advertisement

Fish: 'ফ্রি'-তে পেলেও এই মাছ খাবেন না, পেটে জমবে পারদ, ফুটো হবে পাকস্থলী, হতে পারে ক্যানসার, আলসার, প্যারালিসিস-ও

Last Updated:
মাছ খাওয়ার উপকারিতা যেমন অঢেল, তেমনি এমন মাছ-ও আছে যা শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। বাজারে পাওয়া যায় এমন কয়েকটি মাছ যে-গুলিতে খুব বেশি পরিমাণে পারদ থাকে। ফলে, সেই মাছগুলি খেলে পেটে পারদ জমা হতে থাকে, যার থেকে দেখা দেয় একাধিক গুরুতর রোগ
1/14
কথায় বলে, মাছে-ভাতে বাঙালি। ভাতের সঙ্গে এক টুকরো মাছ পেলেই মুখে হাসি! দু'বেলাই পাতে মাছ থাকলে তো কথাই নেই! ডিম-মাংস ফেলে বাঙালি মাছের দিকে ঝোঁকে! মাছ হরেক রকমের। মিষ্টি জলের, সমুদ্রের, নদী কিংবা পুকুরের। মাছ যে শুধু সুস্বাদু তাই নয়, মাছ শরীরের জন্য উপকারীও বটে। তবে মাথায় রাখবেন, সব মাছ কিন্তু স্বাস্থ্যের জন্য ভাল নয়।
কথায় বলে, মাছে-ভাতে বাঙালি। ভাতের সঙ্গে এক টুকরো মাছ পেলেই মুখে হাসি! দু'বেলাই পাতে মাছ থাকলে তো কথাই নেই! ডিম-মাংস ফেলে বাঙালি মাছের দিকে ঝোঁকে! মাছ হরেক রকমের। মিষ্টি জলের, সমুদ্রের, নদী কিংবা পুকুরের। মাছ যে শুধু সুস্বাদু তাই নয়, মাছ শরীরের জন্য উপকারীও বটে। তবে মাথায় রাখবেন, সব মাছ কিন্তু স্বাস্থ্যের জন্য ভাল নয়।
advertisement
2/14
মাছের উৎস, চর্বির পরিমাণ ও আঁশ অনুযায়ী মাছকে নানা প্রকারে ভাগ করা যায়। যেমন, রুই, কাতলা, কই, পুঁটি মিষ্টিজলের মাছ। অন্যদিকে রূপচাঁদা, লইট্টা, ভেটকি, ইলিশ নোনাজলের মাছ। কম চর্বিযুক্ত মাচের মধ্যে রয়েছে মাগুর, টাকি, শিং। বেশি চর্বিযুক্ত মাছের মধ্যে রয়েছে পাঙাশ, চিতল, ভেটকি, ইলিশ।
মাছের উৎস, চর্বির পরিমাণ ও আঁশ অনুযায়ী মাছকে নানা প্রকারে ভাগ করা যায়। যেমন, রুই, কাতলা, কই, পুঁটি মিষ্টিজলের মাছ। অন্যদিকে রূপচাঁদা, লইট্টা, ভেটকি, ইলিশ নোনাজলের মাছ। কম চর্বিযুক্ত মাচের মধ্যে রয়েছে মাগুর, টাকি, শিং। বেশি চর্বিযুক্ত মাছের মধ্যে রয়েছে পাঙাশ, চিতল, ভেটকি, ইলিশ।
advertisement
3/14
মাছ খাওয়ার উপকারিতা যেমন অঢেল, তেমনি এমন মাছ-ও আছে যা শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। বাজারে পাওয়া যায় এমন কয়েকটি মাছ যে-গুলিতে খুব বেশি পরিমাণে পারদ থাকে। ফলে, সেই মাছগুলি খেলে পেটে পারদ জমা হতে থাকে, যার থেকে দেখা দেয় একাধিক গুরুতর রোগ। পাশাপাশি, বাড়ায় হার্টের অসুখ, কোলেস্টেরল, ক্যানসার এমনকি প্যারালিসিসের ঝুঁকি! জেনে নিন কোন কোন মাছ খাওয়া এড়িয়ে চলবেন--
মাছ খাওয়ার উপকারিতা যেমন অঢেল, তেমনি এমন মাছ-ও আছে যা শরীরের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। বাজারে পাওয়া যায় এমন কয়েকটি মাছ যে-গুলিতে খুব বেশি পরিমাণে পারদ থাকে। ফলে, সেই মাছগুলি খেলে পেটে পারদ জমা হতে থাকে, যার থেকে দেখা দেয় একাধিক গুরুতর রোগ। পাশাপাশি, বাড়ায় হার্টের অসুখ, কোলেস্টেরল, ক্যানসার এমনকি প্যারালিসিসের ঝুঁকি! জেনে নিন কোন কোন মাছ খাওয়া এড়িয়ে চলবেন--
advertisement
4/14
ম্যাকারেল: ম্যাকরেল মাছে ভিটামিন-এ এবং ভিটামিন-ডি থাকে, কিন্তু এক-ই সঙ্গে এই মাছে থাকে পারদ। কাজেই এই মাছ খেলে পেটে পারদ জমা হতে থাকে যার ফলে একাধিক বিপজ্জনক রোগ হতে পারে
ম্যাকারেল: ম্যাকরেল মাছে ভিটামিন-এ এবং ভিটামিন-ডি থাকে, কিন্তু এক-ই সঙ্গে এই মাছে থাকে পারদ। কাজেই এই মাছ খেলে পেটে পারদ জমা হতে থাকে যার ফলে একাধিক বিপজ্জনক রোগ হতে পারে
advertisement
5/14
টুনা: টুনা মাছে ভিটামিন বি-৩ , বি- ১২, বি-৬ , বি-১, বি-২ এবং ভিটামিন ডি-এর মত মাল্টি ভিটামিন থাকে। কিন্তু ম্যাকারেলের মত টুনা মাছেও পারদ খুব বেশি থাকে। কাজেই এই মাছ খেলে পেটে পারদ জমা হতে থাকে, গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়তে বেশি সময় লাগে না। এছাড়াও, এই সামুদ্রিক মাছগুলিকে হরমোন এবং অ্যান্টিবায়োটিক ইনজেক্ট করা হয় যা শরীরের মারাত্মক ক্ষতি করে।
টুনা: টুনা মাছে ভিটামিন বি-৩ , বি- ১২, বি-৬ , বি-১, বি-২ এবং ভিটামিন ডি-এর মত মাল্টি ভিটামিন থাকে। কিন্তু ম্যাকারেলের মত টুনা মাছেও পারদ খুব বেশি থাকে। কাজেই এই মাছ খেলে পেটে পারদ জমা হতে থাকে, গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়তে বেশি সময় লাগে না। এছাড়াও, এই সামুদ্রিক মাছগুলিকে হরমোন এবং অ্যান্টিবায়োটিক ইনজেক্ট করা হয় যা শরীরের মারাত্মক ক্ষতি করে।
advertisement
6/14
সার্ডিন: এটিও টুনা ও ম্যাকারেলের মত আরেকটি সামুদ্রিক মাছ। এই মাছে সবথেকে বেশি পারদ থাকে যা শরীরের জন্য খুব ক্ষতিকর।
সার্ডিন: এটিও টুনা ও ম্যাকারেলের মত আরেকটি সামুদ্রিক মাছ। এই মাছে সবথেকে বেশি পারদ থাকে যা শরীরের জন্য খুব ক্ষতিকর।
advertisement
7/14
ক্যাটফিশ: এই মাছ খামাড়ে চাষ হয় এবং স্বাদ ও আকারে বড় করতে নানারকম রাসায়নিক প্রয়োগ করা হয় এই মাছেদের উপর। রাসায়নিক ও কীটনাশক ব্যবহারের ফলে এই ধরণের মাছ খাওয়ায় ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে।
ক্যাটফিশ: এই মাছ খামাড়ে চাষ হয় এবং স্বাদ ও আকারে বড় করতে নানারকম রাসায়নিক প্রয়োগ করা হয় এই মাছেদের উপর। রাসায়নিক ও কীটনাশক ব্যবহারের ফলে এই ধরণের মাছ খাওয়ায় ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে।
advertisement
8/14
বাসা মাছ: ইদানিং ভেটকি মাছের বিকল্প হিসাবে অনেকেই বাসা মাছ ব্যবহার করেন, বিশেষ করে ফিশ-ফ্রাই বা ফিশ ফিঙ্গার বানাতে। এই মাছটি রফতানি করা হয় ভিয়েতনাম থেকে। এই মাছে থাকে ক্ষতিকারক ফ্যাটি অ্যাসিড যা বাড়িয়ে দেয় কোলেস্টেরল। এছাড়াও, হাঁপানি বা আর্থ্রাইটিস থাকলেও এই মাছ খাওয়া উচিত নয়।
বাসা মাছ: ইদানিং ভেটকি মাছের বিকল্প হিসাবে অনেকেই বাসা মাছ ব্যবহার করেন, বিশেষ করে ফিশ-ফ্রাই বা ফিশ ফিঙ্গার বানাতে। এই মাছটি রফতানি করা হয় ভিয়েতনাম থেকে। এই মাছে থাকে ক্ষতিকারক ফ্যাটি অ্যাসিড যা বাড়িয়ে দেয় কোলেস্টেরল। এছাড়াও, হাঁপানি বা আর্থ্রাইটিস থাকলেও এই মাছ খাওয়া উচিত নয়।
advertisement
9/14
তেলাপিয়া: চাহিদা বেশি বলে তেলাপিয়া খামারে চাষ করা হয়। এক-একটা খামারে বিপুল মাছ চাষ করা হয়। এই মাছেদের খাবার হিসেবে বাজারের বিক্রি হওয়া মাছের খাবার দেওয়া হয় না। খাবার হিসেবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেওয়া হয় হাঁস-মুরগির বিষ্ঠা। এই খাবার খেয়ে রোগজীবাণু শরীরে বয়ে বেড়ায় তেলাপিয়া। আর সেই মাছ খেলে মানুষের হৃদরোগ, পক্ষাঘাত, হাঁপানিও হতে পারে। বেড়ে যায় হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি। তেলাপিয়া মাছে প্রোটিনের মাত্রা খুব কম এদের শরীরে ডিবুটাইলিন নামের এক প্রকার কেমিক্যাল জমা হয়। এই ডিবুটাইলিন থেকে হাঁপানি, অ্যালার্জি হতে পারে।
তেলাপিয়া: চাহিদা বেশি বলে তেলাপিয়া খামারে চাষ করা হয়। এক-একটা খামারে বিপুল মাছ চাষ করা হয়। এই মাছেদের খাবার হিসেবে বাজারের বিক্রি হওয়া মাছের খাবার দেওয়া হয় না। খাবার হিসেবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দেওয়া হয় হাঁস-মুরগির বিষ্ঠা। এই খাবার খেয়ে রোগজীবাণু শরীরে বয়ে বেড়ায় তেলাপিয়া। আর সেই মাছ খেলে মানুষের হৃদরোগ, পক্ষাঘাত, হাঁপানিও হতে পারে। বেড়ে যায় হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি। তেলাপিয়া মাছে প্রোটিনের মাত্রা খুব কম এদের শরীরে ডিবুটাইলিন নামের এক প্রকার কেমিক্যাল জমা হয়। এই ডিবুটাইলিন থেকে হাঁপানি, অ্যালার্জি হতে পারে।
advertisement
10/14
তেলাপিয়া মাছ খেলে শরীরের মেদ বাড়ে। এ ছাড়া তেলাপিয়া মাছের শরীরে ডাই-অক্সিন থাকে। খামারের তেলাপিয়ার শরীরে এই ডাই-অক্সিনের মাত্রা ১১ গুণ বেশি। খামারে চাষ করা তেলাপিয়া থেকে নানারকম ব্যাকটেরিয়াঘটিত রোগ হতে পারে। যেমন stretococcus iniae ও কলমনারিস ডিজিজ। তেলাপিয়া মাছের দেহে পাওয়া যায় বিভিন্ন কীটনাশক যা মানব-দেহে নানা জটিলতার সৃষ্টি করে। ২০০৮ সালের একটি গবেষণা পত্র বলছে, তেলাপিয়া মাছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা সিক্স আছে, যার ফলে হাঁপানি, বাঁত ও প্রদাহজনিত অসুখ বাড়ে। ওমেগা সিক্স হার্টের অসুখের অন্যতম কারণ। ব্লাড প্রেশার বাড়িয়ে দেয়, হার্টে রক্ত জমাট বাঁধায় যার থেকে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে।
তেলাপিয়া মাছ খেলে শরীরের মেদ বাড়ে। এ ছাড়া তেলাপিয়া মাছের শরীরে ডাই-অক্সিন থাকে। খামারের তেলাপিয়ার শরীরে এই ডাই-অক্সিনের মাত্রা ১১ গুণ বেশি। খামারে চাষ করা তেলাপিয়া থেকে নানারকম ব্যাকটেরিয়াঘটিত রোগ হতে পারে। যেমন stretococcus iniae ও কলমনারিস ডিজিজ। তেলাপিয়া মাছের দেহে পাওয়া যায় বিভিন্ন কীটনাশক যা মানব-দেহে নানা জটিলতার সৃষ্টি করে। ২০০৮ সালের একটি গবেষণা পত্র বলছে, তেলাপিয়া মাছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা সিক্স আছে, যার ফলে হাঁপানি, বাঁত ও প্রদাহজনিত অসুখ বাড়ে। ওমেগা সিক্স হার্টের অসুখের অন্যতম কারণ। ব্লাড প্রেশার বাড়িয়ে দেয়, হার্টে রক্ত জমাট বাঁধায় যার থেকে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে।
advertisement
11/14
প্রতিদিন মাছ খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে ঠিক কতটা উপকারী? মাছে প্রোটিন থাকে। মাছ যদি নিয়মিত পরিমাণ বুঝে খাওয়া যায় তবে কোনও ক্ষতি হবে না। তবে ইলিশ, পাঙ্গাস বেশি খেলে পেট খারাপ হতে পারে।
প্রতিদিন মাছ খাওয়া স্বাস্থ্যের পক্ষে ঠিক কতটা উপকারী? মাছে প্রোটিন থাকে। মাছ যদি নিয়মিত পরিমাণ বুঝে খাওয়া যায় তবে কোনও ক্ষতি হবে না। তবে ইলিশ, পাঙ্গাস বেশি খেলে পেট খারাপ হতে পারে।
advertisement
12/14
অনেক দেশে কাঁচা মাছ খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে। তবে আমাদের দেশের আবহাওয়ায় কাঁচা মাছ খাওয়া উচিত নয়। পেট ব্যথা হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে কাঁচা মাছে জীবাণু থাকতে পারে, যা স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর। এমনকি, কাঁচা মাছ খেলে প্রাণহানি পর্যন্ত হতে পারে।
অনেক দেশে কাঁচা মাছ খাওয়ার অভ্যাস রয়েছে। তবে আমাদের দেশের আবহাওয়ায় কাঁচা মাছ খাওয়া উচিত নয়। পেট ব্যথা হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে কাঁচা মাছে জীবাণু থাকতে পারে, যা স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর। এমনকি, কাঁচা মাছ খেলে প্রাণহানি পর্যন্ত হতে পারে।
advertisement
13/14
অনেকে বিশ্বাস করেন, কাঁচা মাছের গলব্লাডার বা পিত্তথলি খেলে ডায়াবেটিস কমবে। কিন্তু এর ফল যে কতটা মারাত্মক হতে পারে, কল্পনাও করতে পারবেন না! ২০২৩ সালে ডায়াবেটিস থেকে রক্ষা পেতে কাঁচা রুই মাছের গলব্লাডার খেয়েছিলেন ঝাড়খণ্ডের এক মহিলা। পরপর টানা তিন দিন কাঁচা রুই মাছ খেয়েছিলেন তিনি। ফল হয়েছিল মারাত্মক! ডায়াবেটিস সারাতে গিয়ে কিডনির রোগে আক্রান্ত হন মহিলা।
অনেকে বিশ্বাস করেন, কাঁচা মাছের গলব্লাডার বা পিত্তথলি খেলে ডায়াবেটিস কমবে। কিন্তু এর ফল যে কতটা মারাত্মক হতে পারে, কল্পনাও করতে পারবেন না! ২০২৩ সালে ডায়াবেটিস থেকে রক্ষা পেতে কাঁচা রুই মাছের গলব্লাডার খেয়েছিলেন ঝাড়খণ্ডের এক মহিলা। পরপর টানা তিন দিন কাঁচা রুই মাছ খেয়েছিলেন তিনি। ফল হয়েছিল মারাত্মক! ডায়াবেটিস সারাতে গিয়ে কিডনির রোগে আক্রান্ত হন মহিলা।
advertisement
14/14
অনেকেরই বিশ্বাস, কাঁচা মাছের বিভিন্ন দেহাংশ খেলে ডায়াবেটিস,অ্যাজমা, আর্থাইটিস-এর মতো রোগ সারে, দৃষ্টিশক্তি বাড়ে। কিন্তু এই ধারণা একেবারেই ভ্রান্ত। কাঁচা মাছের দেহাংশ খেলে উলটে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে
অনেকেরই বিশ্বাস, কাঁচা মাছের বিভিন্ন দেহাংশ খেলে ডায়াবেটিস,অ্যাজমা, আর্থাইটিস-এর মতো রোগ সারে, দৃষ্টিশক্তি বাড়ে। কিন্তু এই ধারণা একেবারেই ভ্রান্ত। কাঁচা মাছের দেহাংশ খেলে উলটে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে
advertisement
advertisement
advertisement