ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ তাড়াতাড়ি থামানোর কোনও সম্ভাবনাই নেই ! ‘যথেষ্ট ফান্ড রয়েছে...’ স্পষ্ট করল আমেরিকা
- Published by:Siddhartha Sarkar
Last Updated:
ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালী নিয়ে হুমকি দেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পাল্টা তোপ দাগে ইরানও। পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলিতে আমেরিকা পরিচালিত বহু তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থা, তৈল শোধনাগার এবং পানীয় জল পরিশোধন সংস্থাও রয়েছে। এবার সেগুলিকেও নিশানা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান।
ট্রাম্প রবিবার জানিয়েছেন, তিনি ইরানের সমস্ত বিদ্যুৎকেন্দ্র নিশ্চিহ্ন করে দিতে চলেছেন। হরমুজ প্রণালী খুলে না দিলে ইরানে নতুন করে অভিযান শুরু করবে আমেরিকা। এবং নিশানায় থাকবে দেশটির ছোট-বড় সমস্ত বিদ্যুৎকেন্দ্র। এর জন্য তেহরানকে সময়ও বেঁধে দেন ট্রাম্প। রবিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টে ট্রাম্প লিখেছিলেন, ‘‘আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইরান যদি হরমুজ় প্রণালী পুরোপুরি, কোনও হুমকি ছাড়া খুলে না দেয়, আমেরিকা তাদের ফের আঘাত করবে এবং বহু বিদ্যুৎকেন্দ্র নিশ্চিহ্ন করে দেবে। আঘাত শুরু হবে ইরানের বৃহত্তম বিদ্যুৎকেন্দ্রটিকে দিয়ে।’’ (Photo: AP)
advertisement
এই পোস্টের মুহূর্ত থেকে ৪৮ ঘণ্টার ‘কাউন্টডাউন’ শুরু হবে বলে জানিয়ে দেন ট্রাম্প। US Treasury Secretary স্কট বেসেন্ট জানিয়েছেন, আমেরিকার কাছে ইরানের বিরুদ্ধে চলতে থাকা সংঘর্ষ চালিয়ে যাওয়ার জন্য যথেষ্ট অর্থ আছে ৷ কিন্তু দীর্ঘমেয়াদী সামরিক প্রস্তুতি নিশ্চিত করার জন্য কংগ্রেস থেকে অতিরিক্ত “supplemental” অর্থ চাওয়া হচ্ছে । (Photo: AP)
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
এদিকে ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির পরেও দমার লক্ষণ নেই, বরং আরও আগ্রাসী হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে ইরান। শনিবার তারা ইজ়রায়েলের ডিমোনায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়। এই শহরেই রয়েছে ইজরায়েলের বৃহত্তম পরমাণু গবেষণা কেন্দ্র। শনিবারই ইরানের নাতান্জ় পরমাণু কেন্দ্রকে নিশানা বানিয়েছিল ইজরায়েল এবং আমেরিকা। মনে করা হচ্ছে সেই হামলারই ‘বদলা’ নিতে ইজ়রায়েলের ডিমোনা শহরে মিসাইল ছুড়েছে ইরান। (Photo: AP)







