advertisement

Healthy Lifestyle: অল্পেই ধৈর্য হারিয়ে ফেলেন? একসঙ্গে অনেক কিছুর ভাবনা আসে? রইল ধৈর্য বাড়ানোর মোক্ষম কৌশল

Last Updated:
Healthy Lifestyle: জীবনের পথ চলতে গিয়ে নানান রকমের সমস্যা আসবে সেই সমস্যা হয়তো আপনার ধৈর্য থাকবে না কিন্তু এরকম পরিস্থিতিতে ধৈর্য হারালে চলবে না। মূলত ধৈর্য হল অপেক্ষা করা আপনি যদি কোন কিছু নিয়ে বিরক্ত বা হতাশ হয়ে থাকেন, তাহলে সময় দিন।
1/6
*অল্পে ধৈর্য হারিয়ে ফেলছেন? কিছু কিছু সময় ধৈর্য ধারণা করা বেশ কঠিন হয়ে যায়। কেউ জন্ম থেকে ধৈর্যশীল, আবার কারও কারও ধৈর্য একদম কম থাকে। অল্পে ধৈর্য হারিয়ে যায় জীবনে অনেক প্রতিকূলতা আসবে। তাই অধৈর্য হলে চলবে না। তাই কীভাবে নিজের ধৈর্য বাড়ানো যায় জেনে নিন...
*অল্পে ধৈর্য হারিয়ে ফেলছেন? কিছু কিছু সময় ধৈর্য ধারণা করা বেশ কঠিন হয়ে যায়। কেউ জন্ম থেকে ধৈর্যশীল, আবার কারও কারও ধৈর্য একদম কম থাকে। অল্পে ধৈর্য হারিয়ে যায় জীবনে অনেক প্রতিকূলতা আসবে। তাই অধৈর্য হলে চলবে না। তাই কীভাবে নিজের ধৈর্য বাড়ানো যায় জেনে নিন...
advertisement
2/6
*জীবনে পথ চলতে গিয়ে নানা রকমের সমস্যা আসবে, সেই সমস্যা দেখা দিলে হয়তো আপনার ধৈর্য থাকবে না। কিন্তু এরকম পরিস্থিতিতে ধৈর্য হারালে চলবে না। মূলত ধৈর্য হল অপেক্ষা করা। আপনি যদি কোনও কিছু নিয়ে বিরক্ত বা হতাশ হয়ে থাকেন তাহলে সময় দিন, হাল ছাড়বেন না। আর ছোটখাটো বিষয় নিয়ে ভেঙে পড়া যাবে না। নিজেকে বোঝান নিজের সঙ্গে কথা বলুন আর নিজেকে ইগো থেকে সরিয়ে রাখুন এবং মানসিকভাবে স্বস্তি পাবে জানাচ্ছেন বিশিষ্ট মনোবিদ দিব্যেন্দু নস্কর।
*জীবনে পথ চলতে গিয়ে নানা রকমের সমস্যা আসবে, সেই সমস্যা দেখা দিলে হয়তো আপনার ধৈর্য থাকবে না। কিন্তু এরকম পরিস্থিতিতে ধৈর্য হারালে চলবে না। মূলত ধৈর্য হল অপেক্ষা করা। আপনি যদি কোনও কিছু নিয়ে বিরক্ত বা হতাশ হয়ে থাকেন তাহলে সময় দিন, হাল ছাড়বেন না। আর ছোটখাটো বিষয় নিয়ে ভেঙে পড়া যাবে না। নিজেকে বোঝান নিজের সঙ্গে কথা বলুন আর নিজেকে ইগো থেকে সরিয়ে রাখুন এবং মানসিকভাবে স্বস্তি পাবে জানাচ্ছেন বিশিষ্ট মনোবিদ দিব্যেন্দু নস্কর।
advertisement
3/6
*কোনও কিছু নিয়ে কথা বলার সময় আর একজনের কথা শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। আমরা অনেকেই আরেকজনের কথা শেষ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে চাই না, নিজেরটা আগে বলতে চাই। এখানে কিন্তু আপনার ধৈর্যশীলতার পরিচয় দিচ্ছেন না, অন্যের কথা শোনার চেষ্টা করুন। বিষয় যাই হোক না কেন, সে কী বলছে তা বোঝার চেষ্টা করুন। ধৈর্য বৃদ্ধি করার এটা আরও একটি সহজ উপায় হল ভাল শ্রোতা হওয়া।
*কোনও কিছু নিয়ে কথা বলার সময় আর একজনের কথা শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। আমরা অনেকেই আরেকজনের কথা শেষ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে চাই না, নিজেরটা আগে বলতে চাই। এখানে কিন্তু আপনার ধৈর্যশীলতার পরিচয় দিচ্ছেন না, অন্যের কথা শোনার চেষ্টা করুন। বিষয় যাই হোক না কেন, সে কী বলছে তা বোঝার চেষ্টা করুন। ধৈর্য বৃদ্ধি করার এটা আরও একটি সহজ উপায় হল ভাল শ্রোতা হওয়া।
advertisement
4/6
*সব সময় নিজে চেষ্টা করুন কোনও কিছু কথা বলা বা কোনও কিছু ভাবনা নোট করে রাখুন। এটি আপনাকে কাজে ফোকাস বাড়াতে সাহায্য করবে। আপনাকে আরও স্থির হতে সাহায্য করবে। আপনি যদি নিয়মিত ডাইরিতে লিখতে পারেন সেখানে সারা দিনের কাজের কথা বা ছোট গল্প, তা আপনার ধৈর্য বাড়াতে অনেকটাই সাহায্য করবে।
*সব সময় নিজে চেষ্টা করুন কোনও কিছু কথা বলা বা কোনও কিছু ভাবনা নোট করে রাখুন। এটি আপনাকে কাজে ফোকাস বাড়াতে সাহায্য করবে। আপনাকে আরও স্থির হতে সাহায্য করবে। আপনি যদি নিয়মিত ডাইরিতে লিখতে পারেন সেখানে সারা দিনের কাজের কথা বা ছোট গল্প, তা আপনার ধৈর্য বাড়াতে অনেকটাই সাহায্য করবে।
advertisement
5/6
*কোনও কিছু বিষয় নিয়ে নিজে একদম অধৈর্য না হয়ে নিজে আরও একবার ভাবুন। অন্যের প্রতি প্রতিক্রিয়া দেখানোর আগে নিজে একবার চিন্তা করুন, তার জায়গায় আপনি থাকলে কী করতেন, এভাবে ভাবলে কিন্তু অনেক সময় জটিল সমস্যার সমাধান হয়ে যায় খুব সহজে, তাই নিজে আরও একটু সহানুভূতিশীল হন।
*কোনও কিছু বিষয় নিয়ে নিজে একদম অধৈর্য না হয়ে নিজে আরও একবার ভাবুন। অন্যের প্রতি প্রতিক্রিয়া দেখানোর আগে নিজে একবার চিন্তা করুন, তার জায়গায় আপনি থাকলে কী করতেন, এভাবে ভাবলে কিন্তু অনেক সময় জটিল সমস্যার সমাধান হয়ে যায় খুব সহজে, তাই নিজে আরও একটু সহানুভূতিশীল হন।
advertisement
6/6
*আরও একটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে, সব সময় আপনি একসঙ্গে অনেকগুলি কাজ নিয়ে থাকলে তখন দেখবেন আপনি অধৈর্য হয়ে পড়বেন। তাই একের অধিক কাজে মনোযোগ দিলে আপনি কোন কাজই ঠিকভাবে শেষ করতে পারবেন না। অন্য কাজের চিন্তা অস্থির হয়ে পড়বেন। তাই একসঙ্গে একের বেশি কাজ করা থেকে বিরতি থাকুন এবং একটি কাজ শেষ হলে আরও একটি কাজে মনোযোগ দিন। তাই আপনি চাইলেই আপনি নিজের সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন, আর এতে ধৈর্য বাড়বে।
*আরও একটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে, সব সময় আপনি একসঙ্গে অনেকগুলি কাজ নিয়ে থাকলে তখন দেখবেন আপনি অধৈর্য হয়ে পড়বেন। তাই একের অধিক কাজে মনোযোগ দিলে আপনি কোন কাজই ঠিকভাবে শেষ করতে পারবেন না। অন্য কাজের চিন্তা অস্থির হয়ে পড়বেন। তাই একসঙ্গে একের বেশি কাজ করা থেকে বিরতি থাকুন এবং একটি কাজ শেষ হলে আরও একটি কাজে মনোযোগ দিন। তাই আপনি চাইলেই আপনি নিজের সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন, আর এতে ধৈর্য বাড়বে।
advertisement
advertisement
advertisement