আগুনে দগ্ধ দেহ, দেখে চেনার উপায় নেই..অজিত পওয়ারের শরীরে থাকা এই একটি জিনিস চিনিয়ে দিয়েছিল তাঁকে
- Published by:Soumendu Chakraborty
- news18 bangla
Last Updated:
Ajit Pawar Plane Crash- এই দুর্ঘটনায় প্রত্যেকটি দেহই মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়েছিল। এমন পরিস্থিতিতে প্রশ্ন ওঠে—অজিত পওয়ারের দেহ কীভাবে শনাক্ত করা হল? ডিএনএ পরীক্ষার প্রয়োজনই বা পড়ল না কেন?
advertisement
এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে তখনই, যখন বিমানটি বারামতীতে অবতরণের প্রস্তুতি নিচ্ছিল। দুর্ঘটনাটি এতটাই ভয়াবহ ছিল যে একের পর এক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। বিমানটি সম্পূর্ণভাবে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এই দুর্ঘটনায় সব দেহই মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয়েছিল। এমন পরিস্থিতিতে প্রশ্ন ওঠে—অজিত পওয়ারের দেহ কীভাবে শনাক্ত করা হল? ডিএনএ পরীক্ষার প্রয়োজনই বা পড়ল না কেন?
advertisement
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তাঁর কবজির ঘড়ি থেকেই অজিত পওয়ারের দেহ শনাক্ত করা সম্ভব হয়। সেই ঘড়িটিই তাঁর শেষ পরিচয় হয়ে ওঠে।আসলে, বুধবার সকালেই অজিত পাওয়ার বারামতীর উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন। মুম্বইয়ের ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বারামতির উদ্দেশে রওনা দেয় এই চার্টার্ড বিমানটি। এটি ছিল Learjet 45XR মডেলের একটি চার্টার্ড ফ্লাইট। পুনে জেলার বারামতি অজিত পাওয়ারের নিজস্ব এলাকা। সেখানেই বিমানের অবতরণ করার কথা ছিল। কিন্তু ল্যান্ডিংয়ের সময় বিমানটি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং ভেঙে পড়ে আগুন ধরে যায়।
advertisement
বিমানে অজিত পওয়ার ছাড়াও ছিলেন পাইলট, কো-পাইলট এবং আরও দু’জন। ঘটনাস্থলেই সবার মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনাটি এতটাই ভয়ংকর ছিল যে আকাশ কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় এবং চার থেকে পাঁচটি বিস্ফোরণ ঘটে।কীভাবে অজিত পাওয়ারের দেহ শনাক্ত হল?প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, দুর্ঘটনাটি এতটাই ভয়াবহ ছিল যে বিমানটি সম্পূর্ণ ছাই হয়ে যায়। দেহগুলো এতটাই দগ্ধ ছিল যে শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে। প্রথমে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য আত্মীয়দের কাছ থেকে নমুনা চাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু একটি ঘড়ির কারণে সেই প্রয়োজন আর পড়েনি।
advertisement







