Safety Pin-এর নীচে এই ছোট্ট গোলাকার 'ছিদ্র' কেন থাকে জানেন...? চমকাবেন শুনলেই আসল 'কাজ'!
- Published by:Sanjukta Sarkar
Last Updated:
Safety Pin: সেফটি-পিন! আমাদের দৈনন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ আর একদম ছোট্ট একটা জিনিস হল এটি। কিন্তু এই ছোট্ট জিনিসটির ছোট্ট এই ছিদ্রটি কোনোদিন মন দিয়ে লক্ষ্য করে দেখেছেন কি? আচ্ছা বলুন তো সেফটি পিনের ঠিক নীচের এই ছিদ্রের আসল কাজটি কী? রোজ রোজ তো ব্যবহার করেন খুব এই সত্যিটা কি জানা আছে আদৌ?
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
এই ছোট ছিদ্রের রহস্য কী? সেফটি পিন তৈরি করার সময়, নীচের দিকে একটি তার দিয়ে পেঁচানো হয়। একে 'কয়েল' বলা হয়। এই কয়েল বা ছিদ্রটি একটি স্প্রিংয়ের মতো কাজ করে। এই স্প্রিং প্রক্রিয়াটি পিনের ডগাকে সমকোণে রাখে। যখন আমরা পিনটি টিপি, তখন এটিকে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় চাপ এই ছোট্ট ছিদ্র দ্বারা তৈরি হয়।
advertisement
সেফটি পিনের ইতিহাসও চমকে দেওয়া। সেফটি পিনের ব্যবহার আজ নতুন নয়। এর ইতিহাস হাজার হাজার বছর আগের। প্রাচীনকালে একে ল্যাটিন ভাষায় 'ফাইবুলা' বলা হত। ইতিহাসবিদরা বলেন যে ব্রোঞ্জ যুগে ইউরোপে কাপড় শরীরের সঙ্গে শক্ত করে ধরে রাখার জন্য এগুলো ব্যবহার করা হত। তবে, সেই সময়ে এগুলোর আকৃতি এখনকার মতো সহজ ছিল না।
advertisement
সেফটি পিনের ইতিহাসও চমকে দেওয়া। সেফটি পিনের ব্যবহার আজ নতুন নয়। এর ইতিহাস হাজার হাজার বছর আগের। প্রাচীনকালে একে ল্যাটিন ভাষায় 'ফাইবুলা' বলা হত। ইতিহাসবিদরা বলেন যে ব্রোঞ্জ যুগে ইউরোপে কাপড় শরীরের সঙ্গে শক্ত করে ধরে রাখার জন্য এগুলো ব্যবহার করা হত। তবে, সেই সময়ে এগুলোর আকৃতি এখনকার মতো সহজ ছিল না।
advertisement
advertisement
উত্তর ইউরোপে, প্রাথমিকভাবে দুটি পৃথক অংশ দিয়ে পিন তৈরি করা হত। তাদের একটি স্প্রিং ছিল না। কিন্তু মধ্য ইউরোপে, একটিমাত্র তার দিয়ে তৈরি স্প্রিং মেকানিজম-সহ পিন ব্যবহার করা হয়, যেমনটি আমরা আজ ব্যবহার করি। ওয়াল্টার হান্টের ডিজাইনটি মুহূর্তে সারা বিশ্বে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এবং পিনের ব্যবহার অনেক সহজ করে তোলে।
advertisement
জেনে নিশ্চই অবাক হচ্ছেন আপনার দৈনন্দিন জীবনে প্রায় প্রতিদিন ব্যবহার করা এই একটা ছোট্ট সেফটি পিনের পিছনে কত মজার ও চমকে দেওয়া কৌশল লুকিয়ে আছে। শুধু কাপড় ঠিক করার জন্যই নয়, জরুরি পরিস্থিতিতেও এই পিনটি অনেক কাজে লাগে। অর্থাৎ, পায়ে কাঁটা ফুটলে সেই কাঁটা বের করার জন্যও এটি ব্যবহার করা হয়। আমাদের চারপাশের অনেক জিনিসের মধ্যেই লুকিয়ে আছে এমন আকর্ষণীয় জিনিসটি যার মর্ম হয়ত এমনিতে আমরা বুঝে উঠতে পারি না।







