Greeting Cards: ভাঁজের মাঝে রাখা গোলাপ শুকিয়েছে কবেই...স্মার্টফোনের দৌরাত্ম্যে অতীতের হৃদস্পন্দন গ্রিটিংস কার্ড আজ ধূসর স্মৃতি
- Reported by:Sayani Sarkar
- hyperlocal
- Written by:Bangla Digital Desk
Last Updated:
Greeting Cards: হয়তো এটাই বিবর্তন।সময়ের চাকা ঘুরছে আপন গতিতে,আর তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বদলে যাচ্ছে আমাদের অভ্যাস। একসময় যে আর্চিস গ্যালারি ছিল তরুণ হৃদয়ের স্পন্দন, আজ তা কেবলই এক ধূসর স্মৃতি।
advertisement
advertisement
সবাই যেন আজ বন্দি হয়ে গেছে মুঠোফোনে। সোশ্যাল মিডিয়ার বিভিন্ন ট্রেন্ডে হারিয়ে যাচ্ছে সেই পুরনো আবেগ।সেখানেই সেরে নেন শুভেচ্ছা বিনিময় থেকে মনের আদান-প্রদান। বর্তমান প্রজন্মের অনেকেই প্রায় জানেনা দোকানে দাঁড়িয়ে পছন্দ করে প্রিয় মানুষের জন্য কার্ড কেনা আর তাতে নিজের মনের কথা লিখে দেওয়ার আনন্দ।
advertisement
আগে ভ্যালেন্টাইন্স ডে হোক বা বছরের শেষ বিশেষ দিনগুলিতে প্রতিটি দোকানের বাইরেই প্রায় দেখা যেত গিটিংস কার্ড বিক্রির হিরিক। কিন্তু বর্তমানে আর সেভাবে নেই চাহিদা তাই ধীরে ধীরে কমেছে কার্ডের দোকানের সংখ্যাও। বর্ধমানে কয়েকটি দোকানে বছরের শেষে অথবা শুরুতে কার্ড বিক্রি করলেও ফাঁকা দোকান বিক্রি প্রায় নেই বললেই চলে।
advertisement
কার্ড বিক্রেতা নিমাই চন্দ্র সেন, আগে বছরের শেষে বা শুরুতে প্রচুর ভিড় হত, ছোট থেকে বড় সকলেই ভিড় জমাতেন দোকানে। বিশেষ করে ভ্যালেন্টাইন্স ডে-র সময় কার্ডের চাহিদা থাকতো তুঙ্গে। কিন্তু এখন বিক্রি প্রায় নেই বললেই চলে। দু-একজন আসেন হয়ত কার্ড কিনতে। সামনের বছর হয়ত সেটা আর থাকবে না। এখন সবাই স্মার্ট ফোনে আটকে গেছে।
advertisement
advertisement
হয়তো এটাই বিবর্তন। হাতে লিখে মনের কথা জানানো,কার্ডের ভেতর লুকিয়ে রাখা গোলাপের পাপড়ি, আর প্রিয় মানুষের দেওয়া সেই রঙিন কাগজের গন্ধ সবই আজ ডিজিটাল স্ক্রিনে আর ইমোজিতে বন্দী। মুঠোফোনের এক ক্লিকে শুভেচ্ছা পাঠানো হয়ত অনেক বেশি সহজ এবং দ্রুত, কিন্তু সেই কার্ড বেছে নেওয়ায় যে গভীর আবেগ মিশে ছিল, তা আজ প্রায় হারিয়ে গেছে।সময়ের চাকা ঘুরছে আপন গতিতে,আর তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বদলে যাচ্ছে আমাদের অভ্যাস। একসময় যে আর্চিস গ্যালারি ছিল তরুণ হৃদয়ের স্পন্দন, আজ তা কেবলই এক ধূসর স্মৃতি। (ছবি ও তথ্য: সায়নী সরকার)






