Udit Narayan: প্রতারণা ও নির্যাতনের অভিযোগ, উদিত নারায়ণের বিরুদ্ধে থানায় দ্বারস্থ প্রথম স্ত্রী!
- Published by:Salmali Das
- news18 bangla
Last Updated:
Udit Narayan: খ্যাতনামা প্লেব্যাক গায়ক উদিত নারায়ণ ঝা ফের বিতর্কের মুখে। তাঁর প্রথম স্ত্রী রঞ্জনা নারায়ণ ঝা সুপৌল মহিলা থানায় উদিত নারায়ণ, তাঁর দুই ভাই এবং দ্বিতীয় স্ত্রীর বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ দায়ের করেছেন।
খ্যাতনামা প্লেব্যাক গায়ক উদিত নারায়ণ ঝা ফের বিতর্কের মুখে। তাঁর প্রথম স্ত্রী রঞ্জনা নারায়ণ ঝা সুপৌল মহিলা থানায় উদিত নারায়ণ, তাঁর দুই ভাই এবং দ্বিতীয় স্ত্রীর বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগের মধ্যে রয়েছে প্রতারণা, মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন এবং প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের মতো বিষয়। রঞ্জনার দাবি, চিকিৎসার নাম করে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে তাঁর অজ্ঞাতে জরায়ু অপসারণ করা হয়েছিল।
advertisement
১৯৮৪-র বিয়ে, তারপর দূরত্বরঞ্জনা ঝার বক্তব্য অনুযায়ী, ৭ ডিসেম্বর ১৯৮৪ সালে প্রথাগত রীতিনীতি মেনে তাঁদের বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পরই উদিত নারায়ণ কেরিয়ারের কারণে মুম্বইয়ে চলে যান। এরপর থেকেই দাম্পত্য জীবনে দূরত্ব বাড়তে থাকে বলে দাবি রঞ্জনার। পরে সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন, উদিত দ্বিতীয়বার বিয়ে করেছেন। এ বিষয়ে প্রশ্ন তুললেও স্পষ্ট জবাব পাননি বলে অভিযোগ।
advertisement
চিকিৎসার নামে গুরুতর অভিযোগসবচেয়ে গুরুতর অভিযোগ ১৯৯৬ সালের একটি ঘটনাকে ঘিরে। রঞ্জনার দাবি, তাঁকে চিকিৎসার জন্য দিল্লির একটি বড় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁর স্পষ্ট সম্মতি ছাড়াই জরায়ু অপসারণ করা হয়। পরবর্তীতে অন্য চিকিৎসার সময় তিনি বিষয়টি জানতে পারেন বলে দাবি করেছেন। এই ঘটনাকে তিনি ‘পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র’ বলে উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন, এতে তিনি শারীরিক ও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন।
advertisement
advertisement
অসুস্থতা ও আর্থিক অনটনবর্তমানে ৬১ বছর বয়সী রঞ্জনা ঝা শারীরিক অসুস্থতা ও আর্থিক সংকটের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন। দীর্ঘদিন আশ্বাস পেলেও বাস্তবে কোনও সহায়তা পাননি বলেই তাঁর অভিযোগ। সেই কারণেই পুনরায় মহিলা থানার দ্বারস্থ হয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, প্রতিশোধ নয়—নিজের অধিকার ও সম্মানের জন্যই তিনি লড়াই করছেন।
advertisement
advertisement
উল্লেখ্য, এর আগেও পারিবারিক আদালত ও মহিলা কমিশনে এই বিষয়টি উঠেছিল বলে দাবি রঞ্জনার। তাঁর কথায়, একসময় স্ত্রী হিসেবে স্বীকৃতির আশ্বাস মিললেও বাস্তবে সেই সম্মান বা সহযোগিতা পাননি। তবে এই মুহূর্তে অভিযোগগুলি একতরফা দাবি, যার সত্যতা প্রমাণ সাপেক্ষ। পুরো বিষয়টি এখন পুলিশের তদন্তের ওপর নির্ভর করছে।







