Eugene Shoemaker buried on the Moon: এই বিজ্ঞানীই পৃথিবীর একমাত্র মানুষ যাঁর অস্থিভস্ম মিশেছে চাঁদের মাটিতে
- Written by:Bangla Digital Desk
- news18 bangla
- Published by:Arpita Roy Chowdhury
Last Updated:
Eugene Shoemaker buried on the Moon: নশ্বরদেহে চাঁদে পৌঁছতে না পারলেও অবিনশ্বরভাবে চাঁদের মাটিতে শেষ পর্যন্ত পৌঁছতে পেরেছিলেন বিজ্ঞানী ইউজিন শুমেকার
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
advertisement
উল্কাপিণ্ড বা ধূমকেতুর আঘাতে পৃথিবীর বুকে যে বিশাল গহ্বর বা ক্রেটার সৃষ্টি হয়, তার অনুসন্ধান ও চর্চা করা ছিল শুমেকারের মূল গবেষণা ও কাজের বিষয়৷ সে কাজের অংশ হিসেবেই ১৯৯৭ সালের জুলাই মাসে স্ত্রী ক্যারোলিনকে নিয়ে উল্কাপিণ্ডের আঘাতে তৈরি হওয়া নতুন গহ্বরের সন্ধানে তিনি গিয়েছিলেন পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার ট্যানামি ট্র্যাকে৷
advertisement
প্রত্যন্ত ও পাণ্ডবর্জিত ট্যানামি ট্র্যাকে তাঁদের গাড়ির সঙ্গে সংঘর্ষ হয় বিপরীত দিক থেকে আসা দ্রুতগামী একটি গাড়ির৷ দুর্ঘটনায় নিহত হন ইউজিন শুমেকার৷ গুরুতর আহত হন তাঁর স্ত্রী৷ ইউজিনের প্রয়াণের পর তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগী বিজ্ঞানী ক্যারোলিন পোর্সো ঠিক করেন, জীবিত অবস্থায় যেতে না পারলেও মৃত্যুর পরে চাঁদে পৌঁছবেন এই বিজ্ঞানী।
advertisement
শুমেকারের দেহ দাহ করে সংগ্রহ করা হল ভস্ম। একটি পলি কার্বোনেটের ক্যাপসুলে পিতলের পাত্রে রাখা হয় সেই ভস্ম৷ আধারের গায়ে লেখা হয় বিজ্ঞানীর নাম, পরিচয়, জন্ম ও মৃত্যুর দিন এবং উইলিয়ম শেক্সপিয়েরর কালজয়ী অমর সৃষ্টি ‘রোমিও জুলিয়েট’-এর একটি অংশ৷ নাসা-র মহাকাশযান লুনার প্রসপেক্টরে রাখা হয় ভস্মপূর্ণ সেই আধার৷
advertisement
১৯৯৮ সালে চাঁদের উদ্দেশে যাত্রা করে লুনার প্রসপেক্টর ৷ ১৯৯৯ সালের ৩১ জুলাই চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কাছে একটি ক্রেটার বা গহ্বরে ক্র্যাশ ল্যান্ডিং করানো হয় ‘লুনার প্রসপেক্টর’-কে। বিস্ফোরণের অভিঘাতে প্রসপেক্টর থেকে বেরিয়ে পড়ে ক্যাপসুল। পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহের ভূমিতে বিলীন হয়ে যায় ইউজিন শুমেকারের চিতাভস্ম। দেশ-কাল-সময়ের বেড়াজাল ভেঙে চিরকালের জন্য৷






