Amitabh Bachchan Gossip: অমিতাভ বচ্চনের ‘মা’ বয়সে ছোট নায়িকা. সিনেমা হলে গিয়ে যা করেছিলেন অমিতাভের স্ত্রী জয়া বচ্চন
- Published by:Debalina Datta
- news18 bangla
Last Updated:
Bollywood Gossip: অমিতাভ বচ্চনের একাধিক সুপারহিট সিনেমা, কিন্তু এই সিনেমা নিয়ে কী বলবেন!
বলিউড সিনেমার সর্বকালীন সুপারস্টারদের নাম যবে, যেখানেই করা হবে তাতে যে নামটি আসবেই সেটা হল অমিতাভ বচ্চনের৷ যেখানে তাঁর এই ক্যারিশমা, সেখানেই বদনাম বা গসিপও তত বেশি হয়৷ বিগ বি-র তাঁর একটি ছবির গানের কথা হল, 'জো হ্যায় নাম ওয়ালা ওয়াহি তো বদনাম হ্যায়।’ এটি বিগ বি-এর ক্ষেত্রে সত্য। কোন সন্দেহ নেই যে অমিতাভ বচ্চনের অভিনয় দক্ষতা অন্য কারো কাছে অতুলনীয়। কিন্তু আজও যখন অমিতাভ তার কেরিয়ারের দিকে ফিরে তাকাবেন, তিনি অনেক সফল এবং দুর্দান্ত সিনেমা দেখতে পান। কিন্তু তাঁর ঝোলাতেও এমন কিছু চলচ্চিত্র থাকবে যা নিয়ে তিনি ভাবেন, কেন এমন সিনেমা করেছিলাম?
advertisement
অমিতাভ বচ্চনের কেরিয়ারে যেমন প্রচুর সিনেমা ব্লকবাস্টার রয়েছে ঠিক তেমনিই অনেক ফ্লপ এবং ভয়ানক সিনেমাও রয়েছে৷ তবে জানেন কি বিগ বি-র কেরিয়ারে সবচেয়ে হাস্যকর ছবি যা অত্যন্ত ভয়ানক হয়েছিল যা দর্শকরা তো পছন্দ করেননি বটেই এমনকি জয়া বচ্চনও সেই সিনেমা দেখতে গিয়ে যা করেছিলেন তা ভাবলে দম ফাটা হাসিতে ভেঙে পড়বেন৷ এই সিনেমায় ডিম্পল কাপাডিয়া তাঁর স্ত্রীর ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন এবং তার থেকে ৮ বছরের ছোট একজন অভিনেত্রীকে তাঁর মায়ের ভূমিকায় অভিনয় করতে দেখা গিয়েছিল৷
advertisement
'মৃত্যুদাতা'-এর বাজেট ছিল সে সময়ের নিরিখে প্রচুর৷ ১৩ কোটি টাকার বাজেটে তৈরি এই সিনেমা বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়েছিল৷ ভারতের বাজারে এই সিনেমাটি আয় করেছে মাত্র ৮ কোটি টাকা। ৫ বছরের বিরতির পর ১৯৯৭ সালে এটি ছিল অমিতাভ বচ্চনের কামব্যাক মুভি৷ তিনি তাঁর ইমেজ এবং স্টারডম ফিরে পেতে চেয়েছিলেন, এবং নিজেই প্রযোজনার দায়িত্ব নেন।ছবিটি পরিচালনা করেছিলেন মেহুল কুমারের হাতে, যিনি রাজকুমার এবং মিঠুনের মতো স্টারদের নিয়ে সুপারহিট ছবি তৈরি করেছিলেন এর আগে৷
advertisement
advertisement
এই সিনেমা 'মৃত্যুদাতা', ১৯৯৭-র এপ্রিল মাসে মুক্তি পেয়েছিল, যেটি অমিতাভ বচ্চনের কোম্পানি ABCL প্রযোজনা করেছিল। এই ছবিটি শুধু সেই বছরের সবচেয়ে হাস্যকর ছবি নয়, বিগ বি-এর কেরিয়ারেরও সবচেয়ে জঘন্য সিনেমা ছিল। ছবিটি পরিচালনা করেছেন মেহুল কুমার। হিট ছবি 'তিরাঙ্গা' পরিচালনা করেছিলেন মেহুল কুমার। ছবিতে অমিতাভ বচ্চন ডক্টর রাম প্রসাদ ঘায়েলের ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন। এছাড়াও ডিম্পল কাপাডিয়া, কারিশ্মা কাপুর, আরবাজ আলি খান, পরেশ রাওয়াল, আশিস বিদ্যার্থী, টিকু তালসানিয়া, মুশতাক খানের সঙ্গে ফরিদা জালাল এবং প্রাণকেও ছবিতে দেখা গেছে অমিতাভকে।
advertisement
'মৃত্যুদাতা'-এর বাজেট ছিল সে সময়ের নিরিখে প্রচুর৷ ১৩ কোটি টাকার বাজেটে তৈরি এই সিনেমা বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়েছিল৷ ভারতের বাজারে এই সিনেমাটি আয় করেছে মাত্র ৮ কোটি টাকা। ৫ বছরের বিরতির পর ১৯৯৭ সালে এটি ছিল অমিতাভ বচ্চনের কামব্যাক মুভি৷ তিনি তাঁর ইমেজ এবং স্টারডম ফিরে পেতে চেয়েছিলেন, এবং নিজেই প্রযোজনার দায়িত্ব নেন।ছবিটি পরিচালনা করেছিলেন মেহুল কুমারের হাতে, যিনি রাজকুমার এবং মিঠুনের মতো স্টারদের নিয়ে সুপারহিট ছবি তৈরি করেছিলেন এর আগে৷
advertisement
মেহুল কুমার চিত্রনাট্য প্রস্তুত করেছিলেন এবং অমিতাভের ভাইয়ের ভূমিকার জন্য সানি দেওলকে সাইন করতে চেয়েছিলেন, তিনি সে সময় স্টারডমের শীর্ষে ছিলেন। কিন্তু সে সময় একাধিক সিনেমা হাতে থাকায় তিনি সিনেমাটিতে অভিনয় করেননি। এরপর ছবিটির জন্য সাইফের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তিনিও রাজি হননি। এরপর ৭০ দশকের বিখ্যাত খলনায়ক অজিত খানের ছেলে আরবাজ খানকে বলা হয়৷
advertisement
ছবিতে একটি ক্যামিও চরিত্রে দেখা গিয়েছিল প্রাণকে। এটিই ছিল অমিতাভ ও প্রাণের শেষ ছবি। ২৪ বছর আগে 'জঞ্জির' ছবিতে এই জুটিকে প্রথম দেখা গিয়েছিল। ছবিতে, ফরিদা জালাল অমিতাভের মায়ের ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন, যিনি আসলে অমিতাভের থেকে ৮ বছরের ছোট। বয়সে ছোট অভিনেত্রীর মা হওয়ায় দর্শকরা মোটেই মানতে পারেননি৷






