advertisement

Uric Acid Problem: ভাল করে দেখুন তো, আপনার পা বেঁকে যায়নি তো? ইউরিক অ্যাসিড হাড় খেয়ে নেয়! জানুন

Last Updated:
Uric Acid Problem: অনেক সময়ই ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে গিয়ে হাড় বেঁকে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে লক্ষ্য রাখতে হবে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
1/10
শেষ কয়েক দশকে ইউরিক অ্যাসিডে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা কয়েকগুণ বেড়েছে। এমনকী আজকাল কম বয়সেও অনেকে এই রোগের খপ্পরে পড়ছেন। তাই সকলকেই এই রোগ নিয়ে সাবধান হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। (Disclaimer: এই প্রতিবেদনটি কেবলমাত্র সাধারণ তথ্যের জন্য, তাই বিস্তারিত জানতে হলে সর্বদা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।)
শেষ কয়েক দশকে ইউরিক অ্যাসিডে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা কয়েকগুণ বেড়েছে। এমনকী আজকাল কম বয়সেও অনেকে এই রোগের খপ্পরে পড়ছেন। তাই সকলকেই এই রোগ নিয়ে সাবধান হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। (Disclaimer: এই প্রতিবেদনটি কেবলমাত্র সাধারণ তথ্যের জন্য, তাই বিস্তারিত জানতে হলে সর্বদা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।)
advertisement
2/10
অনেক সময়ই ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে গিয়ে হাড় বেঁকে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে লক্ষ্য রাখতে হবে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
অনেক সময়ই ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে গিয়ে হাড় বেঁকে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে লক্ষ্য রাখতে হবে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
advertisement
3/10
বিশেষজ্ঞদের কথায়, আমাদের খাদ্যতালিকায় কিছু পিউরিন যুক্ত খাবার রয়েছে। এইসব খাবার শরীরে পৌঁছে যাওয়ার পর দেহে ইউরিক অ্যাসিড তৈরি হয়। আর এই প্রসঙ্গে জেনে রাখা ভাল যে, প্রত্যেক ব্যক্তির শরীরেই কিন্তু ইউরিক অ্যাসিড রয়েছে। শুধু তা বিপদ সীমার উপরে গেলেই ভাল।
বিশেষজ্ঞদের কথায়, আমাদের খাদ্যতালিকায় কিছু পিউরিন যুক্ত খাবার রয়েছে। এইসব খাবার শরীরে পৌঁছে যাওয়ার পর দেহে ইউরিক অ্যাসিড তৈরি হয়। আর এই প্রসঙ্গে জেনে রাখা ভাল যে, প্রত্যেক ব্যক্তির শরীরেই কিন্তু ইউরিক অ্যাসিড রয়েছে। শুধু তা বিপদ সীমার উপরে গেলেই ভাল।
advertisement
4/10
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরে ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরলের সঙ্গে ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যাও দেখা দেয়। হাঁটুতে ব্যথা,অস্থিসন্ধি ফুলে যন্ত্রণা এবং গাঁটে গাঁটে ব্যথা-- ইউরিক অ্যাসিড বাড়ার উপসর্গ। খাবার থেকে তৈরি হয় ইউরিক অ্যাসিড। তা রক্তে মিশে পৌঁছয় কিডনিতে। কিডনি সেই পদার্থ মূত্রের মাধ্যমে শরীরের বাইরে বের করে দেয়।
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরে ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরলের সঙ্গে ইউরিক অ্যাসিডের সমস্যাও দেখা দেয়। হাঁটুতে ব্যথা,অস্থিসন্ধি ফুলে যন্ত্রণা এবং গাঁটে গাঁটে ব্যথা-- ইউরিক অ্যাসিড বাড়ার উপসর্গ। খাবার থেকে তৈরি হয় ইউরিক অ্যাসিড। তা রক্তে মিশে পৌঁছয় কিডনিতে। কিডনি সেই পদার্থ মূত্রের মাধ্যমে শরীরের বাইরে বের করে দেয়।
advertisement
5/10
পিউরিন-যুক্ত খাবার খেলে যকৃৎ অতিরিক্ত ইউরিক অ্যাসিড তৈরি করে। সেই মাত্রাতিরিক্ত ইউরিক অ্যাসিড শরীরের বাইরে পাঠাতে পারে না কিডনি। তাতেই বাড়ে ইউরিক অ্যাসিড। আর ইউরিক অ্যাসিড স্ফটিক আকারে জমা হয় গাঁটে গাঁটে। তখন ব্যথা শুরু হয়।
পিউরিন-যুক্ত খাবার খেলে যকৃৎ অতিরিক্ত ইউরিক অ্যাসিড তৈরি করে। সেই মাত্রাতিরিক্ত ইউরিক অ্যাসিড শরীরের বাইরে পাঠাতে পারে না কিডনি। তাতেই বাড়ে ইউরিক অ্যাসিড। আর ইউরিক অ্যাসিড স্ফটিক আকারে জমা হয় গাঁটে গাঁটে। তখন ব্যথা শুরু হয়।
advertisement
6/10
ইউরিক অ্যাসিডের মোকাবিলায় মোক্ষম দাওয়াই হতে পারে একটি রস। যা খেলে হু হু করে কমে ইউরিক অ্যাসিড। ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে মোক্ষম দাওয়াই গরমকালে পাওয়া আখের রস। বাংলার বিভিন্ন শহর ও গ্রামে রাস্তায় রাস্তায় এই সময় বিক্রি হয় আখের রস।
ইউরিক অ্যাসিডের মোকাবিলায় মোক্ষম দাওয়াই হতে পারে একটি রস। যা খেলে হু হু করে কমে ইউরিক অ্যাসিড। ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে মোক্ষম দাওয়াই গরমকালে পাওয়া আখের রস। বাংলার বিভিন্ন শহর ও গ্রামে রাস্তায় রাস্তায় এই সময় বিক্রি হয় আখের রস।
advertisement
7/10
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই রস ইউরিক অ্যাসিড কমাতে দারুণ কাজ করে। আখের রস শুধুমাত্র ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণেই নয়, প্রস্রাব সংক্রান্ত সমস্যা কমাতেও সহায়ক। তবে আখের রসে অবশ্যই বিট নুন ও লেবুর রস মিশিয়ে খেতে হবে। সকালে খালি পেটে খেলে খুব উপকার হতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, এই রস ইউরিক অ্যাসিড কমাতে দারুণ কাজ করে। আখের রস শুধুমাত্র ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণেই নয়, প্রস্রাব সংক্রান্ত সমস্যা কমাতেও সহায়ক। তবে আখের রসে অবশ্যই বিট নুন ও লেবুর রস মিশিয়ে খেতে হবে। সকালে খালি পেটে খেলে খুব উপকার হতে পারে।
advertisement
8/10
যাঁরা প্রত্যেকদিন প্রচুর পরিমাণে মাছ-মাংস খান, তাঁদের ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে যাবার ঝুঁকি বেশি। মদ্যপান ও কার্বোনেটেড কোলা জাতীয় ঠাণ্ডা পানীয় নিয়ম করে খেলেও ইউরিক অ্যাসিড বাড়ে। স্বাভাবিকের থেকে বেশি ওজন হলেও ঝুঁকি থাকে। অনেকের ক্ষেত্রে এই সমস্যা কিছুটা বংশগত।
যাঁরা প্রত্যেকদিন প্রচুর পরিমাণে মাছ-মাংস খান, তাঁদের ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে যাবার ঝুঁকি বেশি। মদ্যপান ও কার্বোনেটেড কোলা জাতীয় ঠাণ্ডা পানীয় নিয়ম করে খেলেও ইউরিক অ্যাসিড বাড়ে। স্বাভাবিকের থেকে বেশি ওজন হলেও ঝুঁকি থাকে। অনেকের ক্ষেত্রে এই সমস্যা কিছুটা বংশগত।
advertisement
9/10
ইউরিক অ্যাসিড কমাতে কী কী খাওয়া বন্ধ করতে হবে? কৃত্রিম রং, চিনি বা কর্ন সিরাপ দেওয়া খাবার একেবারে বন্ধ করা উচিত। কোলা জাতীয় পানীয়, রং দেওয়া জেলি, জ্যাম, সিরাপ, কৌট বন্দি ফ্রুট জ্যুস খাওয়া চলবে না।
ইউরিক অ্যাসিড কমাতে কী কী খাওয়া বন্ধ করতে হবে? কৃত্রিম রং, চিনি বা কর্ন সিরাপ দেওয়া খাবার একেবারে বন্ধ করা উচিত। কোলা জাতীয় পানীয়, রং দেওয়া জেলি, জ্যাম, সিরাপ, কৌট বন্দি ফ্রুট জ্যুস খাওয়া চলবে না।
advertisement
10/10
স্মোকড ও ক্যানড ফুড খাওয়া চলবে না। আচার, চানাচুর, নোনা মাছ খাওয়া বন্ধ রাখতে হবে। পালং শাক, বিনস, বরবটি, রাজমা খেলে ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে যায়। পালং শাক, পুঁই শাক, মুসুর ডাল, বিউলি ডাল, মাটন, সমুদ্রের মাছ খাওয়া মানা। মাছ, চিকেন বা ডিম খাওয়া যায়। তবে সব মিলিয়ে দিনে ৫০ গ্রামের বেশি নয়। দিনে সাড়ে ৩ থেকে ৪ লিটার জল খান। ওজন স্বাভাবিক রাখতে সপ্তাহে ১৫০ মিনিট ব্যায়াম করুন। (Disclaimer: এই প্রতিবেদনটি কেবলমাত্র সাধারণ তথ্যের জন্য, তাই বিস্তারিত জানতে হলে সর্বদা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।)
স্মোকড ও ক্যানড ফুড খাওয়া চলবে না। আচার, চানাচুর, নোনা মাছ খাওয়া বন্ধ রাখতে হবে। পালং শাক, বিনস, বরবটি, রাজমা খেলে ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে যায়। পালং শাক, পুঁই শাক, মুসুর ডাল, বিউলি ডাল, মাটন, সমুদ্রের মাছ খাওয়া মানা। মাছ, চিকেন বা ডিম খাওয়া যায়। তবে সব মিলিয়ে দিনে ৫০ গ্রামের বেশি নয়। দিনে সাড়ে ৩ থেকে ৪ লিটার জল খান। ওজন স্বাভাবিক রাখতে সপ্তাহে ১৫০ মিনিট ব্যায়াম করুন। (Disclaimer: এই প্রতিবেদনটি কেবলমাত্র সাধারণ তথ্যের জন্য, তাই বিস্তারিত জানতে হলে সর্বদা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।)
advertisement
advertisement
advertisement