advertisement

Egg :ডিম খেতে ভাল লাগে? ডিমসেদ্ধের রয়েছে ৬টি প্রকারভেদ, কীভাবে বানাবেন?

Last Updated:
ডিমসেদ্ধর যে ৬টি প্রকারভেদ রয়েছে, তা জানতেন? সেদ্ধ ডিম বলেই খালাস হলে চলবে না।
1/4
যদি আপনি ওজন কমাতে চান, তাহলে প্রতিদিন এক থেকে দুটি ডিম খান। ডিম প্রোটিন সমৃদ্ধ এবং আপনাকে দীর্ঘ সময় ধরে পেট ভরা অনুভূতি দেয়, যার অর্থ আপনি কম খাবেন এবং কম ক্যালোরি গ্রহণ করবেন। এর ফলে স্বাভাবিকভাবেই ওজন হ্রাস পাবে।
ডিমসেদ্ধর যে ৬টি প্রকারভেদ রয়েছে, তা জানতেন? সেদ্ধ ডিম বলেই খালাস হলে চলবে না। ঠিক কোন ধরনের ডিমসেদ্ধর কথা বলা হচ্ছে, সেটি বর্ণনা করে দিতে হবে। সঙ্গে জানিয়ে দিতে হবে, কোনটি বানানোর জন্য কত মিনিট খরচ করতে হবে।
advertisement
2/4
ডিম খাওয়া খুবই উপকারী। সকালের জলখাবার কিংবা শরীরে প্রোটিনের সহজ জোগান হল ডিম। দিনে একাধিক ডিমও অনেকে খেয়ে থাকেন। ডিমের পোচ, ডিমের অমলেট, ডিম সেদ্ধ-- এই তিন খাবার অসম্ভব জনপ্রিয়ও। ডিম ভাঙার পর কখনও কুসুমে লাল রক্তের দাগ খেয়াল করেছেন? অনেক সময় মাংসের টুকরোও লক্ষ্য করা যায়। এমন ডিম যদি খেয়েও ফেলেন তাহলে কী হয় শরীরে জানেন? এটাই মূল প্রশ্ন এই প্রতিবেদনের। চলুন জেনে নিই... (Disclaimer: এই প্রতিবেদনটি কেবলমাত্র সাধারণ তথ্যের জন্য, তাই বিস্তারিত জানতে হলে সর্বদা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।)
১. নরম সাদা অংশ, তরল কুসুম- ৪ মিনিট২. হালকা শক্ত সাদা অংশ, তরল কুসুম- ৫ মিনিট৩. হালকা শক্ত সাদা অংশ, থকথকে কুসুম- সাড়ে ৬ মিনিট
advertisement
3/4
তিনি আরও বলেন, "যে কোনও মাংস খাওয়ার আগে ভাল করে রান্না করে নেওয়া উচিত। মাংস রান্না করার পর, এবং ১০০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ডিম সিদ্ধ করার পর ভাইরাসের কোনও চিহ্ন অবশিষ্ট থাকে না। কিন্তু... চিকেন ফ্রেশ হওয়া জরুরি। নইলে থাকে স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি।"
৪. হালকা শক্ত সাদা অংশ, একটু বেশি থকথকে কুসুম- সাড়ে ৭ মিনিট৫. শক্ত সাদা অংশ, হালকা শক্ত কুসুম- ১০ মিনিট৬. শক্ত সাদা অংশ, শক্ত কুসুম- ১১ মিনিট
advertisement
4/4
অন্যান্য পুষ্টিকর উপাদানের সঙ্গে ডিম খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসক৷ তবে খেতে হবে নিয়ন্ত্রণের সীমারেখা মনে রেখেই৷
কিন্তু কী ভাবে বানাতে হবে এই ৬ ধরনের ডিমসেদ্ধ?একটি বড় পাত্রে জল ভরে স্টোভে চাপিয়ে দিন। ফ্রিজে রাখা ঠান্ডা ডিমগুলি ধীরে ধীরে চামচ দিয়ে জলে নামিয়ে দিন। হুট করে ফ্রিজের ঠান্ডা থেকে প্রায় ফুটন্ত জলের সংস্পর্শে এসে অনেক সময়ে ডিমের খোলায় ফাটল ধরে যায়। সেটি যাতে না হয়, তার জন্য চামচ দিয়ে দু’বার ডিম তুলে আবার জলে নামিয়ে দিন। এর ফলে তাপমাত্রার সঙ্গে বোঝাপড়া করতে সুবিধা হবে ডিমের। এ বার আঁচ ঢিমে করে দিন। যে ধরনের ডিমসেদ্ধে প্রয়োজন, তা মেনে সময় মতো তুলে নেবেন। ৪ মিনিট হোক বা ১১ মিনিট, গরম জল থেকে তুলে নিয়েই ঠান্ডা জলের তলায় রেখে দিন। তার পর খোসা ছাড়িয়ে খেয়ে নিন।
advertisement
advertisement
advertisement