advertisement

Earphones Risks: ডাক্তারদের সতর্কবার্তা: বেশি ইয়ারফোন ব্যবহারে স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে কানে!

Last Updated:
Earphones Risks: আজকের দিনে স্মার্টফোন যেমন অত্যন্ত সাধারণ হয়ে গেছে, তেমনই কানে ইয়ারফোনও প্রায় নিত্যসঙ্গী হয়ে উঠেছে। বাসে, মেট্রোতে, অফিসে—এমনকি রাস্তায় হাঁটার সময়ও মানুষকে ইয়ারফোন ব্যবহার করতে দেখা যায়। কিন্তু এই অভ্যাস যে ধীরে ধীরে কানের জন্য কতটা ক্ষতিকর হতে পারে, সে বিষয়ে অনেকেই সচেতন নন বা গুরুত্ব দিচ্ছেন না।
1/6
আজকাল হাতে স্মার্টফোন যেমন সাধারণ হয়ে গেছে, কানে ইয়ারফোনও তেমনই নিত্যসঙ্গী। বাসে, মেট্রোতে, অফিসে—এমনকি রাস্তায় হাঁটার সময়ও অনেকেই ইয়ারফোন ব্যবহার করছেন। গান শোনা বা ফোনে কথা বলার জন্য এটি বেশ আরামদায়ক মনে হতে পারে।কিন্তু এই অভ্যাস অজান্তেই আমাদের কানের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে। ছোট্ট এই তার বা ইয়ারবাড কীভাবে ধীরে ধীরে আমাদের শ্রবণশক্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে, সেটাই এখন জানার বিষয়।
আজকাল হাতে স্মার্টফোন যেমন সাধারণ হয়ে গেছে, কানে ইয়ারফোনও তেমনই নিত্যসঙ্গী। বাসে, মেট্রোতে, অফিসে—এমনকি রাস্তায় হাঁটার সময়ও অনেকেই ইয়ারফোন ব্যবহার করছেন। গান শোনা বা ফোনে কথা বলার জন্য এটি বেশ আরামদায়ক মনে হতে পারে।কিন্তু এই অভ্যাস অজান্তেই আমাদের কানের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে। ছোট্ট এই তার বা ইয়ারবাড কীভাবে ধীরে ধীরে আমাদের শ্রবণশক্তিকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে, সেটাই এখন জানার বিষয়।
advertisement
2/6
এটি কোনো ছোটখাটো সমস্যা নয়—ভবিষ্যতে বড় স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পরিণত হতে পারে বলে সতর্ক করেছে World Health Organization (WHO)। সংস্থার মতে, বিশ্বজুড়ে প্রায় ১০০ কোটি তরুণ-তরুণী ও কিশোর-কিশোরী অতিরিক্ত ইয়ারফোন ব্যবহারের কারণে স্থায়ী শ্রবণশক্তি হ্রাসের ঝুঁকিতে রয়েছেন।বারবার বিশেষজ্ঞরা সতর্কবার্তা দিলেও অনেকেই বিষয়টিকে গুরুত্ব দিচ্ছেন না। কিন্তু এই অবহেলাই ভবিষ্যতে মারাত্মক সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
এটি কোনো ছোটখাটো সমস্যা নয়—ভবিষ্যতে বড় স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পরিণত হতে পারে বলে সতর্ক করেছে World Health Organization (WHO)। সংস্থার মতে, বিশ্বজুড়ে প্রায় ১০০ কোটি তরুণ-তরুণী ও কিশোর-কিশোরী অতিরিক্ত ইয়ারফোন ব্যবহারের কারণে স্থায়ী শ্রবণশক্তি হ্রাসের ঝুঁকিতে রয়েছেন।বারবার বিশেষজ্ঞরা সতর্কবার্তা দিলেও অনেকেই বিষয়টিকে গুরুত্ব দিচ্ছেন না। কিন্তু এই অবহেলাই ভবিষ্যতে মারাত্মক সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
advertisement
3/6
আমাদের কানের গঠন অত্যন্ত সংবেদনশীল। সাধারণত বাইরে থেকে আসা শব্দ বাতাসের মাধ্যমে ছড়িয়ে কানে পৌঁছায়। কিন্তু ইয়ারফোন ব্যবহার করলে শব্দতরঙ্গ কোনো বিরতি ছাড়াই সরাসরি কানের ভেতরে প্রবেশ করে।বিশেষ করে উচ্চ ভলিউমে গান বা অডিও শোনার সময় এই শব্দতরঙ্গ কানের পর্দা (ইয়ারড্রাম)-এর উপর তীব্র চাপ সৃষ্টি করে। দীর্ঘ সময় ধরে এমন চাপ পড়লে কানের সূক্ষ্ম অংশগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং ধীরে ধীরে শ্রবণশক্তি কমে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
আমাদের কানের গঠন অত্যন্ত সংবেদনশীল। সাধারণত বাইরে থেকে আসা শব্দ বাতাসের মাধ্যমে ছড়িয়ে কানে পৌঁছায়। কিন্তু ইয়ারফোন ব্যবহার করলে শব্দতরঙ্গ কোনো বিরতি ছাড়াই সরাসরি কানের ভেতরে প্রবেশ করে।বিশেষ করে উচ্চ ভলিউমে গান বা অডিও শোনার সময় এই শব্দতরঙ্গ কানের পর্দা (ইয়ারড্রাম)-এর উপর তীব্র চাপ সৃষ্টি করে। দীর্ঘ সময় ধরে এমন চাপ পড়লে কানের সূক্ষ্ম অংশগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং ধীরে ধীরে শ্রবণশক্তি কমে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
advertisement
4/6
কানের ভেতরে ‘ককলিয়া’ (Cochlea) নামে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ থাকে। এর ভেতরে তরল পদার্থের সঙ্গে হাজার হাজার ক্ষুদ্র ‘হেয়ার সেল’ (Hair Cells) থাকে। এই কোষগুলিই আসলে শব্দ শনাক্ত করার সেন্সর হিসেবে কাজ করে।আমরা যখন খুব উচ্চ শব্দে গান বা অডিও শুনি, তখন ককলিয়ার ভেতরের তরলে প্রবল তরঙ্গ তৈরি হয়। এর ফলে হেয়ার সেলগুলো অস্বাভাবিকভাবে বাঁকতে থাকে। যদি প্রতিদিন এমনটা ঘটে, তাহলে এই কোষগুলো ক্লান্ত হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং শেষ পর্যন্ত মারা যায়।

কিছু প্রাণী—যেমন পাখি বা ব্যাঙ—এই কোষগুলো পুনরায় তৈরি করতে পারে। কিন্তু মানুষের ক্ষেত্রে একবার এই হেয়ার সেল নষ্ট হয়ে গেলে তা আর নতুন করে জন্মায় না। অর্থাৎ, ক্ষতি হলে তা স্থায়ী—এবং স্থায়ী শ্রবণশক্তি হ্রাসের ঝুঁকি তৈরি হয়।
কানের ভেতরে ‘ককলিয়া’ (Cochlea) নামে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ থাকে। এর ভেতরে তরল পদার্থের সঙ্গে হাজার হাজার ক্ষুদ্র ‘হেয়ার সেল’ (Hair Cells) থাকে। এই কোষগুলিই আসলে শব্দ শনাক্ত করার সেন্সর হিসেবে কাজ করে।আমরা যখন খুব উচ্চ শব্দে গান বা অডিও শুনি, তখন ককলিয়ার ভেতরের তরলে প্রবল তরঙ্গ তৈরি হয়। এর ফলে হেয়ার সেলগুলো অস্বাভাবিকভাবে বাঁকতে থাকে। যদি প্রতিদিন এমনটা ঘটে, তাহলে এই কোষগুলো ক্লান্ত হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং শেষ পর্যন্ত মারা যায়।কিছু প্রাণী—যেমন পাখি বা ব্যাঙ—এই কোষগুলো পুনরায় তৈরি করতে পারে। কিন্তু মানুষের ক্ষেত্রে একবার এই হেয়ার সেল নষ্ট হয়ে গেলে তা আর নতুন করে জন্মায় না। অর্থাৎ, ক্ষতি হলে তা স্থায়ী—এবং স্থায়ী শ্রবণশক্তি হ্রাসের ঝুঁকি তৈরি হয়।
advertisement
5/6
শুধু শ্রবণশক্তি কমে যাওয়াই নয়, অতিরিক্ত ইয়ারফোন ব্যবহারে আরও নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। এর মধ্যে অন্যতম হলো টিনিটাস (Tinnitus)—যেখানে বাইরে কোনো শব্দ না থাকলেও কানে শিস দেওয়ার মতো বা ভোঁ ভোঁ আওয়াজ শোনা যায়। ছোট মনে হলেও এই সমস্যা মনোযোগ নষ্ট করে দেয়, এমনকি রাতে ঘুমও ব্যাহত করে।কিছু মানুষের ক্ষেত্রে সাধারণ শব্দও অসহ্য মনে হয়—এ অবস্থাকে বলা হয় হাইপারঅ্যাকুসিস (Hyperacusis)।

শারীরিক সমস্যার দিক থেকেও ঝুঁকি রয়েছে। কানে ব্যথা, মাথা ঘোরা, কান ভারী লাগা—এসব উপসর্গ দেখা দিতে পারে। স্বাভাবিকভাবে কানের ভেতরে বাতাস চলাচল করা দরকার। কিন্তু ঘণ্টার পর ঘণ্টা ইয়ারফোন পরে থাকলে কানের ছিদ্র বন্ধ হয়ে যায়, ভেতরে তাপ ও আর্দ্রতা বেড়ে যায়।

এই পরিবেশ ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধির জন্য আদর্শ। উপরন্তু, একই ইয়ারফোন পকেট বা ব্যাগে ফেলে রাখা কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করার ফলে সংক্রমণের ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়।
শুধু শ্রবণশক্তি কমে যাওয়াই নয়, অতিরিক্ত ইয়ারফোন ব্যবহারে আরও নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। এর মধ্যে অন্যতম হলো টিনিটাস (Tinnitus)—যেখানে বাইরে কোনো শব্দ না থাকলেও কানে শিস দেওয়ার মতো বা ভোঁ ভোঁ আওয়াজ শোনা যায়। ছোট মনে হলেও এই সমস্যা মনোযোগ নষ্ট করে দেয়, এমনকি রাতে ঘুমও ব্যাহত করে।কিছু মানুষের ক্ষেত্রে সাধারণ শব্দও অসহ্য মনে হয়—এ অবস্থাকে বলা হয় হাইপারঅ্যাকুসিস (Hyperacusis)।শারীরিক সমস্যার দিক থেকেও ঝুঁকি রয়েছে। কানে ব্যথা, মাথা ঘোরা, কান ভারী লাগা—এসব উপসর্গ দেখা দিতে পারে। স্বাভাবিকভাবে কানের ভেতরে বাতাস চলাচল করা দরকার। কিন্তু ঘণ্টার পর ঘণ্টা ইয়ারফোন পরে থাকলে কানের ছিদ্র বন্ধ হয়ে যায়, ভেতরে তাপ ও আর্দ্রতা বেড়ে যায়।এই পরিবেশ ব্যাকটেরিয়া বৃদ্ধির জন্য আদর্শ। উপরন্তু, একই ইয়ারফোন পকেট বা ব্যাগে ফেলে রাখা কিংবা বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করার ফলে সংক্রমণের ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়।
advertisement
6/6
কানের সুরক্ষার জন্য ইয়ারফোন পুরোপুরি ছেড়ে দিতে হবে—এমন নয়। তবে ব্যবহার করতে হলে কিছু সীমা মেনে চলা জরুরি। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা এ ক্ষেত্রে “৬০-৬০ নিয়ম” অনুসরণ করার পরামর্শ দেন।🔹 ফোনের ভলিউম ৬০%-এর বেশি না রাখা
🔹 একটানা ৬০ মিনিটের বেশি না শোনা
🔹 প্রতি ঘণ্টায় অন্তত ১৫ মিনিট কানে বিশ্রাম দেওয়া

সম্ভব হলে কানের ভেতরে ঢোকানো ছোট ইন-ইয়ার ইয়ারবাডস ব্যবহার না করে কানের ওপর পরা ওভার-দ্য-ইয়ার হেডফোন ব্যবহার করা ভালো। এগুলো সরাসরি কানের ভেতরে শব্দ পাঠায় না, বরং তুলনামূলকভাবে ছড়িয়ে দেয়।

বাস বা ট্রেনে যাত্রার সময় নয়েজ ক্যান্সেলেশন হেডফোন ব্যবহার করলে বাইরের শব্দ ঢাকতে অতিরিক্ত ভলিউম বাড়াতে হয় না।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়—ইয়ারফোন নিয়মিত অ্যালকোহল ওয়াইপ দিয়ে পরিষ্কার করা উচিত। এতে সংক্রমণের ঝুঁকি কমে।

ছোট ছোট এই অভ্যাসগুলোই আপনার কানের দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পারে।
কানের সুরক্ষার জন্য ইয়ারফোন পুরোপুরি ছেড়ে দিতে হবে—এমন নয়। তবে ব্যবহার করতে হলে কিছু সীমা মেনে চলা জরুরি। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা এ ক্ষেত্রে “৬০-৬০ নিয়ম” অনুসরণ করার পরামর্শ দেন।🔹 ফোনের ভলিউম ৬০%-এর বেশি না রাখা🔹 একটানা ৬০ মিনিটের বেশি না শোনা🔹 প্রতি ঘণ্টায় অন্তত ১৫ মিনিট কানে বিশ্রাম দেওয়াসম্ভব হলে কানের ভেতরে ঢোকানো ছোট ইন-ইয়ার ইয়ারবাডস ব্যবহার না করে কানের ওপর পরা ওভার-দ্য-ইয়ার হেডফোন ব্যবহার করা ভালো। এগুলো সরাসরি কানের ভেতরে শব্দ পাঠায় না, বরং তুলনামূলকভাবে ছড়িয়ে দেয়।বাস বা ট্রেনে যাত্রার সময় নয়েজ ক্যান্সেলেশন হেডফোন ব্যবহার করলে বাইরের শব্দ ঢাকতে অতিরিক্ত ভলিউম বাড়াতে হয় না।আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়—ইয়ারফোন নিয়মিত অ্যালকোহল ওয়াইপ দিয়ে পরিষ্কার করা উচিত। এতে সংক্রমণের ঝুঁকি কমে।ছোট ছোট এই অভ্যাসগুলোই আপনার কানের দীর্ঘমেয়াদি সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পারে।
advertisement
advertisement
advertisement