রাজ্যে থাবা বসিয়েছে 'নিপা' ভাইরাস, জরুরি গাইডলাইন জারি রাজ্যের! খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি জেনে নিন

Last Updated:
Nipah Virus 'নিপায়' আক্রান্ত বা 'নিপার' উপসর্গ থাকা রোগীদের দেখভালের দায়িত্ব ব্যক্তিদের এবং কর্মরত সকল স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য গাইডলাইন তৈরি করল রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। মূলত, ৫ সদস্যের চিকিৎসক দলের নেতৃত্বেই এই গাইডলাইন প্রকাশ করা হয়েছে।
1/8
নিপার ক্ষেত্রেও লক্ষণ ধরা পড়ে না অনেক সময়৷ এছাড়া আক্রান্তের সাধারণ জ্বর, শ্বাসকষ্ট ছাড়াও স্নায়ুর সমস্যা, খিঁচুনি এমনকি এনসেফেলাইটিসও দেখা দিতে পারে।
রাজ্য তথা কলকাতায় ক্রমেই বাড়ছে 'নিপা' ভাইরাস। এই ভাইরাস সংক্রমণে এবার গাইডলাইন প্রকাশ করল রাজ্য সরকার।
advertisement
2/8
নিপা ভাইরাস zoonotic infection৷ অর্থাৎ পশু প্রাণী (মূলত বাদুড়, Fruit Bat or Flying Fox) থেকে মানুষের মধ্যে সংক্রমিত হয় এই ভাইরাস৷ ১৯৯৯ সালে এই ভাইরাস প্রথম চিহ্নিত হয়৷ মালয়েশিয়ার শুঙ্গাই নিপা গ্রামে এই ভাইরাসের অস্তিত্ব প্রথম জানা যায়৷ ফলে ভাইরাসের নামকরণ হয় ওই গ্রামের নামেই৷ তবে এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি SARS COV-2 প্রথম কোথায়, কীভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল৷ চিনের ইউহান প্রদেশের একটি সামুদ্রিক প্রাণী বিক্রির বাজার (Wuhan Huanan Seafood Wholesale Market) থেকে প্রথম সংক্রমিত হয় ভাইরাস৷
'নিপায়' আক্রান্ত বা 'নিপার' উপসর্গ থাকা রোগীদের দেখভালের দায়িত্ব ব্যক্তিদের এবং কর্মরত সকল স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য গাইডলাইন তৈরি করল রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। মূলত, ৫ সদস্যের চিকিৎসক দলের নেতৃত্বেই এই গাইডলাইন প্রকাশ করা হয়েছে।
advertisement
3/8
সংক্রমণের হার বেশি বলে এক দেশ থেকে অন্য দেশে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে কোভিড৷ বিশ্ব জুড়ে করোনা ভাইরাসের মহামারি হয়ে উঠতে সময় লাগেনি৷ পাশাপাশি, নিপা-র সংক্রমণ স্থানীয় ছোট অংশে সীমাবদ্ধ থেকেছে এখনও পর্যন্ত৷ কোভিড ১৯-এ আক্রান্তের উপসর্গ অনেকটাই ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো৷ প্রাথমিক পর্যায়ে জ্বর, গা-হাত-পা ব্যথা, মাথাব্যথা হল উপসর্গ৷ পরবর্তী পর্যায়ে বাড়তে পারে জটিলতা৷ অনেক সময় কোনও লক্ষণই ধরা পড়ে না৷
গাইডলাইন অনুযায়ীনিপায় আক্রান্ত অথবা নিপার উপসর্গ থাকা রোগীর রক্ত, ফ্লুইড, লালা, হাঁচি-কাশির ড্রপলেট ইত্যাদির সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিকে বাধ্যতামূলকভাবে ২১ দিনের হোম কোয়ারেন্টিনে রাখতে হবে।
advertisement
4/8
নিপা আক্রান্ত কিংবা নিপা উপসর্গ থাকা  রোগীর সঙ্গে বন্ধ সীমাবদ্ধ জায়গায় কাটানোর মানেই তাঁকে 'হাইরিস্ক' বলে গাইডলাইনে উল্লেখ করেছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর।
নিপা আক্রান্ত কিংবা নিপা উপসর্গ থাকা রোগীর সঙ্গে বন্ধ সীমাবদ্ধ জায়গায় কাটানোর মানেই তাঁকে 'হাইরিস্ক' বলে গাইডলাইনে উল্লেখ করেছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর।
advertisement
5/8
একইসঙ্গে গাইডলাইন অনুযায়ী হোম কোয়ারেন্টিন থাকাকালীন ওই ব্যক্তিকে দিনে ২ বার চিকিৎসা করাতে হবে। তবে উপসর্গ ধরা পড়লেই সঙ্গে সঙ্গে হাপপাতালে ভর্তি হতে হবে হোম কোয়ারেন্টিন থাকা ব্যক্তিকে। রাখতে হবে আইসোলেশনে ওয়ার্ডে।
একইসঙ্গে গাইডলাইন অনুযায়ী হোম কোয়ারেন্টিন থাকাকালীন ওই ব্যক্তিকে দিনে ২ বার চিকিৎসা করাতে হবে। তবে উপসর্গ ধরা পড়লেই সঙ্গে সঙ্গে হাপপাতালে ভর্তি হতে হবে হোম কোয়ারেন্টিন থাকা ব্যক্তিকে। রাখতে হবে আইসোলেশনে ওয়ার্ডে।
advertisement
6/8
একইভাবে নিপায় আক্রান্ত অথবা নিপায় উপসর্গ থাকা রোগীর জামা-কাপড়ের সংস্পর্শে এলে অথবা রোগীর সংস্পর্শে এলেও ২১ দিন পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে। একই সঙ্গে কোনও উপসর্গ পাওয়া গেলে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে তাঁকে।
একইভাবে নিপায় আক্রান্ত অথবা নিপায় উপসর্গ থাকা রোগীর জামা-কাপড়ের সংস্পর্শে এলে অথবা রোগীর সংস্পর্শে এলেও ২১ দিন পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে। একই সঙ্গে কোনও উপসর্গ পাওয়া গেলে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে তাঁকে।
advertisement
7/8
৫. বিশেষজ্ঞদের মতে, এই দূষিত খাবার বা খেজুর রস খেলে মানুষের সংক্রমণ হতে পারে। তাই এই ধরণের অপরিশোধিত খেজুরের রস সরাসরি খাওয়া এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা।
আপাতত যাদের কোনও উপসর্গ নেই তাঁদের ক্ষেত্রে সতর্কতা মূলক ব্যবস্থা হিসাবে একটি বিশেষ অ্যান্টিভাইরাল খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।অন্যদিকে, যাদের উপসর্গ দেখা যাবে, তাঁদেরকে হাসপাতালে ভর্তি করতেই হবে বলে জানিয়েছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর।
advertisement
8/8
মালয়েশিয়ার কাম্পুং সু্ঙ্গাই নিপা (Kampung Sungai Nipah) গ্রামে এই ভাইরাসের অস্তিত্ব প্রথম ধরা পড়ে৷ তাই এই ভাইরাসের নাম হয় নিপা (Nipah)৷ নিপা ভাইরাস (NiV) একটি জুনোটিক ভাইরাস, যার অর্থ এটি প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে, যার মধ্যে ফল-বাদুড় (যাদের মূল খাবার ফলমূল), যাকে উড়ন্ত শিয়ালও বলা হয়, তারা এর প্রাকৃতিক পোষক। এই ভাইরাস শূকরকেও সংক্রমিত করতে পারে এবং মানুষের মধ্যে অসুস্থতা সৃষ্টি করতে পারে - হালকা লক্ষণ থেকে শুরু করে এনসেফালাইটিস (মস্তিষ্কের ফোলাভাব) এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।
পরীক্ষা করানো সংক্রান্ত সরকারি গাইডলাইনRTPCR টেস্টের জন্য তাঁদের নমুনা দ্রুত পাঠানোরও নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর। গাইডলাইনে উল্লেখ করা হয়েছে, একদিনের মধ্যে দুবার রিপোর্ট নেগেটিভ এলে তবেই ওষুধ বন্ধ করতে হবে। PPE কিটের মতো ব্যক্তিগত সুরক্ষা নিয়ে কাজ চালিয়ে যেতে পারেন। সেক্ষেত্রে তাঁকে কোয়ারেন্টিনে রাখার কোনও প্রয়োজনীয়তা নেই।
advertisement
advertisement
advertisement