ছোটবেলার সেই চাঁদের দেশে পাড়ি ৷ ঠাকুরমার মুখে শোনা চাঁদমামা আজ রিসার্চের বিষয়বস্তু হয়ে দাঁড়িয়েছে ৷ ১৯৬০ সালের পর থেকে পরবর্তী ১০ বছর গবেষণায় কেটেছে ৷ তারপর থেকেই চাঁদ থেকে পাথর এনে জমিয়েছে মানুষ ৷ প্রায় ৩৮২ কেজি পাথর জমিয়েছে ৷ জানা গিয়েছে চাঁদকে তিন টুকরোয় ভাগ করে নীলামের উদ্দেশ্যে বিক্রি করা হয়েছে ৷ যার বাজার মূল্য সাড়ে ৮ লক্ষ ডলার বা ৬ কোটি টাকা ৷ এর আগেও চাঁদের টুকরোর নিলাম হয়েছে ৷ যাঁরা মহকাশে যাওয়ার জন্য ঋণে নিয়ে ছিলেন যাঁদের নিজস্ব টাকা ছিলনা ৷ চাঁদের টুকরো কিনতে ক্রয়ের তালিকাভূক্ত ছিলেন ৷ প্রতীকী ছবি ৷
advertisement
advertisement
advertisement
১৯৭২ সালে নাসার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে চাঁদ থেকে বড় একটি পাথর নিয়ে আসা হয়েছে ৷ যা বিশ্বের অনেক দেশেই উপহার হিসাবে দেওয়ার কথা ছিল ৷ তৎকালীন আমেরিকার রাষ্ট্রপতি রিচার্ড নিক্সন পৃথিবার প্রায় ১৩০টি দেশে ভাগ করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন ৷ এর আগে ১৯৬২ সালে দেশে চাঁদের টুকরো উপহার হিসাবে দেওয়া হয়েছিল ৷ প্রতীকী ছবি ৷
advertisement
advertisement
