ফেলে দেবেন না পুজোর ফুল! ঘরে বসেই তৈরি করুন দেশি ধূপবাতি, মন মাতানো ঘ্রাণে ভরবে ঘর
- Published by:Soumendu Chakraborty
- local18
Last Updated:
Natural Incense Stick Making Tips: বাড়ি ও মন্দিরে পুজোর পর অর্পণ করা ফুল এখন আর আবর্জনা হয়ে থাকবে না। এই ফুল দিয়েই ঘরে বসে তৈরি করা যায় প্রাকৃতিক ও সুগন্ধি ধূপবাতি। এই পদ্ধতি একদিকে যেমন ধর্মীয় আস্থার সম্মান বজায় রাখে, তেমনই পরিবেশ সংরক্ষণেও উৎসাহ জোগায়।
ফুল দিয়ে তৈরি ধূপবাতি রাসায়নিকমুক্ত এবং স্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ বলে মনে করা হয়। অনেক জায়গায় নারীরা এটিকে স্বনির্ভর রোজগারের মাধ্যম হিসেবে গ্রহণ করে আর্থিকভাবে আত্মনির্ভর হয়ে উঠছেন।
বাড়িতে প্রতিদিন ভগবানকে অর্পণ করা ফুলগুলো প্রায়ই পুজর পর আবর্জনায় ফেলে দেওয়া হয়। এতে একদিকে যেমন ফুলের অপচয় হয়, তেমনই ধর্মীয় অনুভূতিতেও আঘাত লাগে। এখন আর এই ফুল ফেলার প্রয়োজন নেই, কারণ এগুলো দিয়েই ঘরে বসে তৈরি করা যায় সুগন্ধি ধূপবাতি। এই পদ্ধতিটি শুধু সহজই নয়, বরং পরিবেশের পক্ষেও উপকারী। পুজোর শুকনো ফুল ভালো করে শুকিয়ে, গুঁড়ো করে তাতে প্রাকৃতিক উপাদান মিশিয়ে ধূপবাতি বানানো যায়। এতে ঘরে ইতিবাচক শক্তি বজায় থাকে এবং একই সঙ্গে আস্থারও সম্মান রক্ষা হয়।
advertisement
দেশি পদ্ধতি গ্রহণ করে মানুষ পরিবেশের প্রতি নিজেদের সচেতনতাও প্রকাশ করছেন। মন্দির ও বাড়ি থেকে বের হওয়া ফুল সম্পূর্ণভাবে জৈবিক, সঠিকভাবে ব্যবহার করা হলে এগুলো একেবারেই অপচয় হয় না। এই ফুল দিয়েই তৈরি ধূপবাতি প্রাকৃতিক সুগন্ধে ভরপুর হয়। এই ধূপবাতি শুধু পরিবেশ বিশুদ্ধ করেই না, বরং স্বাস্থ্যের জন্যও নিরাপদ বলে মনে করা হয়। বাজারে পাওয়া রাসায়নিকযুক্ত আগরবাতির তুলনায় ফুল দিয়ে তৈরি ধূপবাতি কম ক্ষতিকর এবং একই সঙ্গে ধর্মীয় আস্থার মর্যাদাও বজায় রাখে।
advertisement
ধূপবাতি বানানোর জন্য প্রথমে পুজোয় অর্পণ করা ফুলগুলো সংগ্রহ করা হয়। এরপর সেগুলো ২–৩ দিন ছায়ায় শুকিয়ে নেওয়া হয়, যাতে ফুলের ভেতরের আর্দ্রতা পুরোপুরি দূর হয়ে যায়। ফুল ভালোভাবে শুকিয়ে গেলে হাত দিয়ে মিক্সারে হালকা দানাদার করে গুঁড়ো করা হয়। এতে ফুলের পাউডার তৈরি হয়। খেয়াল রাখবেন, পাউডার যেন খুব বেশি মিহি না হয়, কারণ এতে ধূপবাতি জ্বালানোর সময় সঠিকভাবে সুগন্ধ ও ধোঁয়া বের হতে সাহায্য করে।
advertisement
এবার প্রস্তুত করা ফুলের গুঁড়োর সঙ্গে অল্প শুকনো গোবরের গুঁড়ো বা কাঠের গুঁড়ো মেশানো হয়। এরপর এতে গাম (আঠা) বা গমের আটা যোগ করে অল্প অল্প করে জল দিয়ে ঘন মিশ্রণ তৈরি করা হয়। এই মিশ্রণটাই ধূপবাতির মূল ভিত্তি। সুগন্ধ আরও ভালো করতে এতে কর্পূর, লবঙ্গের গুঁড়ো বা চন্দনের গুঁড়ো মেশানো যেতে পারে। সব উপকরণ ভালোভাবে মিশিয়ে নিলে ধূপবাতি তৈরির জন্য মিশ্রণটি পুরোপুরি প্রস্তুত হয়ে যায়।
advertisement
প্রস্তুত মিশ্রণ থেকে হাতের সাহায্যে ছোট ছোট বাটি বা গোল আকারের ধূপের লাড্ডু বানানো হয়। এরপর সেগুলো কোনো পরিষ্কার জায়গায় ৩–৪ দিন ছায়ায় শুকিয়ে নিতে হয়, যাতে ভেতরের আর্দ্রতা পুরোপুরি দূর হয়ে যায়। ধূপবাতি ভালোভাবে শুকিয়ে গেলে সেগুলো সহজেই জ্বালিয়ে ব্যবহার করা যায়। এই ধূপবাতি ধীরে ধীরে জ্বলে এবং ঘরে ছড়িয়ে দেয় হালকা, প্রাকৃতিক ও মনকে শান্ত করা সুগন্ধ, যা পূজা ও ধ্যানের জন্য অত্যন্ত উপযোগী।
advertisement
स्थानीय स्तर पर कई महिलाएं इस कार्य को स्वरोज़गार के रूप में अपनाकर अपनी आमदनी बढ़ा रही हैं. स्वयं सहायता समूहों के माध्यम से पूजा में चढ़ाए गए फूलों से धूपबत्ती और अगरबत्ती तैयार कर उन्हें स्थानीय बाजारों और मेलों में बेचा जा रहा है. इससे एक ओर जैविक कचरे का सही उपयोग हो रहा है और पर्यावरण संरक्षण को बढ़ावा मिल रहा है, वहीं दूसरी ओर महिलाओं को घर बैठे रोजगार मिल रहा है. यह पहल महिलाओं को आर्थिक रूप से आत्मनिर्भर बनाने में अहम भूमिका निभा रही है.
advertisement
পুজোয় অর্পণ করা ফুল ফেলে না দিয়ে সঠিকভাবে ব্যবহার করলে তা এক ধরনের ইতিবাচক ও ভালো অভ্যাসে পরিণত হতে পারে। এতে একদিকে যেমন ধর্মীয় অনুভূতির সম্মান বজায় থাকে, তেমনই অপ্রয়োজনীয় আবর্জনাও বাড়ে না। ফুল দিয়ে ধূপবাতি বা অন্যান্য উপযোগী জিনিস তৈরি করে পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা যায়। এই পদ্ধতি পরিবেশ সংরক্ষণের বার্তা দেয় এবং জৈব বর্জ্যের সঠিক ব্যবস্থাপনায় সাহায্য করে। পাশাপাশি এটি আত্মনির্ভরতা ও সচেতন জীবনযাপনকেও উৎসাহিত করে।






