advertisement

Ideal Weight By Age Chart: কত ওজন থাকলে আপনি 'পারফেক্ট'? বয়স অনুযায়ী আপনার ওজন বেশি না কম? দেখে নিন বিশেষজ্ঞের দেওয়া তালিকা

Last Updated:
Ideal Weight By Age Chart: সুস্থ থাকতে আদর্শ ওজন জানা জরুরি। BMI কীভাবে হিসাব করবেন, ভারতীয়দের স্বাভাবিক মান কত এবং বয়স অনুযায়ী পুরুষ-মহিলার ওজন কত হওয়া উচিত—জেনে নিন
1/16
আদর্শ ওজন কী? কোন বয়সে কত ওজন থাকা কাম্য? বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী প্রতিটি ব্যক্তির ক্ষেত্রে তাঁর বয়স অনুযায়ী কেমন ওজন থাকা উচিত তা মোটামুটি নির্ধারিত করা যায়। আপনার ওজন ঠিক কিনা জানতে নিম্নোক্ত এই তালিকায় চোখ রাখুন।
আদর্শ ওজন কী? কোন বয়সে কত ওজন থাকা কাম্য? বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী প্রতিটি ব্যক্তির ক্ষেত্রে তাঁর বয়স অনুযায়ী কেমন ওজন থাকা উচিত তা মোটামুটি নির্ধারিত করা যায়। আপনার ওজন ঠিক কিনা জানতে নিম্নোক্ত এই তালিকায় চোখ রাখুন।
advertisement
2/16
অতিরিক্ত ওজন শুধু শারীরিক নয় মানসিক চাপও বাড়ায়। অতিরিক্ত ওজনের কারণে অনেকেই স্বাভাবিক জীবন অতিবাহিত করতে পারেন না। বাড়ে রোগ-অসুস্থতাও। দৈনন্দিন জীবনে স্বাভাবিক কাজকর্মের জন্য শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অতিরিক্ত ওজন শুধু শারীরিক নয় মানসিক চাপও বাড়ায়। অতিরিক্ত ওজনের কারণে অনেকেই স্বাভাবিক জীবন অতিবাহিত করতে পারেন না। বাড়ে রোগ-অসুস্থতাও। দৈনন্দিন জীবনে স্বাভাবিক কাজকর্মের জন্য শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
advertisement
3/16
চিকিৎসক থেকে সাধারণ মানুষ আমরা সকলেই কম বেশি জানি যে শরীরে মেদ জমা ভাল নয়। এখন প্রশ্ন হচ্ছে কোন বয়সে কী রকম ওজন থাকা উচিত? তাই সুস্থ জীবনযাপনের জন্য প্রত্যেকরই একটি নির্দিষ্ট শারীরিক ওজন বজায় রাখা দরকার।
চিকিৎসক থেকে সাধারণ মানুষ আমরা সকলেই কম বেশি জানি যে শরীরে মেদ জমা ভাল নয়। এখন প্রশ্ন হচ্ছে কোন বয়সে কী রকম ওজন থাকা উচিত? তাই সুস্থ জীবনযাপনের জন্য প্রত্যেকরই একটি নির্দিষ্ট শারীরিক ওজন বজায় রাখা দরকার।
advertisement
4/16
আজকের এই প্রতিবেদনে জেনে নেওয়া যাক বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী প্রতিটি ব্যক্তির ক্ষেত্রে তাঁর বয়স অনুযায়ী কেমন ওজন থাকা কাম্য।
আজকের এই প্রতিবেদনে জেনে নেওয়া যাক বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী প্রতিটি ব্যক্তির ক্ষেত্রে তাঁর বয়স অনুযায়ী কেমন ওজন থাকা কাম্য।
advertisement
5/16
আমাদের দেহের ওজন কত হওয়া উচিত, তার কয়েকটি মাত্রা রয়েছে। কোনও ব্যক্তির ওজন ও উচ্চতাকে ব্যবহার করে এই মাত্রা নির্ধারিত হয়। ফলে জানা যায় যে প্রয়োজনের তুলনায় তার ওজন কম নাকি বেশি?
আমাদের দেহের ওজন কত হওয়া উচিত, তার কয়েকটি মাত্রা রয়েছে। কোনও ব্যক্তির ওজন ও উচ্চতাকে ব্যবহার করে এই মাত্রা নির্ধারিত হয়। ফলে জানা যায় যে প্রয়োজনের তুলনায় তার ওজন কম নাকি বেশি?
advertisement
6/16
সহজ ভাষায় বিএমআই নির্ধারণের অঙ্কটা হল- শরীরের ওজনকে (কেজি) উচ্চতার (মিটার) বর্গফল দিয়ে ভাগ করা। অর্থাৎ কারও ওজন ৮০ কেজি হলে এবং উচ্চতা ১.৮ মিটার (৬ ফুট) হলে ওই ব্যক্তির বিএমআই হবে ২৪.৭। সাধারণত এক্ষেত্রে ১৮-২৫ কে আদর্শ মাত্রা ধরা হয়।
সহজ ভাষায় বিএমআই নির্ধারণের অঙ্কটা হল- শরীরের ওজনকে (কেজি) উচ্চতার (মিটার) বর্গফল দিয়ে ভাগ করা। অর্থাৎ কারও ওজন ৮০ কেজি হলে এবং উচ্চতা ১.৮ মিটার (৬ ফুট) হলে ওই ব্যক্তির বিএমআই হবে ২৪.৭। সাধারণত এক্ষেত্রে ১৮-২৫ কে আদর্শ মাত্রা ধরা হয়।
advertisement
7/16
২৫-৩০ মানে ওজন বেশি এবং ৩০ এর বেশি মানে খুব মোটা ধরা হয়। অর্থাৎ বড়দের ক্ষেত্রে বিভিন্ন বয়সে দেহের ওজন এই বিএমআই অনুযায়ী হওয়া উচিত।
২৫-৩০ মানে ওজন বেশি এবং ৩০ এর বেশি মানে খুব মোটা ধরা হয়। অর্থাৎ বড়দের ক্ষেত্রে বিভিন্ন বয়সে দেহের ওজন এই বিএমআই অনুযায়ী হওয়া উচিত।
advertisement
8/16
ব্যতিক্রম ভারতীয়রা : উপরের আন্তর্জাতিক বিএমআই মানদণ্ডটা মূলত পাশ্চাত্যের কথা মাথায় রেখে তৈরি। এশিয়দের ক্ষেত্রে কিন্তু এর কিছু পরিবর্তন করা হয়েছে। কারণ পাশ্চাত্য সমাজের তুলনায় অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আমাদের উচ্চতা কম হয়, শরীরে পেশির পরিমাণ কম থাকে ও মেদ বেশি থাকে। আমাদের দেশের ক্ষেত্রে বিএমআই ২৩ এর বেশি হলে তার ওজন বেশি ধরা হয়। আর সেটা ২৫ এর বেশি হলে তাকে ‘ওবিস’ বলা হয়।
ব্যতিক্রম ভারতীয়রা : উপরের আন্তর্জাতিক বিএমআই মানদণ্ডটা মূলত পাশ্চাত্যের কথা মাথায় রেখে তৈরি। এশিয়দের ক্ষেত্রে কিন্তু এর কিছু পরিবর্তন করা হয়েছে। কারণ পাশ্চাত্য সমাজের তুলনায় অধিকাংশ ক্ষেত্রেই আমাদের উচ্চতা কম হয়, শরীরে পেশির পরিমাণ কম থাকে ও মেদ বেশি থাকে। আমাদের দেশের ক্ষেত্রে বিএমআই ২৩ এর বেশি হলে তার ওজন বেশি ধরা হয়। আর সেটা ২৫ এর বেশি হলে তাকে ‘ওবিস’ বলা হয়।
advertisement
9/16
বয়স অনুযায়ী ওজনএক কথায় এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়া কঠিন। কারণ বয়স, উচ্চতা, পুষ্টি, দেহের গড়ন ও আরও বিভিন্ন ফ্যাক্টরের উপর কোনও ব্যক্তির ওজন নির্ভর করে। সাধারণত মধ্য বয়স থেকে আমাদের ওজন বাড়তে থাকে। সেটা যাতে না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। যেকোনও বয়সে দেহের ওজনকে স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করতে হবে। আদর্শ ওজনের ধারণার জন্য বিএমআই-এর সাহায্য নেয়া যেতে পারে।
বয়স অনুযায়ী ওজনএক কথায় এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়া কঠিন। কারণ বয়স, উচ্চতা, পুষ্টি, দেহের গড়ন ও আরও বিভিন্ন ফ্যাক্টরের উপর কোনও ব্যক্তির ওজন নির্ভর করে। সাধারণত মধ্য বয়স থেকে আমাদের ওজন বাড়তে থাকে। সেটা যাতে না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। যেকোনও বয়সে দেহের ওজনকে স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করতে হবে। আদর্শ ওজনের ধারণার জন্য বিএমআই-এর সাহায্য নেয়া যেতে পারে।
advertisement
10/16
বয়স পুরুষ মহিলানবজাতক ৩.৩ কেজি ৩.৩ কেজি ২ থেকে ৫ মাস ৬ কেজি ৫.৪ কেজি ৬ থেকে ৮ মাস ৭.২ কেজি ৬.৫ কেজি
বয়স পুরুষ মহিলানবজাতক ৩.৩ কেজি ৩.৩ কেজি ২ থেকে ৫ মাস ৬ কেজি ৫.৪ কেজি ৬ থেকে ৮ মাস ৭.২ কেজি ৬.৫ কেজি
advertisement
11/16
৬ থেকে ৮ বছর ১৪- ১৮.৭ কেজি ১৪-১৭ কেজি৯ থেকে ১১ বছর ২৮- ৩১ কেজি ২৮- ৩১ কেজি ১২ থেকে ১৪ বছর ৩২- ৩৮ কেজি ৩২- ৩৬ কেজি ১৫ থেকে ২০ বছর ৪০-৫০ কেজি ৪৫ কেজি ২১ থেকে ৩০ বছর ৬০-৭০ কেজি ৫০-৬০ কেজি
৬ থেকে ৮ বছর ১৪- ১৮.৭ কেজি ১৪-১৭ কেজি৯ থেকে ১১ বছর ২৮- ৩১ কেজি ২৮- ৩১ কেজি ১২ থেকে ১৪ বছর ৩২- ৩৮ কেজি ৩২- ৩৬ কেজি ১৫ থেকে ২০ বছর ৪০-৫০ কেজি ৪৫ কেজি ২১ থেকে ৩০ বছর ৬০-৭০ কেজি ৫০-৬০ কেজি
advertisement
12/16
৩১ থেকে ৪০ বছর ৫৯-৭৫ কেজি ৫০-৬০কেজি৪১ থেকে ৫০ বছর ৬০-৭০ কেজি ৫৯- ৬৩ কেজি ৫১ থেকে ৬০ বছর ৬০-৭০ কেজি ৫৯-৬৩ কেজি
৩১ থেকে ৪০ বছর ৫৯-৭৫ কেজি ৫০-৬০কেজি৪১ থেকে ৫০ বছর ৬০-৭০ কেজি ৫৯- ৬৩ কেজি ৫১ থেকে ৬০ বছর ৬০-৭০ কেজি ৫৯-৬৩ কেজি
advertisement
13/16
মাত্রাতিরিক্ত ওজন কমানোর বিপদ: ওজন কমাতে অনেকেই কঠোর ডায়েট মেনে চলেন। এক্ষেত্রে সাময়িকভাবে ওজন কমে। কারণ খাবার কম খেলে পেশির গ্লাইকোজেন ভাঙতে শুরু করে। কিন্তু কিছুদিন পর আবার ওজন বাড়তে পারে। এইভাবে ওজন কমালে, শরীর কিন্তু তখন দেহের মেটাবলিজমের গতি কমিয়ে দেয়। ফলে মাসল লস বাড়তে থাকে, কিন্তু ফ্যাট থেকেই যায়।
মাত্রাতিরিক্ত ওজন কমানোর বিপদ: ওজন কমাতে অনেকেই কঠোর ডায়েট মেনে চলেন। এক্ষেত্রে সাময়িকভাবে ওজন কমে। কারণ খাবার কম খেলে পেশির গ্লাইকোজেন ভাঙতে শুরু করে। কিন্তু কিছুদিন পর আবার ওজন বাড়তে পারে। এইভাবে ওজন কমালে, শরীর কিন্তু তখন দেহের মেটাবলিজমের গতি কমিয়ে দেয়। ফলে মাসল লস বাড়তে থাকে, কিন্তু ফ্যাট থেকেই যায়।
advertisement
14/16
মাত্রাতিরিক্ত ওজন কমানোর বিপদ: ওজন কমাতে অনেকেই কঠোর ডায়েট মেনে চলেন। এক্ষেত্রে সাময়িকভাবে ওজন কমে। কারণ খাবার কম খেলে পেশির গ্লাইকোজেন ভাঙতে শুরু করে। কিন্তু কিছুদিন পর আবার ওজন বাড়তে পারে। এইভাবে ওজন কমালে, শরীর কিন্তু তখন দেহের মেটাবলিজমের গতি কমিয়ে দেয়। ফলে মাসল লস বাড়তে থাকে, কিন্তু ফ্যাট থেকেই যায়।
মাত্রাতিরিক্ত ওজন কমানোর বিপদ: ওজন কমাতে অনেকেই কঠোর ডায়েট মেনে চলেন। এক্ষেত্রে সাময়িকভাবে ওজন কমে। কারণ খাবার কম খেলে পেশির গ্লাইকোজেন ভাঙতে শুরু করে। কিন্তু কিছুদিন পর আবার ওজন বাড়তে পারে। এইভাবে ওজন কমালে, শরীর কিন্তু তখন দেহের মেটাবলিজমের গতি কমিয়ে দেয়। ফলে মাসল লস বাড়তে থাকে, কিন্তু ফ্যাট থেকেই যায়।
advertisement
15/16
কখন ওজন মাপবেন? প্রাতঃকৃত্য করার পর খালি পেটে ওজন মাপার চেষ্টা করতে হবে। প্রতিদিন ওজন না মেপে সপ্তাহে একবার অন্তত ওজন মাপা উচিত। এক্ষেত্রে পার্থক্যটা সহজেই চোখে পড়ে। পাশাপাশি সাপ্তাহিক ওজন লিখে রাখলে প্রতি মাসে কতটা ওজন কমছে সেই সম্পর্কেও একটা ধারণা পাওয়া যায়।
কখন ওজন মাপবেন? প্রাতঃকৃত্য করার পর খালি পেটে ওজন মাপার চেষ্টা করতে হবে। প্রতিদিন ওজন না মেপে সপ্তাহে একবার অন্তত ওজন মাপা উচিত। এক্ষেত্রে পার্থক্যটা সহজেই চোখে পড়ে। পাশাপাশি সাপ্তাহিক ওজন লিখে রাখলে প্রতি মাসে কতটা ওজন কমছে সেই সম্পর্কেও একটা ধারণা পাওয়া যায়।
advertisement
advertisement
advertisement