advertisement

Tangra Case Update: প্রথমে স্ত্রী-বৌদির হাতের শিরা ও গলা কাটে প্রসূন, নৃশংস মৃত্যু পরপর! ট্যাংরা কাণ্ডে ভয়ঙ্কর স্বীকারোক্তি

Last Updated:
Tangra Case Update: পুলিশ সূত্রে খবর, প্রসূণ দে-র বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি, আগে স্ত্রী রোমির হাতের শিরা ও গলায় কাটা হয় এবং পরে বৌদি সুদেষ্ণার হাতের শিরা কাটা হয়।
1/6
ট্যাংরার পরিবারের দুই মহিলা ও এক নাবালিকাকে খুনের পিছনে দুই ভাইয়ের হাত রয়েছে বলে একপ্রকার নিশ্চিত ছিল তদন্তকারীরা। এবার সেই তথ্যেই কার্যত সিলমোহর। স্ত্রী ও বৌদিকে খুনের কথা স্বীকার করলেন দে পরিবারের ছোট ছেলে প্রসূণ দে।
ট্যাংরার পরিবারের দুই মহিলা ও এক নাবালিকাকে খুনের পিছনে দুই ভাইয়ের হাত রয়েছে বলে একপ্রকার নিশ্চিত ছিল তদন্তকারীরা। এবার সেই তথ্যেই কার্যত সিলমোহর। স্ত্রী ও বৌদিকে খুনের কথা স্বীকার করলেন দে পরিবারের ছোট ছেলে প্রসূণ দে।
advertisement
2/6
পুলিশ সূত্রে খবর, প্রসূণ দে-র বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি, আগে স্ত্রী রোমির হাতের শিরা ও গলায় কাটা হয় এবং পরে বৌদি সুদেষ্ণার হাতের শিরা কাটা হয়।
পুলিশ সূত্রে খবর, প্রসূণ দে-র বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি, আগে স্ত্রী রোমির হাতের শিরা ও গলায় কাটা হয় এবং পরে বৌদি সুদেষ্ণার হাতের শিরা কাটা হয়।
advertisement
3/6
রোমি প্রথমে নিজে বাঁ হাতে কাটার চেষ্টা করে ব‍্যর্থ হয়। তারপর প্রসূণ কেটে দেয়।
রোমি প্রথমে নিজে বাঁ হাতে কাটার চেষ্টা করে ব‍্যর্থ হয়। তারপর প্রসূণ কেটে দেয়।
advertisement
4/6
কাটার সময় রোমি ও সুদেষ্ণার মুখে বালিশ চাপা দেওয়া হয় যাতে আওয়াজ না বেরোতে পারে।
কাটার সময় রোমি ও সুদেষ্ণার মুখে বালিশ চাপা দেওয়া হয় যাতে আওয়াজ না বেরোতে পারে।
advertisement
5/6
প্রতিরোধ করা চেষ্টা করেছিলেন রোমি। ডান দিকের তল পেটে, দুই ঠোঁটে, ডান দিকের কাঁধে কালশিটে দাগ পাওয়া গিয়েছে। যাতে মনে হচ্ছে প্রতিরোধ করেছিলেন তাঁরা।
প্রতিরোধ করা চেষ্টা করেছিলেন রোমি। ডান দিকের তল পেটে, দুই ঠোঁটে, ডান দিকের কাঁধে কালশিটে দাগ পাওয়া গিয়েছে। যাতে মনে হচ্ছে প্রতিরোধ করেছিলেন তাঁরা।
advertisement
6/6
প্রণয় তিন তলায় ছিলেন। নাবালকও তিন তলায় ছিলেন সেই সময়। এরপর নাবালককে নিচে দোতলায় আনা হয়, তারও হাতের শিরা কাটা হয়। নাবালক দাবি করেছে হাতের শিরা কাটার সময় অনুভূতি হয়নি। তিন জনের ভিসেরা সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে।
প্রণয় তিন তলায় ছিলেন। নাবালকও তিন তলায় ছিলেন সেই সময়। এরপর নাবালককে নিচে দোতলায় আনা হয়, তারও হাতের শিরা কাটা হয়। নাবালক দাবি করেছে হাতের শিরা কাটার সময় অনুভূতি হয়নি। তিন জনের ভিসেরা সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে।
advertisement
advertisement
advertisement