Digital Detox: মোবাইল ছাড়া থাকা কি সম্ভব? 'ডিজিটাল ডিটক্সেই' লুকিয়ে মানসিক শান্তির চাবিকাঠি
- Published by:Salmali Das
- news18 bangla
Last Updated:
Bangla News: আমরা এখন পুরোপুরি ডিজিটাল যুগে বাস করছি। স্মার্টফোন, ল্যাপটপ বা কম্পিউটারের একটি টাচেই সম্পন্ন হচ্ছে দৈনন্দিন কাজ। খবর পড়া, বিনোদন, অফিসের কাজ কিংবা প্রিয়জনের সঙ্গে যোগাযোগ—সবকিছুতেই ডিজিটাল ডিভাইসের নির্ভরতা বেড়েছে।
আমরা এখন পুরোপুরি ডিজিটাল যুগে বাস করছি। স্মার্টফোন, ল্যাপটপ বা কম্পিউটারের একটি টাচেই সম্পন্ন হচ্ছে দৈনন্দিন কাজ। খবর পড়া, বিনোদন, অফিসের কাজ কিংবা প্রিয়জনের সঙ্গে যোগাযোগ—সবকিছুতেই ডিজিটাল ডিভাইসের নির্ভরতা বেড়েছে। ঘুম থেকে উঠেই ফোন দেখা এবং রাতে ঘুমোনোর আগেও শেষবার ফোনে চোখ বোলানো যেন অভ্যাসে পরিণত হয়েছে।
advertisement
advertisement
কখন বুঝবেন আপনার ডিজিটাল ডিটক্স দরকার?বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি বারবার ফোন চেক করার তাড়না থাকে, নোটিফিকেশন না দেখলে অস্থির লাগে, সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের পর মন খারাপ বা স্ট্রেস বেড়ে যায়, ঘুমের সমস্যা দেখা দেয় বা কাজ ও ব্যক্তিগত জীবনের ভারসাম্য নষ্ট হয়—তাহলে তা ডিজিটাল আসক্তির লক্ষণ হতে পারে। এমনকি ভার্চুয়াল যোগাযোগকে বাস্তব সম্পর্কের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়াও সতর্ক সংকেত।
advertisement
ডিজিটাল ডিটক্সের উপকারিতাডিজিটাল ডিটক্স মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে এবং মনকে শান্ত রাখে। মনোযোগ ক্ষমতা বাড়ে, ফলে কাজের মানও উন্নত হয়। ঘুমের সমস্যা কমে এবং পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ বাড়ে, যা সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করে। পাশাপাশি নিজের শখ, শরীরচর্চা ও আত্মযত্নে সময় দেওয়া সম্ভব হয়, যা জীবনকে আরও পরিপূর্ণ করে তোলে।
advertisement
ডিজিটাল ডিটক্স মানে কি প্রযুক্তি ছেড়ে দেওয়া?একেবারেই নয়। ডিজিটাল ডিটক্স মানে প্রযুক্তির ব্যবহার সীমিত করা। দিনে নির্দিষ্ট সময়ে ফোন দেখা, খাবারের সময় ফোন দূরে রাখা, সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার কমানো বা অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন বন্ধ করার মতো ছোট পদক্ষেপ থেকেই শুরু করা যেতে পারে। কয়েক দিনের মধ্যেই এর ইতিবাচক প্রভাব টের পাওয়া যায়।
advertisement
গবেষণায় কী বলছে?মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ব্রাউন ইউনিভার্সিটির এক রিপোর্ট অনুযায়ী, ডিজিটাল ডিটক্স হল নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ডিজিটাল ডিভাইস, স্ক্রিন ও সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরে থাকা। যেমন শরীর সুস্থ রাখতে টক্সিনমুক্ত হওয়া জরুরি, তেমনই মানসিক সুস্থতার জন্য ডিজিটাল ওভারলোড থেকে বিরতি নেওয়াও প্রয়োজন।
advertisement
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিজিটালাইজেশন জীবন সহজ করেছে ঠিকই, তবে এর নেতিবাচক দিকও স্পষ্ট। অতিরিক্ত তথ্যের চাপ বাড়ায় মানসিক উদ্বেগ, মাল্টিটাস্কিং কমায় মনোযোগের ক্ষমতা, সোশ্যাল মিডিয়ার তুলনামূলক মানসিকতা আত্মবিশ্বাসে আঘাত হানে। পাশাপাশি অনলাইন অ্যাক্টিভিটির কারণে গোপনীয়তা ও ডেটা সুরক্ষার ঝুঁকিও বেড়েছে।
advertisement






