শিল্পী অন্নপূর্ণা দেবীর জন্ম শতবর্ষ স্মরণে শাস্ত্রীয় সঙ্গীত সম্মেলন, ভারতীয় ডাক বিভাগের বিশেষ সম্মাননা
- Published by:Pooja Basu
- news18 bangla
Last Updated:
আলাউদ্দিন খাঁন এর কন্যা, উস্তাদ আলি আকবর খাঁন এর বোন ছিলেন মাইহার ঘরানার শিল্পী। মাইহার স্টেটের মহারাজা ব্রীজনাথ সিং এর দেওয়া "অন্নপূর্ণা" নামেই সকলের কাছে পরিচিত হন।
আন্তর্জাতিক নারী দিবসের প্রাক্কালে বসন্তের শহরে সুরবাহার শিল্পী অন্নপূর্ণা দেবীর জন্ম শতবর্ষ স্মরণে শাস্ত্রীয় সংগীত সম্মেলন, ভারতীয় ডাক বিভাগের বিশেষ সম্মাননা৷ শহরের সঙ্গীত অনুরাগীদের জন্য বসন্তকালে৷ অন্নপূর্ণা দেবী ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে অত্যন্ত আনন্দ ও প্রত্যাশার সঙ্গে উপস্থাপন করা হচ্ছে অন্নপূর্ণা দেবীর জন্ম শতবর্ষে এক বিশেষ শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের অনুষ্ঠান জি.ডি.বিড়লা সভাঘরে। এর আগে এই সংস্থা সরোদ, বেহালা ,সেতার সম্মেলন করেছিল।
advertisement
এই বছর, এই সঙ্গীত সমারোহ অন্নপূর্ণা দেবীর জন্ম শতবর্ষ উদযাপন করছে।এই অনুষ্ঠান ভারতীয় শাস্ত্রীয় সঙ্গীতের বৈচিত্র্যময় নানা আঙ্গিকের মধ্য দিয়ে একটি মন্ত্রমুগ্ধ করা সঙ্গীত সফর উপস্থিত করছে শ্রোতাদের কাছে।আমাদের দেশের বিভিন্ন ঘরানা এবং শৈলীর প্রতিনিধিত্বকারী শাস্ত্রীয় সংগীত শিল্পীরা যন্ত্র সঙ্গীত ও কন্ঠ সঙ্গীত পরিবেশনার মধ্যে দিয়ে অন্নপূর্ণা দেবীকে স্মরণ করছেন। প্রতিটি শিল্পী তাঁদের সঙ্গে একটি অনন্য শৈলি নিয়ে আসেন, একটি স্বতন্ত্র স্বাদ যা আমাদের সঙ্গীত ঐতিহ্যকে সমৃদ্ধ করে। এমন একটি বিশ্বে যেখানে স্পটলাইট প্রায়শই ইতিমধ্যেই বিখ্যাতদের উপরে উজ্জ্বল হয়ে ওঠে, এই সংস্থা শুধুমাত্র বিখ্যাত উস্তাদদের মঞ্চে নিয়ে আসে না, বরং স্বল্প পরিচিত কিন্তু সমানভাবে ব্যতিক্রমী প্রতিভাদের সামনে নিয়ে আসার কাজে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।এই কৃতিরা যদিও সম্ভবত ব্যাপকভাবে স্বীকৃত নয়, কিন্তু তাঁদের দক্ষতা এবং তাঁদের নৈপুণ্যে অতুলনীয়।
advertisement
অন্নপূর্ণা দেবী একজন মহিলা সুরবাহার শিল্পী। বাবা আলাউদ্দিন খাঁন এর কন্যা, উস্তাদ আলি আকবর খাঁন এর বোন ছিলেন মাইহার ঘরানার শিল্পী। তাঁর উল্লেখযোগ্য ছাত্ররা হলেন পণ্ডিল নিখিল বন্দ্যোপাধ্যায়, পন্ডিত হরিপ্রসাদ চৌরাসিয়া, আশিস খান, দক্ষিণা মোহন ঠাকুর, বসন্ত কাবরা, সুধীর ফাডকে, নিত্যানন্দ হলদিপুর প্রমুখ। জন্মসূত্রে মুসলিম পরিবারে জন্ম হলেও, মাইহার স্টেটের মহারাজা ব্রীজনাথ সিং এর দেওয়া "অন্নপূর্ণা" নামেই সকলের কাছে পরিচিত হন।
advertisement
advertisement
সংস্থার পক্ষে নিত্যানন্দ হলদিপুর জানান, "আমরা আশা করি এই অসাধারণ আয়োজন এই শহরের শাস্ত্রীয় সঙ্গীত অনুরাগীদের উপস্থিতি এবং সমর্থন পাবে। আপনার উপস্থিতি শুধুমাত্র সঙ্গীতের প্রতি আপনার ভালবাসার প্রমাণই হবে না বরং শিল্পীদের উৎসাহিত করবে। ভারতীয় ডাক বিভাগের এই সম্মান এই উদ্যোগের এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে।"







