Immunity Booster Drink: ইমিউনিটি কি সত্যিই ‘বুস্ট’ করা যায়? হলুদ দুধ, জুস ও ভিটামিন ট্যাবলেট নিয়ে কী বলছেন বিশেষজ্ঞ
- Published by:Salmali Das
- news18 bangla
Last Updated:
Immunity Booster Drink: “ইমিউনিটি বুস্টার” লিখে অনলাইনে খুঁজলেই সামনে আসে নানা ঘরোয়া উপায়, ভিটামিন ট্যাবলেট আর চটকদার জুসের রেসিপি। সোশ্যাল মিডিয়ায় ওয়েলনেস ইনফ্লুয়েন্সারদের দাবি, এই পানীয়গুলোই নাকি শরীরকে দ্রুত সুরক্ষা দিতে সক্ষম।
“ইমিউনিটি বুস্টার” লিখে ইন্টারনেটে সার্চ করলেই চোখে পড়ে অসংখ্য ঘরোয়া টোটকা, ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট ও রঙিন জুসের রেসিপি। সোশ্যাল মিডিয়ায় ওয়েলনেস ইনফ্লুয়েন্সারদের দাবি—এই পানীয়েই মিলবে তাত্ক্ষণিক সুরক্ষা। কিন্তু সত্যিই কি এভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো যায়? ডাঃ যোগেশ ভালেচা, কনসালট্যান্ট–ইন্টারনাল মেডিসিন, মেদান্ত হাসপাতাল, জানাচ্ছেন, “ইমিউনিটি হল শরীরের সেই ক্ষমতা, যা ক্ষতিকর উপাদানকে শনাক্ত করে ও নির্মূল করে।”
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
হলুদ দুধ কতটা কার্যকর?ভারতে বহুদিন ধরে হলুদ দুধ সর্দি-কাশির ঘরোয়া প্রতিকার হিসেবে ব্যবহৃত হয়। হলুদের কারকিউমিনে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ও অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট গুণ রয়েছে, যা প্রদাহ কমাতে সাহায্য করতে পারে। তবে এটি সরাসরি অসুখ প্রতিরোধ করে—এমন প্রমাণ নেই। বিশেষজ্ঞদের মতে, কালো গোলমরিচের সঙ্গে হলুদ খেলে শরীরে কারকিউমিন শোষণ কিছুটা বাড়তে পারে।
advertisement
সকালের ‘ইমিউনিটি জুস’?আমলকি, বিট, লাউ বা করলার জুসে রয়েছে ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট। বিশেষ করে আমলকিতে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ। তবে এগুলি সরাসরি ইমিউন কোষ তৈরি করে না। বরং সামগ্রিক পুষ্টি উন্নত করে শরীরকে সুস্থ রাখে। ডা. ভ্যালেচা জানান, “পুরো ফল ও সবজি খাওয়াই ভালো, কারণ এতে ফাইবার থাকে, যা অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।”
advertisement
ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট—প্রয়োজন নাকি বাড়াবাড়ি?ভিটামিন সি, ডি ও জিঙ্ক ইমিউন সিস্টেমের জন্য জরুরি। তবে যাঁদের শরীরে ঘাটতি নেই, তাঁদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত সাপ্লিমেন্ট বিশেষ উপকার দেয় না। বরং অতিরিক্ত ভিটামিন সি পেটের সমস্যা, বেশি জিঙ্ক কপার শোষণে বাধা এবং অতিরিক্ত ভিটামিন ডি ক্যালসিয়ামের ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিয়মিত সাপ্লিমেন্ট গ্রহণের পরামর্শ দেন না বিশেষজ্ঞরা।
advertisement
advertisement
তাহলে কী সত্যিই কাজ করে?বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত ৭–৮ ঘণ্টা ঘুম, সুষম খাদ্যাভ্যাস, পর্যাপ্ত জলপান, মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ এবং নিয়মিত টিকাকরণ—এই ধারাবাহিক জীবনযাপনই ইমিউন সিস্টেমকে সুস্থ রাখার সবচেয়ে কার্যকর উপায়। “দ্রুত ফলের আশায় শর্টকাটের ওপর নির্ভর না করে, নিয়মিত স্বাস্থ্যকর অভ্যাসই আসল চাবিকাঠি,” বলেন ডা. (Disclaimer: এই প্রতিবেদনটি কেবলমাত্র সাধারণ তথ্যের জন্য, তাই বিস্তারিত জানতে হলে সর্বদা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।)







