Donald Trump Tariff: ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ‘শিক্ষা দিল’ ভারতীয়ই! ট্যারিফ যুদ্ধে বাজিমাত...চিনে নিন নীল কাটিয়ালকে
- Published by:Satabdi Adhikary
- news18 bangla
Last Updated:
শিকাগোয় অভিবাসী পরিবারে জন্ম৷ সেখান থেকে বারাক ওবামার আমলে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে৷ ট্রাম্পকে শিক্ষা দিয়ে কী বললেন প্রবীণ আইনজীবী?
ওয়াশিংটন: দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের দোহাই দিয়ে ‘অনৈতিক’ ভাবে বিশ্বের প্রায় প্রত্যেকটি দেশের বিরুদ্ধে ট্যারিফ বসিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প৷ বৃহস্পতিবার ট্রাম্পের সেই ট্যারিফকেই বেআইনি বলেছে মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট৷ ফলে বাধ্য হয়েই সমস্ত দেশের উপরে ১০ শতাংশ সার্বিক শুল্ক বসানোর ঘোষণা করতে হয়েছে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে৷ কিন্তু, জানেন কি, ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই দৌরাত্ম্যে রাশ টানল কে? ট্রাম্পের ‘স্বেচ্ছাচারিতা’র বিরুদ্ধে মার্কিন সুপ্রিম কোর্টে অভূতপূর্ব মামলা লড়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত আইনজীবী নীল কাটিয়াল৷
advertisement
advertisement
advertisement
সাবেক ভারপ্রাপ্ত সলিসিটর জেনারেল কাটিয়াল ছোট ব্যবসায়ীদের পক্ষে আদালতে এই মামলা লড়েন। তিনি বলেন, “সংবিধান মেনে চললে ফল ভিন্ন হতে পারত। কিন্তু ‘আমি প্রেসিডেন্ট, আমি যা খুশি করতে পারি’—এই ধরনের মনোভাব নিয়ে চললে তো হবে না।” তিনি আরও বলেন, “মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে মামলা জেতা খুবই কঠিন। কিন্তু আমরা পেরেছি, কারণ প্রেসিডেন্ট অত্যন্ত চরম অবস্থান নিয়েছিলেন। আমাদের একটাই লক্ষ্য ছিল—সংবিধান রক্ষা করা।”
advertisement
আসলে, ট্রাম্প আমেরিকার ১৯৭৭ সালের International Emergency Economic Powers Act নামক আইন ব্যবহার করে পৃথিবীর প্রায় প্রত্যেকটি দেশের উপরে শুল্ক আরোপ করেছিলেন৷ কিন্তু, এই আইন কেবলমাত্র দেশের চরম জরুরি অবস্থায় কার্যকর করা যায় কিছু কিছ ক্ষেত্রে৷ আর প্রেসিডেন্টকে অবশ্যই আইন লাগু করতে আইনসভার সদস্যদের অনুমতি নিতে হয়৷ এক্ষেত্রে, কোনওটাই মানেননি ট্রাম্প৷
advertisement
রায় ঘোষণার পর কাটিয়াল বলেন, এদিনের রায়ে মার্কিন প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার সাংবিধানিক সীমা স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে। তিনি বলেন, “আজ আমেরিকার সুপ্রিম কোর্ট আইনের শাসন এবং আমেরিকার জনগণের পক্ষে দাঁড়িয়েছে। বার্তাটি খুব পরিষ্কার—প্রেসিডেন্ট শক্তিশালী, কিন্তু আমাদের সংবিধান তার চেয়েও শক্তিশালী। আমেরিকায় জনগণের ওপর কর আরোপ করার ক্ষমতা শুধু কংগ্রেসের।’’
advertisement
এই মামলাটি ছোট ব্যবসায়ীদের সমর্থনে এবং Liberty Justice Center–এর সহযোগিতায় করা হয়েছিল। ট্রাম্পের দাবি ছিল, জরুরি অর্থনৈতিক ক্ষমতার আওতায় এই শুল্ক আরোপ করা বৈধ। কাটিয়াল বলেন, এই রায় কোনও নির্দিষ্ট প্রেসিডেন্টকে কেন্দ্র করে নয়, বরং প্রেসিডেন্ট পদ এবং ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষার বিষয়ে। তাঁর কথায়, “এই মামলা সবসময়ই প্রেসিডেন্সি নিয়ে, কোনো এক ব্যক্তিকে নিয়ে নয়। এটি ক্ষমতার বিভাজন এবং সংবিধান রক্ষার প্রশ্ন। আমাদের এমন একটি ব্যবস্থা আছে, যা নিজেই ভুল শুধরে নিতে পারে। আপনি পৃথিবীর সবচেয়ে ক্ষমতাশালী ব্যক্তি হলেও সংবিধান ভাঙতে পারবেন না—আজকের রায় সেটাই প্রমাণ করেছে।”
advertisement







