advertisement

বিধানসভা ভোটে প্রার্থী খুঁজছে তৃণমূল...! জানাজানি হতেই ভুঁড়ি ভুঁড়ি আবেদন তৃণমূল কংগ্রেস ভবনে! বায়োডাটা নিতে বসল 'ড্রপবক্স'

Last Updated:
TMC: তৃণমূল সূত্রে খবর, ২রা মার্চ পর্যন্ত এই ড্রপ বক্স থাকবে ভবনে। তারপর শুরু হবে বাছাই পর্ব। যদিও গত কয়েক মাস ধরে বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসে।
1/6
নজিরবিহীন! বিধানসভা ভোটে প্রার্থী হওয়ার আবেদনের আমন্ত্রণ জানিয়ে ড্রপ বক্স বসল তৃণমূল ভবনে। আর তাতেই ভুঁড়ি ভুঁড়ি আবেদন পড়তে শুরু করেছে তৃণমূলের সদর দফতরে। প্রথম দিনেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে প্রার্থী হতে চেয়ে অসংখ্য আবেদন জমা পড়েছে ড্রপবক্সে।
নজিরবিহীন! বিধানসভা ভোটে প্রার্থী হওয়ার আবেদনের আমন্ত্রণ জানিয়ে ড্রপ বক্স বসল তৃণমূল ভবনে। আর তাতেই ভুঁড়ি ভুঁড়ি আবেদন পড়তে শুরু করেছে তৃণমূলের সদর দফতরে। প্রথম দিনেই রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে প্রার্থী হতে চেয়ে অসংখ্য আবেদন জমা পড়েছে ড্রপবক্সে।
advertisement
2/6
তৃণমূল সূত্রে খবর, ২রা মার্চ পর্যন্ত এই ড্রপ বক্স থাকবে ভবনে। তারপর শুরু হবে বাছাই পর্ব।যদিও গত কয়েক মাস ধরে বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসে।
তৃণমূল সূত্রে খবর, ২রা মার্চ পর্যন্ত এই ড্রপ বক্স থাকবে ভবনে। তারপর শুরু হবে বাছাই পর্ব।যদিও গত কয়েক মাস ধরে বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসে।
advertisement
3/6
তবে এই বছরেই প্রথম নয়। আগেও পুরোদমে বঙ্গে বিধানসভা ভোটের দামামা বেজে উঠতেই এবার চমকপ্রদ পদক্ষেপ তৃণমূল ভবনে। দলের বার্তা, কেউ যদি প্রার্থী হতে চায়, সেক্ষেত্রে তৃণমূল ভবনে গিয়ে আবেদনপত্র জমা দিতে পারেন। এর মধ্যেই তৃণমূল ভবনে বসানো হয়েছে ড্রপ বাক্স। পাশাপাশি, এবার ভোটের তহবিলে অর্থ সংগ্রহের জন্য আলাদা করে ড্রপবক্স বসানো হয়েছে।
তবে এই বছরেই প্রথম নয়। আগেও পুরোদমে বঙ্গে বিধানসভা ভোটের দামামা বেজে উঠতেই এবার চমকপ্রদ পদক্ষেপ তৃণমূল ভবনে। দলের বার্তা, কেউ যদি প্রার্থী হতে চায়, সেক্ষেত্রে তৃণমূল ভবনে গিয়ে আবেদনপত্র জমা দিতে পারেন। এর মধ্যেই তৃণমূল ভবনে বসানো হয়েছে ড্রপ বাক্স। পাশাপাশি, এবার ভোটের তহবিলে অর্থ সংগ্রহের জন্য আলাদা করে ড্রপবক্স বসানো হয়েছে।
advertisement
4/6
আসছে ছবিশের ভোট। তাই ক্রমশ বাড়ছে ভোটের পারদ। এই মুহূর্তে পাখির চোখ রাজ্যে বিধানসভা ভোটের ফলাফল। জেলায় নিচু স্তরে যাতে পারস্পরিক দূরত্ব না থাকে, তা মেটাতে আগে ভাগেই সচেষ্ট শাসক দল। বাছাই করা সাংগঠনিক জেলায় তাই গঠন করা হয়েছে ডিস্ট্রিক্ট ইলেকশন কোর কমিটি। এক সময় জেলায় জেলায় তৃণমূল কংগ্রেসের সাংগঠনিক পর্যবেক্ষক পদ ছিল। তবে কখনওই ভোটের আগে জেলা ইলেকশন কোর কমিটি গঠন করেননি শীর্ষ নেতৃত্ব। তাই রাজনৈতিক মহলের নজর এই ডিস্ট্রিক্ট ইলেকশন কোর কমিটির কাজ নিয়ে।
আসছে ছবিশের ভোট। তাই ক্রমশ বাড়ছে ভোটের পারদ। এই মুহূর্তে পাখির চোখ রাজ্যে বিধানসভা ভোটের ফলাফল। জেলায় নিচু স্তরে যাতে পারস্পরিক দূরত্ব না থাকে, তা মেটাতে আগে ভাগেই সচেষ্ট শাসক দল। বাছাই করা সাংগঠনিক জেলায় তাই গঠন করা হয়েছে ডিস্ট্রিক্ট ইলেকশন কোর কমিটি। এক সময় জেলায় জেলায় তৃণমূল কংগ্রেসের সাংগঠনিক পর্যবেক্ষক পদ ছিল। তবে কখনওই ভোটের আগে জেলা ইলেকশন কোর কমিটি গঠন করেননি শীর্ষ নেতৃত্ব। তাই রাজনৈতিক মহলের নজর এই ডিস্ট্রিক্ট ইলেকশন কোর কমিটির কাজ নিয়ে।
advertisement
5/6
সংশ্লিষ্ট সাংগঠনিক জেলায় ভোট প্রচার থেকে ভোট ম্যানেজমেন্ট খুঁটিনাটি সমস্ত দায়িত্ব সামলাবে এই কমিটি। বারাসত, বহরমপুর, জঙ্গিপুর সাংগঠনিক জেলায় এই কমিটি গড়ে দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত এই তিন সাংগঠনিক জেলা উত্তর ২৪ পরগণা ও মুর্শিদাবাদ জেলার অন্তর্ভুক্ত। যেখানে রয়েছে একাধিক বিধানসভা আসন। লোকসভা ভোটে বারাসত, বহরমপুর, মুর্শিদাবাদ, জঙ্গিপুর জোড়াফুল শিবিরের দখলে রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সাংগঠনিক জেলায় ভোট প্রচার থেকে ভোট ম্যানেজমেন্ট খুঁটিনাটি সমস্ত দায়িত্ব সামলাবে এই কমিটি। বারাসত, বহরমপুর, জঙ্গিপুর সাংগঠনিক জেলায় এই কমিটি গড়ে দেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত এই তিন সাংগঠনিক জেলা উত্তর ২৪ পরগণা ও মুর্শিদাবাদ জেলার অন্তর্ভুক্ত। যেখানে রয়েছে একাধিক বিধানসভা আসন। লোকসভা ভোটে বারাসত, বহরমপুর, মুর্শিদাবাদ, জঙ্গিপুর জোড়াফুল শিবিরের দখলে রয়েছে।
advertisement
6/6
কিন্তু বিধানসভা ভোটের আগে এই সব বিধানসভায় পারস্পরিক কিছু সমস্যা নিচু তলে নজরে এসেছে। তাই এই ইলেকশন কোর কমিটি গড়ল শীর্ষ নেতৃত্ব। বারাসত ডিস্ট্রিক্ট ইলেকশন কোর কমিটিতে আহ্বায়ক ও সহ আহ্বায়ক পদ দেওয়া হয়েছে। রথীন ঘোষ ও জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ১৬ জনের কোর কমিটিতে বারাসত সাংগঠনিক জেলার সভাপতি সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার ও চেয়ারম্যান সব্যসাচী দত্ত রয়েছেন। তৃণমূল সূত্রে খবর, রথীন ঘোষ ও জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের ভোট করানোর অভিজ্ঞতা ও সাফল্য অনেক বেশি। তাই এই দুই নেতাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
কিন্তু বিধানসভা ভোটের আগে এই সব বিধানসভায় পারস্পরিক কিছু সমস্যা নিচু তলে নজরে এসেছে। তাই এই ইলেকশন কোর কমিটি গড়ল শীর্ষ নেতৃত্ব। বারাসত ডিস্ট্রিক্ট ইলেকশন কোর কমিটিতে আহ্বায়ক ও সহ আহ্বায়ক পদ দেওয়া হয়েছে। রথীন ঘোষ ও জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ১৬ জনের কোর কমিটিতে বারাসত সাংগঠনিক জেলার সভাপতি সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার ও চেয়ারম্যান সব্যসাচী দত্ত রয়েছেন। তৃণমূল সূত্রে খবর, রথীন ঘোষ ও জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের ভোট করানোর অভিজ্ঞতা ও সাফল্য অনেক বেশি। তাই এই দুই নেতাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
advertisement
advertisement
advertisement