advertisement

Weight Loss Tips: ৩০ দিনে ঝরবে ১০ কেজি ওজন! রোজ দুপুরে ঠিক খাওয়ার পর এই 'কাজ' করুন! বুলেট গতিতে হবে 'ফ্যাট বার্ন'! নিজেই চিনতে পারবে না নিজেকে

Last Updated:
Weight Loss Tips: আমরা অনেকেই দুপুরে পেট ভরে খাবার খাওয়ার(lunch) পরপরই বিছানায় শুয়ে পড়ি, কিন্তু এই পদ্ধতিটি একেবারেই ভুল। বেশিরভাগ স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ মনে করেন যে এটি করা উচিত নয়। দুপুরের খাবারের পর আপনাকে কমপক্ষে ১০০০ কদম হাঁটতে(walking) হবে।
1/7
আমরা অনেকেই দুপুরে পেট ভরে খাবার খাওয়ার পরপরই বিছানায় শুয়ে পড়ি, কিন্তু এই পদ্ধতিটি একেবারেই ভুল। বেশিরভাগ স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ মনে করেন যে এটি করা উচিত নয়। দুপুরের খাবারের পর আপনাকে কমপক্ষে ১০০০ কদম হাঁটতে হবে। এর অনেক সুবিধা থাকতে পারে, যা অবশ্যই বিবেচনা করা উচিত।
আমরা অনেকেই দুপুরে পেট ভরে খাবার খাওয়ার পরপরই বিছানায় শুয়ে পড়ি, কিন্তু এই পদ্ধতিটি একেবারেই ভুল। বেশিরভাগ স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ মনে করেন যে এটি করা উচিত নয়। দুপুরের খাবারের পর আপনাকে কমপক্ষে ১০০০ কদম হাঁটতে হবে। এর অনেক সুবিধা থাকতে পারে, যা অবশ্যই বিবেচনা করা উচিত।
advertisement
2/7
যদিও যেকোনও সময় হাঁটা একটি দুর্দান্ত ব্যায়াম হিসেবে বিবেচিত, তবুও দুপুরের খাবারের পর এই অভ্যাসটি গ্রহণ করা একজনের সামগ্রিক স্বাস্থ্য এবং সুস্থতার জন্য উপকারী। আপনার কেন এটি করা উচিত তা জেনে নিন-
যদিও যেকোনও সময় হাঁটা একটি দুর্দান্ত ব্যায়াম হিসেবে বিবেচিত, তবুও দুপুরের খাবারের পর এই অভ্যাসটি গ্রহণ করা একজনের সামগ্রিক স্বাস্থ্য এবং সুস্থতার জন্য উপকারী। আপনার কেন এটি করা উচিত তা জেনে নিন-
advertisement
3/7
দুপুরের খাবারের পর হাঁটা পেশীগুলিকে গ্লুকোজ শোষণ করতে সাহায্য করে, যা রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বৃদ্ধি রোধ করতে পারে, ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে পারে এবং সারা দিন ধরে স্থিতিশীল শক্তির মাত্রা বৃদ্ধি করতে পারে।
দুপুরের খাবারের পর হাঁটা পেশীগুলিকে গ্লুকোজ শোষণ করতে সাহায্য করে, যা রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বৃদ্ধি রোধ করতে পারে, ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে পারে এবং সারা দিন ধরে স্থিতিশীল শক্তির মাত্রা বৃদ্ধি করতে পারে।
advertisement
4/7
দুপুরের খাবারের পর হাঁটাচলা করলে পাচক এনজাইম এবং অন্ত্রের গতিবিধি উদ্দীপিত হয়, যার ফলে পেট ফাঁপা, অ্যাসিড রিফ্লাক্স এবং কোষ্ঠকাঠিন্য রোধ হয়, পাশাপাশি হজম এবং পুষ্টির শোষণে সহায়তা করে। তার সঙ্গে ওজন কমাতেও সাহায‍্য করে।
দুপুরের খাবারের পর হাঁটাচলা করলে পাচক এনজাইম এবং অন্ত্রের গতিবিধি উদ্দীপিত হয়, যার ফলে পেট ফাঁপা, অ্যাসিড রিফ্লাক্স এবং কোষ্ঠকাঠিন্য রোধ হয়, পাশাপাশি হজম এবং পুষ্টির শোষণে সহায়তা করে। তার সঙ্গে ওজন কমাতেও সাহায‍্য করে।
advertisement
5/7
দুপুরের খাবারের পর অল্প হাঁটাহাঁটি করলে এন্ডোরফিন নিঃসৃত হয়, মানসিক চাপ কমায়, মেজাজ উন্নত হয়, মনোযোগ দেওয়া সহজ হয় এবং উদ্বেগ কমায়, যার ফলে সারা দিন মানসিক স্বাস্থ্য ভাল থাকে।
দুপুরের খাবারের পর অল্প হাঁটাহাঁটি করলে এন্ডোরফিন নিঃসৃত হয়, মানসিক চাপ কমায়, মেজাজ উন্নত হয়, মনোযোগ দেওয়া সহজ হয় এবং উদ্বেগ কমায়, যার ফলে সারা দিন মানসিক স্বাস্থ্য ভাল থাকে।
advertisement
6/7
দুপুরের খাবারের পর নিয়মিত হাঁটা রক্ত ​প্রবাহ বৃদ্ধি করে, খারাপ কোলেস্টেরল কমায়, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে এবং হৃদপিণ্ডকে শক্তিশালী করে, যার ফলে দীর্ঘমেয়াদে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে।
দুপুরের খাবারের পর নিয়মিত হাঁটা রক্ত ​প্রবাহ বৃদ্ধি করে, খারাপ কোলেস্টেরল কমায়, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে এবং হৃদপিণ্ডকে শক্তিশালী করে, যার ফলে দীর্ঘমেয়াদে হৃদরোগের ঝুঁকি কমে।
advertisement
7/7
দুপুরের খাবারের পর হালকা ব্যায়াম সার্কাডিয়ান ছন্দ নিয়ন্ত্রণ করতে, অস্থিরতা কমাতে এবং মেলাটোনিন উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করে, যার ফলে গভীর ঘুম হয় সহজেই।( Disclaimer: এই প্রতিবেদনটি কেবলমাত্র সাধারণ তথ্যের জন্য, তাই বিস্তারিত জানতে হলে সর্বদা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন)
দুপুরের খাবারের পর হালকা ব্যায়াম সার্কাডিয়ান ছন্দ নিয়ন্ত্রণ করতে, অস্থিরতা কমাতে এবং মেলাটোনিন উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করে, যার ফলে গভীর ঘুম হয় সহজেই।( Disclaimer: এই প্রতিবেদনটি কেবলমাত্র সাধারণ তথ্যের জন্য, তাই বিস্তারিত জানতে হলে সর্বদা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন)
advertisement
advertisement
advertisement