ভলিউম কম রাখলেই কি নিরাপদ? কানে ইয়ারবাড ব্যবহারে হতে পারে গুরুতর ক্ষতি! মেনে চলুন ৬০/৬০ নিয়ম

Last Updated:
ইয়ারবাডের দীর্ঘক্ষণ ও উচ্চ ভলিউমে ব্যবহার কানের স্থায়ী ক্ষতি, টিনিটাস ও মানসিক চাপের কারণ হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা ৬০/৬০ নিয়ম মেনে চলার পরামর্শ দেন। কী সেই নিয়ম? জানুন।
1/7
উচ্চ ভলিউমে দীর্ঘ সময় ইয়ারবাড ব্যবহার করলে কানের ভেতরের সূক্ষ্ম কোষ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, যার ফলে স্থায়ী শ্রবণশক্তি হ্রাস এবং টিনিটাসের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।
উচ্চ ভলিউমে দীর্ঘ সময় ইয়ারবাড ব্যবহার করলে কানের ভেতরের সূক্ষ্ম কোষ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে, যার ফলে স্থায়ী শ্রবণশক্তি হ্রাস এবং টিনিটাসের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। (Representative Image: AI Generated) 
advertisement
2/7
কাজের কল, যাতায়াত, শরীরচর্চা কিংবা ঘুমের আগে স্ক্রল—ইয়ারবাড এখন প্রায় দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে। কিন্তু কতক্ষণ এবং কত ভলিউমে আমরা শুনছি, সেদিকে প্রায়ই নজর দেওয়া হয় না। আজকের দিনে ধীরে ধীরে কিন্তু স্থায়ীভাবে শ্রবণশক্তি নষ্ট হওয়ার অন্যতম বড় কারণই হল দীর্ঘ সময় ইয়ারবাড ব্যবহার ও বেশি ভলিউমের এই যুগল প্রভাব।
কাজের কল, যাতায়াত, শরীরচর্চা কিংবা ঘুমের আগে স্ক্রল—ইয়ারবাড এখন প্রায় দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছে। কিন্তু কতক্ষণ এবং কত ভলিউমে আমরা শুনছি, সেদিকে প্রায়ই নজর দেওয়া হয় না। আজকের দিনে ধীরে ধীরে কিন্তু স্থায়ীভাবে শ্রবণশক্তি নষ্ট হওয়ার অন্যতম বড় কারণই হল দীর্ঘ সময় ইয়ারবাড ব্যবহার ও বেশি ভলিউমের এই যুগল প্রভাব। (Representative Image: AI Generated) 
advertisement
3/7
সাধারণ স্পিকারের তুলনায় ইয়ারবাড কানের ভেতরে বসে সরাসরি কানের পর্দায় শব্দ পাঠায়। দীর্ঘ সময় ধরে বেশি ভলিউমে শব্দ শোনার ফলে কানের ভেতরের সূক্ষ্ম ‘হেয়ার সেল’ বা শ্রবণ কোষ ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করে। এই কোষগুলি একবার নষ্ট হলে আর নতুন করে তৈরি হয় না। ফলে শ্রবণশক্তি হ্রাস স্থায়ী হয়ে যায় এবং শুরুতে অনেক সময় কানে ভোঁ ভোঁ শব্দ হওয়া (টিনিটাস) বা ভিড়ের মধ্যে কথা বুঝতে অসুবিধার মাধ্যমে তা প্রকাশ পায়।
সাধারণ স্পিকারের তুলনায় ইয়ারবাড কানের ভেতরে বসে সরাসরি কানের পর্দায় শব্দ পাঠায়। দীর্ঘ সময় ধরে বেশি ভলিউমে শব্দ শোনার ফলে কানের ভেতরের সূক্ষ্ম ‘হেয়ার সেল’ বা শ্রবণ কোষ ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করে। এই কোষগুলি একবার নষ্ট হলে আর নতুন করে তৈরি হয় না। ফলে শ্রবণশক্তি হ্রাস স্থায়ী হয়ে যায় এবং শুরুতে অনেক সময় কানে ভোঁ ভোঁ শব্দ হওয়া (টিনিটাস) বা ভিড়ের মধ্যে কথা বুঝতে অসুবিধার মাধ্যমে তা প্রকাশ পায়। (Representative Image: AI Generated) 
advertisement
4/7
ইয়ারবাডের অতিরিক্ত ব্যবহার মানসিক স্বাস্থ্যের উপরও প্রভাব ফেলে! শুধু জোরে গান শোনা নয়, কম ভলিউমেও দীর্ঘক্ষণ শোনা কানের শ্রবণ ব্যবস্থার উপর চাপ ফেলে। জিম, বিমানে বা রাস্তায় আশপাশের শব্দ ঢাকতে গিয়ে অনেকেই অজান্তেই ভলিউম বাড়িয়ে দেন। এই নিয়মিত অতিরিক্ত শব্দের সংস্পর্শে থাকলে মস্তিষ্ক ধীরে ধীরে বেশি জোরে শব্দে অভ্যস্ত হয়ে পড়ে। ফলে স্বাভাবিক শব্দও কম মনে হয় এবং ভলিউম আরও বাড়ানোর প্রবণতা তৈরি হয়।
ইয়ারবাডের অতিরিক্ত ব্যবহার মানসিক স্বাস্থ্যের উপরও প্রভাব ফেলে! শুধু জোরে গান শোনা নয়, কম ভলিউমেও দীর্ঘক্ষণ শোনা কানের শ্রবণ ব্যবস্থার উপর চাপ ফেলে। জিম, বিমানে বা রাস্তায় আশপাশের শব্দ ঢাকতে গিয়ে অনেকেই অজান্তেই ভলিউম বাড়িয়ে দেন। এই নিয়মিত অতিরিক্ত শব্দের সংস্পর্শে থাকলে মস্তিষ্ক ধীরে ধীরে বেশি জোরে শব্দে অভ্যস্ত হয়ে পড়ে। ফলে স্বাভাবিক শব্দও কম মনে হয় এবং ভলিউম আরও বাড়ানোর প্রবণতা তৈরি হয়। (Representative Image: AI Generated) 
advertisement
5/7
শ্রবণ সমস্যার পাশাপাশি ইয়ারবাডের অতিরিক্ত ব্যবহার মানসিক স্বাস্থ্যের উপরও প্রভাব ফেলতে পারে। একটানা শব্দ শোনার ফলে মস্তিষ্ক সব সময় সজাগ অবস্থায় থাকে। এতে মানসিক বিশ্রামের সুযোগ কমে যায়, যার ফলে মানসিক চাপ, ক্লান্তি, বিরক্তি এবং মনোযোগে সমস্যা দেখা দিতে পারে। আমরা প্রায়ই নীরবতাকে এড়িয়ে চলি, অথচ মানসিক ভারসাম্য ও চিন্তাশক্তি পুনরুদ্ধারের জন্য নীরবতা অত্যন্ত জরুরি।
শ্রবণ সমস্যার পাশাপাশি ইয়ারবাডের অতিরিক্ত ব্যবহার মানসিক স্বাস্থ্যের উপরও প্রভাব ফেলতে পারে। একটানা শব্দ শোনার ফলে মস্তিষ্ক সব সময় সজাগ অবস্থায় থাকে। এতে মানসিক বিশ্রামের সুযোগ কমে যায়, যার ফলে মানসিক চাপ, ক্লান্তি, বিরক্তি এবং মনোযোগে সমস্যা দেখা দিতে পারে। আমরা প্রায়ই নীরবতাকে এড়িয়ে চলি, অথচ মানসিক ভারসাম্য ও চিন্তাশক্তি পুনরুদ্ধারের জন্য নীরবতা অত্যন্ত জরুরি। (Representative Image: AI Generated) 
advertisement
6/7
৬০/৬০ নিয়ম মেনে চলুন!কানের স্বাস্থ্যের আরেকটি উপেক্ষিত দিক হল সংক্রমণের ঝুঁকি। দীর্ঘ সময় ইয়ারবাড ব্যবহার করলে কানের ভেতরে তাপ ও আর্দ্রতা জমে থাকে, যা ব্যাকটেরিয়া ও ফাঙ্গাস বৃদ্ধির অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে। এর ফলে কানে ময়লা জমা, জ্বালা, কান বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং বারবার কানের সংক্রমণ হতে পারে, যা শ্রবণ ক্ষমতাকে আরও দুর্বল করে তোলে। 
৬০/৬০ নিয়ম মেনে চলুন! কানের স্বাস্থ্যের আরেকটি উপেক্ষিত দিক হল সংক্রমণের ঝুঁকি। দীর্ঘ সময় ইয়ারবাড ব্যবহার করলে কানের ভেতরে তাপ ও আর্দ্রতা জমে থাকে, যা ব্যাকটেরিয়া ও ফাঙ্গাস বৃদ্ধির অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে। এর ফলে কানে ময়লা জমা, জ্বালা, কান বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং বারবার কানের সংক্রমণ হতে পারে, যা শ্রবণ ক্ষমতাকে আরও দুর্বল করে তোলে।  (Representative Image: AI Generated) 
advertisement
7/7
বিশেষজ্ঞরা তাই পরামর্শ দেন, ৬০/৬০ নিয়ম মেনে চলতে—একটানা ৬০ মিনিটের বেশি নয় এবং ভলিউম সর্বোচ্চ মাত্রার ৬০ শতাংশের মধ্যে রাখাই সবচেয়ে নিরাপদ।
বিশেষজ্ঞরা তাই পরামর্শ দেন, ৬০/৬০ নিয়ম মেনে চলতে—একটানা ৬০ মিনিটের বেশি নয় এবং ভলিউম সর্বোচ্চ মাত্রার ৬০ শতাংশের মধ্যে রাখাই সবচেয়ে নিরাপদ। (Representative Image: AI Generated) 
advertisement
advertisement
advertisement