advertisement

Sayani Gupta: মা চাইতেন না মেয়ে অভিনয় করুক, ঘরে আটকে রাখতেন, আত্মহত্যার হুমকি দিতেন, তবুও নিজের স্বপ্নপূরণ করেছেন বঙ্গকন্যা

Last Updated:
বঙ্গতনয়া সায়নী গুপ্তার জয়যাত্রা অব্যাহত! সব বাধা-বিপত্তিকে জয় করে, সব প্রতিবন্ধকাতে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে নিজের সিদ্ধান্তে অটুট থাকেন বঙ্গললনা, বুঝিয়ে দেন তিনি 'লম্বা রেসের ঘোড়া'!
1/7
আপাতত 'ফোর মোর শটস প্লিজ'-এর সিজন ৪-এর সাফল্য উপভোগ করছেন বাঙালি নায়িকা সায়নী গুপ্ত। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ‘জলি এলএলবি ২’ খ্যাত অভিনেত্রী জানান, অভিনয়কে পেশা হিসেবে বেছে নেওয়ায় তাঁর মায়ের প্রবল আপত্তি ছিল। মেয়ে অভিনয় করলে তিনি আত্মহত্যা করে ফেলবেন, এমন হুমকিও দিতেন। কিন্তু সব প্রতিবন্ধকাতে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে নিজের সিদ্ধান্তে অটুট থাকেন বঙ্গললনা, বুঝিয়ে দেন তিনি 'লম্বা রেসের ঘোড়া'!
আপাতত 'ফোর মোর শটস প্লিজ'-এর সিজন ৪-এর সাফল্য উপভোগ করছেন বাঙালি নায়িকা সায়নী গুপ্ত। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ‘জলি এলএলবি ২’ খ্যাত অভিনেত্রী জানান, অভিনয়কে পেশা হিসেবে বেছে নেওয়ায় তাঁর মায়ের প্রবল আপত্তি ছিল। মেয়ে অভিনয় করলে তিনি আত্মহত্যা করে ফেলবেন, এমন হুমকিও দিতেন। কিন্তু সব প্রতিবন্ধকাতে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে নিজের সিদ্ধান্তে অটুট থাকেন বঙ্গললনা, বুঝিয়ে দেন তিনি 'লম্বা রেসের ঘোড়া'!
advertisement
2/7
১৯৮৫ সালের অক্টোবর মাসে কলকাতায় জন্ম সায়নীর। বাবা-মা এবং দুই ভাইয়ের সঙ্গে কলকাতায় থাকতেন। বাবা ছিলেন পেশায় সঙ্গীতশিল্পী, রেডিও সংস্থায় কাজ করতেন। মা ছিলেন বিএসএনএল-এর কর্মী। শুরুর দিনগুলোর কথা মনে করে সায়নী বলেন, উচ্চ বেতনের কর্পোরেট চাকরি ছেড়ে তিনি বলিউডে কেরিয়ার গড়ার পথে এগিয়ে যান।
১৯৮৫ সালের অক্টোবর মাসে কলকাতায় জন্ম সায়নীর। বাবা-মা এবং দুই ভাইয়ের সঙ্গে কলকাতায় থাকতেন। বাবা ছিলেন পেশায় সঙ্গীতশিল্পী, রেডিও সংস্থায় কাজ করতেন। মা ছিলেন বিএসএনএল-এর কর্মী। শুরুর দিনগুলোর কথা মনে করে সায়নী বলেন, উচ্চ বেতনের কর্পোরেট চাকরি ছেড়ে তিনি বলিউডে কেরিয়ার গড়ার পথে এগিয়ে যান।
advertisement
3/7
তখন সায়নীর ২১ বছর বয়স, তিনি এক বেসরকারি সংস্থার মার্কেটিং এবং সেল্স বিভাগে মোটা বেতনের চাকরি করছেন। কিন্তু মন থেকে খুশি ছিলেন না। তাঁকে তখন রুপোলি দুনিয়া হাতছানি দিয়ে ডাকছে। নিজের স্বপ্নপূরণ করবেন বলে জেদ ধরে নিয়েছিলেন সায়নী। সায়নীর ভাষায়, “আমি প্রচুর টাকা উপার্জন করতাম, কারণ আমি কাজপাগল ছিলাম। কিন্তু আমি যেমনভাবে নিজের জীবনটা দেখব কল্পনা করেছিলাম, সেই জীবনটা তেমন ছিল না।''
তখন সায়নীর ২১ বছর বয়স, তিনি এক বেসরকারি সংস্থার মার্কেটিং এবং সেল্স বিভাগে মোটা বেতনের চাকরি করছেন। কিন্তু মন থেকে খুশি ছিলেন না। তাঁকে তখন রুপোলি দুনিয়া হাতছানি দিয়ে ডাকছে। নিজের স্বপ্নপূরণ করবেন বলে জেদ ধরে নিয়েছিলেন সায়নী। সায়নীর ভাষায়, “আমি প্রচুর টাকা উপার্জন করতাম, কারণ আমি কাজপাগল ছিলাম। কিন্তু আমি যেমনভাবে নিজের জীবনটা দেখব কল্পনা করেছিলাম, সেই জীবনটা তেমন ছিল না।''
advertisement
4/7
ছোট থেকেই অভিনয়ের প্রতি ভালবাসা সায়নীর। স্কুল-কলেজের পড়াশোনা শেষ করার পর কলকাতার নামকরা নাটকের দলে যোগ দেন সায়নী। সেই সুবাদে বিভিন্ন নাটকে অভিনয়ও করেন তিনি। কিন্তু নাটকের মহড়া দিতে যেতে দিতেন না সায়নীর মা। কিন্তু দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলেন সায়নী। পুণের ফিল্ম   অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া (এফটিআইআই)-তে ভর্তি হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু বেঁকে বসেন মা। ‘সাইরাস সেজ’ অনুষ্ঠানে সায়নী বলেন, “আমার মা বলেছিলেন, ‘তুমি যদি যাও, আমি আমার কবজি কেটে ফেলব।''
ছোট থেকেই অভিনয়ের প্রতি ভালবাসা সায়নীর। স্কুল-কলেজের পড়াশোনা শেষ করার পর কলকাতার নামকরা নাটকের দলে যোগ দেন সায়নী। সেই সুবাদে বিভিন্ন নাটকে অভিনয়ও করেন তিনি। কিন্তু নাটকের মহড়া দিতে যেতে দিতেন না সায়নীর মা। কিন্তু দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলেন সায়নী। পুণের ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া (এফটিআইআই)-তে ভর্তি হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।কিন্তু বেঁকে বসেন মা। ‘সাইরাস সেজ’ অনুষ্ঠানে সায়নী বলেন, “আমার মা বলেছিলেন, ‘তুমি যদি যাও, আমি আমার কবজি কেটে ফেলব।''
advertisement
5/7
সায়নীর দাবি, মা তাঁকে ঘরবন্দি করে রাখতেন। কোনও ভাবেই বাড়ি থেকে বেরোতে দিতেন না। সায়নীর কথায়, ''মায়ের ধারণা ছিল অভিনেতারা পতিতা।'' সায়নী এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, টানা এক মাস তাঁর সঙ্গে কথা বলেননি মা। তার পর নিজেই পুণেতে মেয়ের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন। অভিনেত্রী বলেছিলেন, ‘‘মা আমার সঙ্গে ক্যাম্পাসে দেখা করতে এসেছিলেন। সেখানকার ছাত্রছাত্রীরা মাকে দেখে ৫টি ছবিতে অভিনয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। একটি ছবিতে মা অভিনয়ও করেছিলেন। তার পরই অভিনয় ও অভিনেতা সম্পর্কে মায়ের ধারণা বদলায়।’’
সায়নীর দাবি, মা তাঁকে ঘরবন্দি করে রাখতেন। কোনও ভাবেই বাড়ি থেকে বেরোতে দিতেন না। সায়নীর কথায়, ''মায়ের ধারণা ছিল অভিনেতারা পতিতা।'' সায়নী এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন, টানা এক মাস তাঁর সঙ্গে কথা বলেননি মা। তার পর নিজেই পুণেতে মেয়ের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন। অভিনেত্রী বলেছিলেন, ‘‘মা আমার সঙ্গে ক্যাম্পাসে দেখা করতে এসেছিলেন। সেখানকার ছাত্রছাত্রীরা মাকে দেখে ৫টি ছবিতে অভিনয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। একটি ছবিতে মা অভিনয়ও করেছিলেন। তার পরই অভিনয় ও অভিনেতা সম্পর্কে মায়ের ধারণা বদলায়।’’
advertisement
6/7
২০১৫ সালে ‘মার্গারিটা উইথ আ স্ট্র’ ছবির মাধ্যমে বলিপাড়ায় কেরিয়ার শুরু সায়নীর। তাঁর কেরিয়ারের তৃতীয় ছবি শাহরুখের খানের সঙ্গে। ২০১৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ফ্যান’ ছবিতেও ছিলেন সায়নী।
২০১৫ সালে ‘মার্গারিটা উইথ আ স্ট্র’ ছবির মাধ্যমে বলিপাড়ায় কেরিয়ার শুরু সায়নীর। তাঁর কেরিয়ারের তৃতীয় ছবি শাহরুখের খানের সঙ্গে। ২০১৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ফ্যান’ ছবিতেও ছিলেন সায়নী।
advertisement
7/7
‘বার বার দেখো’, ‘জলি এলএলবি ২’, ‘জগ্গা জাসুস’, ‘আর্টিকল ১৫’, ‘অ্যাক্সন’, ‘জ়ুইগ্যাটো’-র মতো একাধিক হিন্দি ছবিতে অভিনয় করেন সায়নী। তা ছাড়া ‘ইনসাইড এজ’, ‘ফোর মোর শট্স প্লিজ!’, ‘দিল্লি ক্রাইম ৩’-এর মতো ওয়েব সিরিজেও অভিনয় করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে।
‘বার বার দেখো’, ‘জলি এলএলবি ২’, ‘জগ্গা জাসুস’, ‘আর্টিকল ১৫’, ‘অ্যাক্সন’, ‘জ়ুইগ্যাটো’-র মতো একাধিক হিন্দি ছবিতে অভিনয় করেন সায়নী। তা ছাড়া ‘ইনসাইড এজ’, ‘ফোর মোর শট্স প্লিজ!’, ‘দিল্লি ক্রাইম ৩’-এর মতো ওয়েব সিরিজেও অভিনয় করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে।
advertisement
advertisement
advertisement