advertisement

PM Kisan: পিএম কিষান যোজনার ২২ তম কিস্তি নিয়ে জরুরি তথ্য !

Last Updated:
PM Kisan: পিএম কিষান যোজনার পরবর্তী কিস্তি শীঘ্রই আসতে পারে। তবে টাকা পেতে হলে ই-কেওয়াইসি এবং কৃষক আইডি সম্পূর্ণ করা জরুরি। দেরি এড়াতে এখনই জেনে নিন নতুন নিয়মগুলো।
1/6
কৃষকদের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার উদ্দেশ্যে সরকার প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধি (PM-Kisan) প্রকল্প চালু করেছে। এই প্রকল্পের আওতায় যোগ্য কৃষক পরিবার প্রতি বছর ৬,০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা পেয়ে থাকেন। এই অর্থ সরাসরি (DBT) ব্যবস্থার মাধ্যমে কৃষকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ২,০০০ টাকা করে তিনটি কিস্তিতে জমা করা হয়।
কৃষকদের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার উদ্দেশ্যে সরকার প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধি (PM-Kisan) প্রকল্প চালু করেছে। এই প্রকল্পের আওতায় যোগ্য কৃষক পরিবার প্রতি বছর ৬,০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা পেয়ে থাকেন। এই অর্থ সরাসরি (DBT) ব্যবস্থার মাধ্যমে কৃষকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ২,০০০ টাকা করে তিনটি কিস্তিতে জমা করা হয়।
advertisement
2/6
সাধারণত PM-Kisan প্রকল্পের অর্থ প্রতি চার মাস অন্তর একবার করে দেওয়া হয়। ২১তম কিস্তি ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে কৃষকদের কাছে পৌঁছে গিয়েছিল। ২২তম কিস্তি ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে জারি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এই কিস্তি পেতে কৃষকদের একটি নতুন নিয়ম মেনে চলতে হবে।
সাধারণত PM-Kisan প্রকল্পের অর্থ প্রতি চার মাস অন্তর একবার করে দেওয়া হয়। ২১তম কিস্তি ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে কৃষকদের কাছে পৌঁছে গিয়েছিল। ২২তম কিস্তি ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে মার্চের মধ্যে জারি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এই কিস্তি পেতে কৃষকদের একটি নতুন নিয়ম মেনে চলতে হবে।
advertisement
3/6
এই প্রকল্পের আওতায় প্রত্যেক যোগ্য কৃষক বছরে ৬,০০০ টাকা নগদ পাবেন। এই অর্থ একবারে দেওয়া হয় না, বরং তিনটি কিস্তিতে দেওয়া হয়। প্রতি চার মাসে একবার করে কৃষকদের অ্যাকাউন্টে ২,০০০ টাকা জমা করা হয়। এইভাবে সারা বছর ফসলের বিনিয়োগের প্রয়োজন হলে কৃষকদের হাতে যাতে অর্থ থাকে, সেই লক্ষ্যেই সরকার এই পরিকল্পনা তৈরি করেছে।
এই প্রকল্পের আওতায় প্রত্যেক যোগ্য কৃষক বছরে ৬,০০০ টাকা নগদ পাবেন। এই অর্থ একবারে দেওয়া হয় না, বরং তিনটি কিস্তিতে দেওয়া হয়। প্রতি চার মাসে একবার করে কৃষকদের অ্যাকাউন্টে ২,০০০ টাকা জমা করা হয়।এইভাবে সারা বছর ফসলের বিনিয়োগের প্রয়োজন হলে কৃষকদের হাতে যাতে অর্থ থাকে, সেই লক্ষ্যেই সরকার এই পরিকল্পনা তৈরি করেছে।
advertisement
4/6
এই প্রকল্পের আওতায় সমস্ত অর্থপ্রদান সরাসরি (DBT) পদ্ধতিতে করা হয়। টাকা সরাসরি কৃষকদের আধার নম্বরের সঙ্গে সংযুক্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে স্থানান্তরিত হয়। আধার সিডিং প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভুয়ো অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত করা সহজ হয়েছে। ফলে শুধুমাত্র প্রকৃত কৃষকরাই এই প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন। এই ব্যবস্থার ফলে দুর্নীতির সম্ভাবনাও প্রায় সম্পূর্ণভাবে দূর হয়েছে।
এই প্রকল্পের আওতায় সমস্ত অর্থপ্রদান সরাসরি (DBT) পদ্ধতিতে করা হয়। টাকা সরাসরি কৃষকদের আধার নম্বরের সঙ্গে সংযুক্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে স্থানান্তরিত হয়। আধার সিডিং প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভুয়ো অ্যাকাউন্ট চিহ্নিত করা সহজ হয়েছে।ফলে শুধুমাত্র প্রকৃত কৃষকরাই এই প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন। এই ব্যবস্থার ফলে দুর্নীতির সম্ভাবনাও প্রায় সম্পূর্ণভাবে দূর হয়েছে।
advertisement
5/6
প্রধানমন্ত্রী-কিষান প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার জন্য কৃষক পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সরকার সম্প্রতি PM-কিষান প্রকল্পের আসন্ন কিস্তির জন্য এই কৃষক পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক করেছে। এই কৃষক পরিচয়পত্রটি ‘কৃষক রেজিস্ট্রি’র অংশ, যা অ্যাগ্রিস্ট্যাক (AgriStack)-এর একটি উদ্যোগ। এর মূল উদ্দেশ্য হল সারা দেশের কৃষকদের জন্য একটি যাচাইকৃত জাতীয় ডেটাবেস তৈরি করা।
প্রধানমন্ত্রী-কিষান প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার জন্য কৃষক পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সরকার সম্প্রতি PM-কিষান প্রকল্পের আসন্ন কিস্তির জন্য এই কৃষক পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক করেছে।এই কৃষক পরিচয়পত্রটি ‘কৃষক রেজিস্ট্রি’র অংশ, যা অ্যাগ্রিস্ট্যাক (AgriStack)-এর একটি উদ্যোগ। এর মূল উদ্দেশ্য হল সারা দেশের কৃষকদের জন্য একটি যাচাইকৃত জাতীয় ডেটাবেস তৈরি করা।
advertisement
6/6
কৃষক আইডি পাওয়ার পরও ই-কেওয়াইসি (e-KYC) বাধ্যতামূলক। ই-কেওয়াইসি সম্পূর্ণ না করলে PM-কিষান প্রকল্পের কিস্তির টাকা পাবেন না। এই প্রক্রিয়াটি খুবই সহজ। PM-কিষানের সরকারি ওয়েবসাইটে গিয়ে আধার নম্বর এবং নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে OTP-এর মাধ্যমে ই-কেওয়াইসি সম্পূর্ণ করা যায়। পুরো প্রক্রিয়াটি মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই শেষ হয়ে যায়।

 অর্থপ্রদান যাতে কোনওভাবে আটকে না যায়, তার জন্য এই KYC সম্পূর্ণ করা অত্যন্ত জরুরি।
কৃষক আইডি পাওয়ার পরও ই-কেওয়াইসি (e-KYC) বাধ্যতামূলক। ই-কেওয়াইসি সম্পূর্ণ না করলে PM-কিষান প্রকল্পের কিস্তির টাকা পাবেন না।এই প্রক্রিয়াটি খুবই সহজ। PM-কিষানের সরকারি ওয়েবসাইটে গিয়ে আধার নম্বর এবং নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে OTP-এর মাধ্যমে ই-কেওয়াইসি সম্পূর্ণ করা যায়। পুরো প্রক্রিয়াটি মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যেই শেষ হয়ে যায়।অর্থপ্রদান যাতে কোনওভাবে আটকে না যায়, তার জন্য এই KYC সম্পূর্ণ করা অত্যন্ত জরুরি।
advertisement
advertisement
advertisement