advertisement

Effect Of Alchohol: মদ্যপানের মিনিট খানেকের মধ্যেই শরীরে যা যা শুরু হয়, চিকিৎসক যা বললেন, শুনলে চমকে উঠবেন

Last Updated:
Effect Of Alchohol: এক গ্লাস হুইস্কি খাওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যেই শরীরে কী কী রিঅ্যাকশন হয় জানেন? ডাক্তারের কথায় অবাক হবেন
1/7
গবেষণা বলছে, পৃথিবীতে যত অপরাধমূলক কাজ হয়, তার সিংহভাগের নেপথ্যে রয়েছে নেশা। আর এই নেশার লোভেই মানুষ মদ্যপান করেন। শরীরে মদ শোষিত হওয়ার পর রক্তের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়ে মদ পৌঁছায় মস্তিষ্কে। তখন-ই যত ‘মাথা ঝিমঝিম’ বা নেশার সৃষ্টি
গবেষণা বলছে, পৃথিবীতে যত অপরাধমূলক কাজ হয়, তার সিংহভাগের নেপথ্যে রয়েছে নেশা। আর এই নেশার লোভেই মানুষ মদ্যপান করেন। শরীরে মদ শোষিত হওয়ার পর রক্তের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়ে মদ পৌঁছায় মস্তিষ্কে। তখন-ই যত ‘মাথা ঝিমঝিম’ বা নেশার সৃষ্টি
advertisement
2/7
NIDirect.gov.uk-এর নির্দেশিকা অনুযায়ী,মানুষ যখন মদ খায়, তখন মদ খুব দ্রুত রক্তে মিশে যায় এবং শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলিতে পৌঁছায়। মদ স্টোমাকে প্রবেশ করে, সেখান থেকে যায় ইনটেস্টাইনে। বেশ ভাল পরিমাণ মদ শোষিত হয় স্টোমাক ও স্মল ইনটেস্টাইনের উপরের অংশে। তারপর পৌঁছায় লিভারে। সেখানেই অ্যালকোহলের মেটাবলিজম হয়। এরপর কিডনি, ফুসফুস এবং যকৃতকে প্রভাবিত করে। খাবারের মতো অ্যালকোহল হজমের প্রয়োজন হয় না। এই প্রভাবগুলির মাত্রা বয়স, লিঙ্গ, ওজন এবং খালি পেটে মদ্যপান করা হয়েছে কি না—এসব বিষয়ের উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হয়।
NIDirect.gov.uk-এর নির্দেশিকা অনুযায়ী,মানুষ যখন মদ খায়, তখন মদ খুব দ্রুত রক্তে মিশে যায় এবং শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলিতে পৌঁছায়। মদ স্টোমাকে প্রবেশ করে, সেখান থেকে যায় ইনটেস্টাইনে। বেশ ভাল পরিমাণ মদ শোষিত হয় স্টোমাক ও স্মল ইনটেস্টাইনের উপরের অংশে। তারপর পৌঁছায় লিভারে। সেখানেই অ্যালকোহলের মেটাবলিজম হয়। এরপর কিডনি, ফুসফুস এবং যকৃতকে প্রভাবিত করে। খাবারের মতো অ্যালকোহল হজমের প্রয়োজন হয় না। এই প্রভাবগুলির মাত্রা বয়স, লিঙ্গ, ওজন এবং খালি পেটে মদ্যপান করা হয়েছে কি না—এসব বিষয়ের উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হয়।
advertisement
3/7
মদ্যপানের ১০-১৫ মিনিটের মধ্যে কী হয়? কৈলাশ দীপক হাসপাতালের কনসালট্যান্ট ফিজিশিয়ান মানসী  নিগম জানান, মদ্যপানের ১০-১৫ মিনিটের মধ্যেই অ্যালকোহল রক্তে মিশতে শুরু করে। তিনি বলেন, প্রথম ১০-১৫ মিনিটের মধ্যেই হুইস্কিতে থাকা অ্যালকোহল দ্রুত রক্তপ্রবাহে শোষিত হয়। এর কিছু অংশ পেটে শোষিত হয় এবং বেশিরভাগই ক্ষুদ্রান্ত্রের মাধ্যমে শোষিত হয়।
মদ্যপানের ১০-১৫ মিনিটের মধ্যে কী হয়? কৈলাশ দীপক হাসপাতালের কনসালট্যান্ট ফিজিশিয়ান মানসী নিগম জানান, মদ্যপানের ১০-১৫ মিনিটের মধ্যেই অ্যালকোহল রক্তে মিশতে শুরু করে। তিনি বলেন, প্রথম ১০-১৫ মিনিটের মধ্যেই হুইস্কিতে থাকা অ্যালকোহল দ্রুত রক্তপ্রবাহে শোষিত হয়। এর কিছু অংশ পেটে শোষিত হয় এবং বেশিরভাগই ক্ষুদ্রান্ত্রের মাধ্যমে শোষিত হয়।
advertisement
4/7
অ্যালকোহল শোষিত হওয়ার প্রভাব প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই অনুভূত হয়। চিকিৎসক বলেন, অয়ালকোহল কয়েক মিনিটের মধ্যেই মস্তিষ্কে পৌঁছে যায়, যার ফলে মানুষ আরাম, হালকা মাথায় ঝিম ধরা বা উচ্ছ্বাসের অনুভূতি পেতে শুরু করে! একেই সহজ ভাষায় বলে 'নেশা'! একই সময়ে, অ্যালকোহল কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রকে ধীর করে দেয়, ফলে মস্তিষ্কের কার্যকারিতায় সূক্ষ্ম পরিবর্তন ঘটে।
অ্যালকোহল শোষিত হওয়ার প্রভাব প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই অনুভূত হয়। চিকিৎসক বলেন, অয়ালকোহল কয়েক মিনিটের মধ্যেই মস্তিষ্কে পৌঁছে যায়, যার ফলে মানুষ আরাম, হালকা মাথায় ঝিম ধরা বা উচ্ছ্বাসের অনুভূতি পেতে শুরু করে! একেই সহজ ভাষায় বলে 'নেশা'! একই সময়ে, অ্যালকোহল কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রকে ধীর করে দেয়, ফলে মস্তিষ্কের কার্যকারিতায় সূক্ষ্ম পরিবর্তন ঘটে।
advertisement
5/7
বেশ কিছু এনজাইম অ্যালকোহলকে ভেঙে দেয় অ্যাসিট্যালডিহাইড আর তারপর অ্যাসিটেট-এ। এরপর অ্যালকোহল মেটাবলিজম-এর ফলে তৈরি হয় কার্বন ডি-অক্সাইড ও জল। সবশেষে ঘাম ও প্রস্রাবের মধ্যে দিয়ে মদ শরীর থেকে বার হয়ে যায়। অ্যালকোহলের মেটাবলিজম-এ লিভারের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে
বেশ কিছু এনজাইম অ্যালকোহলকে ভেঙে দেয় অ্যাসিট্যালডিহাইড আর তারপর অ্যাসিটেট-এ। এরপর অ্যালকোহল মেটাবলিজম-এর ফলে তৈরি হয় কার্বন ডি-অক্সাইড ও জল। সবশেষে ঘাম ও প্রস্রাবের মধ্যে দিয়ে মদ শরীর থেকে বার হয়ে যায়। অ্যালকোহলের মেটাবলিজম-এ লিভারের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে
advertisement
6/7
গবেষণায় দেখা গিয়েছে, প্রতিদিন ৩০ গ্রাম বা ৩০ মিলিলিটারের বেশি মদ্যপান করলে লিভারের ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি থাকে অনেকটাই। রোজ ৮০ গ্রাম বা ৮০ মিলিলিটারের বেশি অ্যাবসোলিউট মদ খেলে লিভারের ক্ষতি হবেই। অত্যধিক মদ্যপানের ফলে স্টোমাক ও ইনটেস্টাইনের লাইনিং-এ প্রদাহ সৃষ্টি হয়, ফলে বেশি পরিমাণে অ্যাসিড তৈরি হয়। পরবর্তীতে আলসার ও গ্যাসট্রাইটিস-এর ঝুঁকি বাড়ে।
গবেষণায় দেখা গিয়েছে, প্রতিদিন ৩০ গ্রাম বা ৩০ মিলিলিটারের বেশি মদ্যপান করলে লিভারের ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি থাকে অনেকটাই। রোজ ৮০ গ্রাম বা ৮০ মিলিলিটারের বেশি অ্যাবসোলিউট মদ খেলে লিভারের ক্ষতি হবেই। অত্যধিক মদ্যপানের ফলে স্টোমাক ও ইনটেস্টাইনের লাইনিং-এ প্রদাহ সৃষ্টি হয়, ফলে বেশি পরিমাণে অ্যাসিড তৈরি হয়। পরবর্তীতে আলসার ও গ্যাসট্রাইটিস-এর ঝুঁকি বাড়ে।
advertisement
7/7
যাঁরা নিয়মিত অনেকদিন ধরে মদ্যপান করছেন, তাঁদের প্যানক্রিয়াস ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বেশি মদ খেলে সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেমে প্রভাব পড়ে। মদ মস্তিষ্কের নিউরোট্রান্সমিটারের কাজ করার ক্ষমতা কমিয়ে দেয়।
যাঁরা নিয়মিত অনেকদিন ধরে মদ্যপান করছেন, তাঁদের প্যানক্রিয়াস ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বেশি মদ খেলে সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেমে প্রভাব পড়ে। মদ মস্তিষ্কের নিউরোট্রান্সমিটারের কাজ করার ক্ষমতা কমিয়ে দেয়।
advertisement
advertisement
advertisement