'গুড মর্নিং, চিনি...'! বারামতী দুর্ঘটনার আগেই প্রিয় দাদীকে Whatsapp! ক্যাপ্টেন শম্ভাবী পাঠকের দিদাকে পাঠানো শেষ বার্তায় কী ছিল জানেন?
- Published by:Sanjukta Sarkar
- news18 bangla
Last Updated:
Captain Shambhavi Pathak: বর্তমানে গোয়ালিয়রেই থাকেন শম্ভাবীর দাদি মীরা পাঠক। নাতনি হারিয়ে কার্যত ভগ্নহৃদয়। দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া সেই মন নিয়েই জানালেন, দুর্ঘটনার কয়েক ঘণ্টা আগে, বুধবার সকাল ৬:৩৬ মিনিটে, শম্ভাবী একটি মেসেজ পাঠান দিদাকে। এর কিছুক্ষণ পরেই বিমানে উঠে উড়ে যান শম্ভাবী। আর ফেরেননি।
advertisement
advertisement
advertisement
২০১৬ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত গোয়ালিয়রের এয়ারফোর্স এলাকার প্রথম সারির স্কুলেই পড়াশোনা শেষ করেন শম্ভাবী। মধ্যপ্রদেশ ফ্লাইং ক্লাবের সদস্যও ছিলেন চৌখস এই মেয়েটি। সেখানেই শুরু হয় তাঁর বিমান চালনার ট্রেনিং। কিছুদিনেই কঠোর পরিশ্রম এবং নিষ্ঠার মাধ্যমে, একজন ভিআইপি চার্টার ফ্লাইট পাইলট হয়ে ওঠে শম্ভাবী।
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
তারপর সেখান থেকে দিল্লি। ১৯৭৫ সাল থেকে লোধি রোডের বাল ভারতীতে পড়াশোনা করেন শম্ভাবী। এরপর পাইলট প্রশিক্ষণের জন্য যান নিউজিল্যান্ড। "চিনি সবসময় আমাকে 'দাদা' বলে ডাকত কারণ আমি 'দাদী' বলে ডাকা পছন্দ করতাম না। আর আমরা ওকে আদর করে 'চিনি' বলে ডাকতাম। আমরা সকাল ১১ টায় দুর্ঘটনার কথা জানতে পারি। তারপরেই আমি শম্ভাবীর বাবাকে ফোন করি, মুহূর্তে নেমে আসে অন্ধকার।"







