Super Hero Police Kaku: ভূগোল পরীক্ষা আর দেওয়া হল না, এই ভেবে হাউহাউ করে কাঁদছিল মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী, পুলিশ কাকু-র কামাল কাজে টাইমেই পরীক্ষা কেন্দ্রে হাজির
- Reported by:Sudipta Garain
- Published by:Debalina Datta
Last Updated:
Super Hero Police Kaku: পরীক্ষা আর দেওয়া হবে না ভেবে কাঁদছিল ছাত্রী, তারপর যা করলেন 'সুপারহিরো' পুলিশ কাকু...
মাধ্যমিক পরীক্ষার গুরুত্বপূর্ণ দিনে মহম্মদ বাজারে এক অনন্য মানবিক ঘটনার সাক্ষী থাকল এলাকাবাসী। বাসের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে অসুস্থ হয়ে পড়া এক আদিবাসী ছাত্রীর বছর নষ্ট হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করলেন কর্তব্যরত এক পুলিশ আধিকারিক। পুলিশের তৎপরতায় শেষ পর্যন্ত চোখের জল মুছে হাসি মুখে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করল সুশীলা সরেন।
advertisement
ডেউচার বাসিন্দা সুশীলা সরেনের এ বছরের মাধ্যমিক পরীক্ষার কেন্দ্র ছিল কাইজুলি হেমচন্দ্র হাই স্কুল। শনিবার ভূগোল পরীক্ষা দেওয়ার উদ্দেশ্যে সে মহম্মদবাজার বাসস্ট্যান্ডে এসে পৌঁছায়। কিন্তু বাসের জন্য অপেক্ষা করার সময় হঠাৎ করেই সে অসুস্থ হয়ে পড়ে। দীর্ঘক্ষণ অসুস্থ অবস্থায় পড়ে থাকায় পরীক্ষার সময় প্রায় হয়ে আসে। একদিকে শারীরিক অসুস্থতা আর অন্যদিকে পরীক্ষা দিতে না পারার ভয় এই দু'ইয়ের চাপে বাসস্ট্যান্ডেই কান্নায় ভেঙে পড়ে সুশীলা।
advertisement
ছাত্রীর এই বিপত্তির খবর দ্রুত পৌঁছায় মহম্মদবাজার ট্রাফিক ওসি শুভঙ্কর মন্ডলের কাছে। পরিস্থিতি বিচার করে তিনি তৎক্ষণাৎ এএসআই শ্রীকান্ত মারান্ডিকে সেখানে পাঠান। শ্রীকান্তবাবু গিয়ে দেখেন মেয়েটি ভয়ে কাঁপছে। সুশীলা তাকে জানায়, তার মৃগী রোগ থাকার কারণে সে অসুস্থ হয়ে পড়েছে এবং হাতে একদম সময় নেই। দেরি না করে শ্রীকান্তবাবু নিজের বাইকেই ওই ছাত্রীকে বসিয়ে নেন এবং অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে তাকে পরীক্ষাকেন্দ্রের উদ্দেশ্যে নিয়ে রওনা হন।
advertisement
পরীক্ষা শুরুর ঠিক কয়েক মুহূর্ত আগে সুশীলাকে স্কুলের গেটে পৌঁছে দেন শ্রীকান্তবাবু। সঠিক সময়ে কেন্দ্রে পৌঁছাতে পেরে হাঁফ ছেড়ে বাঁচে ওই পরীক্ষার্থী। আবেগঘন কণ্ঠে সে ওই অফিসারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলে, "তুমি না থাকলে আজ পরীক্ষা দেওয়া হতো না। আজ থেকে তুমি আমার কাছে সুপারহিরো পুলিশ কাকু।" ট্রাফিক ইনচার্জ শুভঙ্কর মন্ডল জানান, ছাত্রীর ভবিষ্যৎ রক্ষায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়াটাই ছিল তাদের প্রধান লক্ষ্য।
advertisement
এই ঘটনা প্রসঙ্গে বীরভূম জেলা পুলিশ সুপার আমনদ্বীপ জানান, মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের যে কোন সমস্যায় পাশে দাঁড়ানোর জন্য জেলার প্রতিটি থানাকে আগে থেকেই নির্দেশ দেওয়া ছিল। তিনি বলেন, "এটি ছাত্রছাত্রীদের জীবনের প্রথম বড় পরীক্ষা। তাদের যে কোন বিপদে পুলিশ সব সময় সচেষ্ট থেকেছে এবং আগামীতেও আমরা এই মানবিক দায়বদ্ধতা পালন করতে অঙ্গীকারবদ্ধ।" Input- Sudipto Gorai







