Winter Travel: মল্ল রাজাদের স্মৃতি বিজড়িত বিষ্ণুপুর! শীতের ছুটিতে মিস করবেন না এই ৫টি জায়গা

Last Updated:
Winter Travel: মন্দির, জলাশয় ও টেরাকোটার স্থাপত্য মিলিয়ে শীতকালে বিষ্ণুপুর ভ্রমণ পর্যটকদের কাছে বিশেষ আকর্ষণ তৈরি করেছে।
1/6
শীত মানেই ভ্রমণের আদর্শ সময়। কনকনে ঠান্ডা, হালকা রোদ আর পরিষ্কার আকাশ—এই আবহেই সবচেয়ে ভালভাবে ধরা দেয় ইতিহাস, স্থাপত্য আর সংস্কৃতির মেলবন্ধন। শীতের মরশুমে তাই পর্যটকদের অন্যতম পছন্দের গন্তব্য হয়ে ওঠে বাঁকুড়া জেলার ঐতিহ্যবাহী শহর বিষ্ণুপুর। মল্ল রাজাদের রাজধানী হিসেবে পরিচিত এই শহরে ছড়িয়ে রয়েছে টেরাকোটার অনন্য নিদর্শন, জলাশয়, মন্দির ও লোকসংস্কৃতির ঐতিহ্য। শীতকালে বিষ্ণুপুরে ঘুরে দেখার মত এমনই পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গা তুলে ধরা হল।
শীত মানেই ভ্রমণের আদর্শ সময়। কনকনে ঠান্ডা, হালকা রোদ আর পরিষ্কার আকাশ—এই আবহেই সবচেয়ে ভালভাবে ধরা দেয় ইতিহাস, স্থাপত্য আর সংস্কৃতির মেলবন্ধন। শীতের মরশুমে তাই পর্যটকদের অন্যতম পছন্দের গন্তব্য হয়ে ওঠে বাঁকুড়া জেলার ঐতিহ্যবাহী শহর বিষ্ণুপুর। মল্ল রাজাদের রাজধানী হিসেবে পরিচিত এই শহরে ছড়িয়ে রয়েছে টেরাকোটার অনন্য নিদর্শন, জলাশয়, মন্দির ও লোকসংস্কৃতির ঐতিহ্য। শীতকালে বিষ্ণুপুরে ঘুরে দেখার মত এমনই পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গা তুলে ধরা হল।
advertisement
2/6
প্রথমেই রাসমঞ্চ। বিষ্ণুপুরের অন্যতম পরিচিত স্থাপত্য এই রাসমঞ্চ। একসময় রাস উৎসবের কেন্দ্রবিন্দু ছিল এই মঞ্চ। চারচালা ও আটচালা ঘরানার সংমিশ্রণে তৈরি এই স্থাপত্য শীতের নরম আলোয় আরও ভালভাবে ধরা দেয়। সকালের রোদে টেরাকোটার সূক্ষ্ম কাজ বিশেষভাবে নজর কেড়ে নেয়।
প্রথমেই রাসমঞ্চ। বিষ্ণুপুরের অন্যতম পরিচিত স্থাপত্য এই রাসমঞ্চ। একসময় রাস উৎসবের কেন্দ্রবিন্দু ছিল এই মঞ্চ। চারচালা ও আটচালা ঘরানার সংমিশ্রণে তৈরি এই স্থাপত্য শীতের নরম আলোয় আরও ভালভাবে ধরা দেয়। সকালের রোদে টেরাকোটার সূক্ষ্ম কাজ বিশেষভাবে নজর কেড়ে নেয়।
advertisement
3/6
দ্বিতীয় দর্শনীয় স্থান জোড়বাংলা মন্দির। দুটি বাংলাঘরের আদলে তৈরি এই মন্দির বিষ্ণুপুর স্থাপত্যের এক অনন্য নিদর্শন। মন্দিরের দেয়ালে রামায়ণ ও মহাভারতের নানা দৃশ্য টেরাকোটায় ফুটে উঠেছে। শীতের নিরিবিলি পরিবেশে এই মন্দির দর্শন পর্যটকদের কাছে বিশেষ অভিজ্ঞতা হয়ে থাকে।
দ্বিতীয় দর্শনীয় স্থান জোড়বাংলা মন্দির। দুটি বাংলাঘরের আদলে তৈরি এই মন্দির বিষ্ণুপুর স্থাপত্যের এক অনন্য নিদর্শন। মন্দিরের দেয়ালে রামায়ণ ও মহাভারতের নানা দৃশ্য টেরাকোটায় ফুটে উঠেছে। শীতের নিরিবিলি পরিবেশে এই মন্দির দর্শন পর্যটকদের কাছে বিশেষ অভিজ্ঞতা হয়ে থাকে।
advertisement
4/6
তৃতীয় স্থানে রয়েছে মদনমোহন মন্দির। লাল বাঁধের পাড়ে অবস্থিত এই প্রাচীন মন্দিরটি বিষ্ণুপুরের ইতিহাসের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে রয়েছে। শীতের সকালে কুয়াশার আড়ালে মন্দিরের চূড়া ধরা পড়লে দৃশ্যটি আরও মনকাড়া হয়ে ওঠে।
তৃতীয় স্থানে রয়েছে মদনমোহন মন্দির। লাল বাঁধের পাড়ে অবস্থিত এই প্রাচীন মন্দিরটি বিষ্ণুপুরের ইতিহাসের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে রয়েছে। শীতের সকালে কুয়াশার আড়ালে মন্দিরের চূড়া ধরা পড়লে দৃশ্যটি আরও মনকাড়া হয়ে ওঠে।
advertisement
5/6
চতুর্থত লাল বাঁধ। মন্দির দর্শনের ফাঁকে অবসর কাটানোর জন্য এই জলাশয় আদর্শ জায়গা। শীতকালে এখানে পরিযায়ী পাখির আনাগোনা চোখে পড়ে। শান্ত পরিবেশে বসে শীতের রোদ পোহানো পর্যটকদের কাছে দারুণ অভিজ্ঞতা হয়ে ওঠে।
চতুর্থত লাল বাঁধ। মন্দির দর্শনের ফাঁকে অবসর কাটানোর জন্য এই জলাশয় আদর্শ জায়গা। শীতকালে এখানে পরিযায়ী পাখির আনাগোনা চোখে পড়ে। শান্ত পরিবেশে বসে শীতের রোদ পোহানো পর্যটকদের কাছে দারুণ অভিজ্ঞতা হয়ে ওঠে।
advertisement
6/6
পঞ্চম গন্তব্য দলমাদল কামান। মল্ল রাজাদের সামরিক শক্তির স্মারক এই ঐতিহাসিক কামান আজও বিষ্ণুপুরের গর্ব। শীতের বিকেলে এই স্থানে দাঁড়িয়ে অতীতের ইতিহাস যেন চোখের সামনে জীবন্ত হয়ে ওঠে।সব মিলিয়ে বলা যায়, শীতকালে বিষ্ণুপুর ভ্রমণ ইতিহাস ও প্রকৃতিকে কাছ থেকে জানার এক ভাল সুযোগ। তাই এই শীতে ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনায় বিষ্ণুপুর থাকলে অভিজ্ঞতা নিঃসন্দেহে স্মরণীয় হবে।
পঞ্চম গন্তব্য দলমাদল কামান। মল্ল রাজাদের সামরিক শক্তির স্মারক এই ঐতিহাসিক কামান আজও বিষ্ণুপুরের গর্ব। শীতের বিকেলে এই স্থানে দাঁড়িয়ে অতীতের ইতিহাস যেন চোখের সামনে জীবন্ত হয়ে ওঠে।সব মিলিয়ে বলা যায়, শীতকালে বিষ্ণুপুর ভ্রমণ ইতিহাস ও প্রকৃতিকে কাছ থেকে জানার এক ভাল সুযোগ। তাই এই শীতে ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনায় বিষ্ণুপুর থাকলে অভিজ্ঞতা নিঃসন্দেহে স্মরণীয় হবে।
advertisement
advertisement
advertisement