যাট! কিন্তু সেই ধারাকে বজায় রাখতে কোনও 'সিঙ্গল মাদার'-এর কাছে বড় হওয়া সন্তানকে তার বাবার নাম ও পদবি বহন করতে বাধ্য করা যাবে না
advertisement
advertisement
আদালতের পর্যবেক্ষণ, '' সন্তানের নাগরিক পরিচয়ের ক্ষেত্রে একক মাকে পূর্ণাঙ্গ অভিভাবক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া কোনও দয়া প্রদর্শন নয়, বরং এটি সংবিধানের প্রতি আনুগত্য।”আদালত আরও মন্তব্য করে, এই সিদ্ধান্ত সামাজিক ও আইনি চিন্তাধারায় একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। তারা জানায়, “এটি পিতৃতান্ত্রিক বাধ্যবাধকতা থেকে সংবিধানসম্মত পছন্দের দিকে অগ্রসর হওয়ার প্রতিফলন—বংশপরিচয়কে নিয়তি হিসেবে দেখার পরিবর্তে মর্যাদাকে অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া।”
advertisement
বেঞ্চ সরকারি নথিপত্রে পিতৃপরিচয় জোরপূর্বক বহাল রাখার প্রবণতার তীব্র সমালোচনা করে। জানায় যে মা সন্তানকে বড় করল, সরকারি নথিতে তার পরিচয়ই গৌণ থাকবে অথচ যে বাবা সন্তানকে দেখলই না, তার কোনও দায়িত্বই নিল না, তার পরিচয়েই পরিচিত হবে সন্তান, এটা হতে পারে না। আদালত বলে, “শুধুমাত্র ফরম্যাটে আগে এমন দাবি ছিল বলে, যে শিশু কেবলমাত্র মায়ের কাছেই বড় হয়েছে, তাকে রাষ্ট্রনির্ধারিত পরিচয় হিসেবে বাবার নাম ও পদবি বহন করতে বাধ্য করা যায় না।”
advertisement
এই নির্দেশ আসে এক নাবালিকার দায়ের করা আবেদনের প্রেক্ষিতে। ১২ বছরের কিশোরীকে স্কুলের নথিতে জাতের উল্লেখে ‘মারাঠা’ থেকে পরিবর্তন করে ‘তফসিলি জাতি–মাহার’ করার আবেদন জানানো হয়।আবেদনপত্রে উল্লেখ করা হয়, কিশোরীর মা-ই তার একমাত্র অভিভাবক। তার জীবনে পিতার কোনও কার্যকর বা আইনি ভূমিকা নেই।মা পূর্বে পিতার বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ এনেছিলেন। যদিও পরবর্তীতে উভয় পক্ষের মধ্যে সমঝোতা হয়, যার ভিত্তিতে সন্তানের স্থায়ী অভিভাবকত্ব মায়ের কাছেই থাকে।






